
ইমদাদুল হক, পাইকগাছা (খুলনা)।।
কোরবানির ঈদ ঘনিয়ে আসার সাথে সাথে বাজারে সব ধরনের মসলার চাহিদা ও দাম কয়েকগুণ বেড়ে গেছে। খুলনাসহ পাইকগাছার বিভিন্ন খুচরা বাজারে জিরা, এলাচ, লবঙ্গ, দারুচিনি, ও আদা-রসুনের দাম এখন ঊর্ধ্বমুখী।
পবিত্র ঈদুল আজহার আর মাত্র কয়েকদিন বাকি। ঈদ ঘনিয়ে আসতেই বাজারে মসলাসহ নিত্যপণ্যের দাম যেন আকাশ ছুঁয়েছে। উৎসবের আনন্দের আগে এখন সাধারণ মানুষের লড়াই পণ্যের সাথে।
কয়েকদিনের ব্যবধানে প্রায় সব ধরনের মসলার দাম বেড়ে যাওয়ায় সবচেয়ে বেশি চাপের মুখে পড়েছেন সাধারণ ক্রেতারা। ঈদের আনন্দের আগে তাই মসলার বাজারেই এখন অস্থিরতার ছায়া। বাজারে এলাচ বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে কেজি প্রতি ৪ হাজার ৬০০ থেকে ৫ হাজার ৫০০ টাকায়। লবঙ্গ ১ হাজার ৮০০ থেকে ২ হাজার টাকা, জিরা ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা, দারুচিনি ৫৫০ থেকে ৬০০ টাকা এবং ধনিয়ার গুঁড়া ৩০০ টাকার বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া আদা, রসুন ও পেঁয়াজের দামেও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা গেছে।
আমদানি ও সরবরাহ স্বাভাবিক থাকার দাবি থাকলেও খুচরা পর্যায়ে জিরা, এলাচ, লবঙ্গ, দারুচিনি, আদা-রসুনসহ প্রায় সব ধরনের মসলার দাম বেড়েছে। এতে সবচেয়ে বেশি চাপে পড়েছেন নিম্ন ও মধ্যবিত্ত ক্রেতারা।
বিশেষ করে পোলাও চাল, মসলা, ভোজ্যতেল, সালাদের উপকরণ ও শুকনো খাদ্যপণ্যের বাজারে এখন ঊর্ধ্বমুখী দামের চাপ স্পষ্ট। ফলে ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ ক্রেতারা। ব্যবসায়ীদের একাংশের মতে, মৌসুমি চাহিদা বাড়ার কারণেই বাজারে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
দোকানগুলোতে মসলার পর্যাপ্ত মজুত থাকলেও দাম আগের তুলনায় বেশি। বিক্রেতাদের ভাষ্য, ঈদকে কেন্দ্র করে চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় পাইকারি বাজারেই দাম বাড়ছে, যার প্রভাব পড়ছে খুচরা পর্যায়ে। এছাড়াও, নিত্যপণ্যের বাজারগুলোতে দেখা দিয়েছে অস্থিরতা। ঈদকে কেন্দ্র করে বেড়েছে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের চাহিদা, আর সেই সুযোগে দাম বেড়েছে বিভিন্ন পণ্যের দাম।
প্রেরকঃ
ইমদাদুল হক,
পাইকগাছখ, খুলনা।