রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ০৬:৩৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :-
গোদাগাড়ীতে অবৈ/ধভাবে মাটি কাটার দায়ে ১ লক্ষ টাকা জ/রিমানা টুঙ্গিপাড়ায় প্রতি/পক্ষের বিরুদ্ধে জো/রপূর্বক জমি দখ/ল চেষ্টার অভিযোগ এনে সাবেক বিজিবি কর্মকর্তার সংবাদ সম্মেলন পাইকগাছায় বিএফআরআই লোনাপানি কেন্দ্রের বার্ষিক আঞ্চলিক কর্মশালা অনুষ্ঠিত দোয়ারাবাজারে আব্দুল আজিজ মাষ্টার স্মৃতি ফাউন্ডেশন প্রথম মেধাবৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় বারখাল পুনঃখনন পরিদর্শন: দখলমুক্ত হবে সব খাল – ডিসি মোঃ আরিফ- উজ-জামান গোদাগাড়ীর বোয়ালা বিল ও দমদমা খাড়ি প্রকল্প পরিদর্শনে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বাবুগঞ্জে বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ প্রফেসর মোকতার হোসাইনের স্মরণসভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত গোদাগাড়ীর বোয়ালা বিল ও দমদমা খাড়ি প্রকল্প পরিদর্শনে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক গোদাগাড়ীতে অভিনব কায়দায় লুকিয়ে রাখা হেরো/ইনসহ ২ মাদ/ক ব্যবসায়ীকে আ/টক করেছে র‍্যাব-৫ রাজশাহীতে দেওয়াল কেটে জুয়েলার্সে দু/র্ধর্ষ চু/রি: ২০০ ভরি স্বর্ণ ও ২৫ লাখ টাকা লু/ট

গোদাগাড়ী পৌরসভায় জামায়তের ও বিএনপির সাথে তালিকাভুক্ত মাদকব্যবসায়ীও সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬
  • ৪৫৮ Time View

রাজশাহী থেকে মোঃ হায়দার আলীঃ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রেশ কাঁটতে না কাঁটতে গোদাগাড়ী পৌরসভার সম্ভাব্য মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীদের ব্যাপক আনাগোনা, নির্বাচনী প্রচার প্রচারণা শুরু হয়েছে। বিয়ে, জন্মদিন, খেলাধুলা, মসজিদের মেলাদ, খুদবা, ক্লাব, সামাজিক সংগঠন, প্রতিবন্ধী সংগঠন, ছাত্র -ছাত্রী শিক্ষকগনের সংগঠন থেকে হুজুরদের সংগঠন কেউ যেন পিঁছিয়ে নেই। সবাই পচ্ছন্দের প্রার্থীর পক্ষে প্রচার প্রচারণায় ব্যস্ত। নির্বাচনের তফশিল বা তারিখ ঘোষনা না হলেও যেন নির্বাচনী আমেজ শুরু হয়ে গেছে। সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকায় চিহ্নিত তালিকাভুক্ত মাদকসেবী, মাদক সম্রাট, একাধিক মাদক মামলার আসামী, জনপ্রতিনিধি, সমাজ সেবক, উচ্চ শিক্ষিত, সৎলোক, ব্যবসায়ী, শিক্ষক, সমাজ সেবক, পারর্সেল ব্যবসায়ী রয়েছে।

সম্ভাব্য প্রাথীগণ নিজ নিজ নেতা কর্মী সমর্থদের নিয়ে ভোটারদের দ্বারে-দ্বারে যাচ্ছেন, পাড়া মহল্লায় বিভিন্ন অজুহাতে উঠান বোঠক করছেন প্রার্থী ও তার কর্মী সমর্থকেরা । দিন-রাত চলছে প্রচারণা। কাঁকডাকা ভোর থেকে শুরু করে গভীর রাত পর্যন্ত চলে ভোটের শুভেচ্ছা বিনিময়। হোটেলে, মসজিদে, স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠানে।

মিনি টুর্নামেন্ট, বিভিন্ন লীগসহ যেকোন খেলায় অনুদানের বিনিময়ে প্রধান অতিথি হওয়ার প্রতিযোগিতা চলছে। বিভিন্ন নেতাদের ছবি সম্বলিত রংবেরং এর পোষ্টার, ব্যানার, প্লেকাডে ছেঁয়ে গেছে পৌরসভার ৯ টি ওয়ার্ডের পাড়া, মহল্লা, বিভিন্ন মোড়, হোটেল, অলি-গলি। গোদাগাড়ী পৌরসভা যেন ব্যানার, ফেস্টুন, পোস্টারের নগরীতে পরিনত হয়েছে।

চলতি বছরের বর্ষা মৌসুমের পর সেপ্টেম্বর বা অক্টোবর মাস থেকে পর্যায়ক্রমে দেশজুড়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হতে পারে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। বগুড়ায় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান।

প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, আগামী এক বছরের মধ্যে ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, উপজেলা, জেলা পরিষদ ও সিটি করপোরেশন—এ পাঁচ ধরনের নির্বাচন সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।

প্রতিমন্ত্রীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বাজেটের প্রাপ্যতার ওপর ভিত্তি করে পর্যায়ক্রমে এই নির্বাচনগুলো অনুষ্ঠিত হবে। এক্ষেত্রে প্রথমে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে। এরপর ধাপে ধাপে অন্যান্য স্থানীয় সরকার সংস্থার নির্বাচন হবে, যেগুলোর জন্য বড় অঙ্কের বাজেট বরাদ্দ প্রয়োজন। তিনি আরও জানান, নবগঠিত বগুড়া সিটি করপোরেশনসহ দেশের ১৩টি সিটি করপোরেশনের নির্বাচনও একই সময়সীমার মধ্যে সম্পন্ন করা হবে। মীর শাহে আলম আরও বলেন, নির্বাচন আয়োজনের আর্থিক পরিকল্পনা নিয়ে কাজ চলছে। স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য বিপুল পরিমাণ ফান্ডের প্রয়োজন হয়। এই প্রয়োজনীয় বরাদ্দ আগামী জাতীয় বাজেটে অন্তর্ভুক্ত করা হবে বলেও জানান তিনি।

প্রতিমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, নির্বাচন আয়োজনের বিস্তারিত ব্যয় নির্ধারণের জন্য ইতোমধ্যে নির্বাচন কমিশনকে একটি চিঠি পাঠানো হয়েছে। এর পর থেকে মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীগণ যেন আদা জল খেয়ে কোমর বেঁধে নেমেয় পড়েছেন। কেউ কাকে বিন্দুমাত্র ছাড় দিতে নারাজ। এক প্রার্থী আর এক প্রার্থীকে কিভাবে সাইজ করা হবে সে দিকেই যেন বেশী নজর দিচ্ছেন।

গোদাগাড়ী পৌর নির্বাচনে সম্ভাব্য মেয়র পদে জামায়তের অনেক আগে প্রার্থী ঘোষনা করেছেন, জামায়েতের এমপি অধ্যাপক মুজিবুর রহমান নির্বাচিত হওয়ায় তারা বেশখানিকটা ফুরফুরে মেজাজে রয়েছেন। অনেক আগে থেকে জামায়তের ঘোষিত ও মনোনিত প্রাথী হয়েছেন ডক্টর মোঃ ওবাইদুল্লাহ। তিনি দলীয় নেতা কর্মীদের নিয়ে একযোগে প্রচার ও দোয়া যাচ্ছেন। অপর দিকে বিএনপির মেয়র প্রার্থী ঘোষনা না করায় দলীয় নেতা কর্মী সমর্থকগন লবিং গ্রুপিংএ ব্যস্ত সময় পার করছেন। নিজ নিজ প্রার্থীর সমর্থন করে অন্য প্রার্থীর বিরুদ্ধেই বেশী প্রচার করছেন।

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামীলীগের প্রার্থীর সেভাবে মাঠে কাজ না করলেও তাদের রয়েছেন একাধিক শক্তিশালী প্রার্থী। আবহাওয়া অনুকূলে আসলে যে কোন সময় মাঠে নেমে পড়তে পারেন তারা। বিএনপি থেকে কে প্রাথী হবেন তা নিয়ে সাধারণ মানুষের কৌতুহলের শেষ নেই। হাফ ডজনের বেশী মেয়র প্রার্থী মাঠে কাজ করায় নেতা, কর্মী সমর্থকগন খুবই বিরক্তি প্রকাশ করছেন।

বিএনপির মেয়র প্রার্থীদের মধ্যে যাদের নাম বেশী শুনা যাচ্ছে, মাঠে কাজ করছেন, ঈদ উপলক্ষ্যে ব্যানার, পোস্টার, ফেস্টুন লাগিয়ে ভোটদের আগাম দোয়া চাচ্ছেন তাদের মধ্যে রয়েছেন রাজশাহী জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক, ৩ বারের সাবেক প্যানেল মেয়র ও ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোঃ মাহবুবুর রহমান বিপ্লব, ২ বারের সাবেক মেয়র বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আনোয়ারুল ইসলাম চৌধুরী, পৌর বিএনপির দপ্তর সম্পাদক, ত্যাগিনেতা মোঃ আব্দুল হান্নান, বিএনপি মনোনীত বিশাল ভোটের ব্যবধানে পরাজিত সাবেক প্রার্থী ও গোদাগাড়ী পৌরসভা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আহম্মদ কুরিয়ার সার্ভিসের মালিক বিশিষ্ট সমাজ সেবক গোলাম কিবরিয়া রুলু।
জামায়তের সাবেক বহিস্কৃত সেক্রেটারী, বর্তমান ৩ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি নওসাদ আলী, ছাত্রদল নেতা রিমেল, সাবেক বিএনপি নেতা সাবেক কাউন্সিলর শহিদুল ইসলাম।

এ পৌরসভায় মেয়য় প্রার্থী হিসেবে যেভাবে প্রচার করছেন, পৌরবাসীর দোয়া চাচ্ছেন ঠিক তেমনীভাবে ৯টি সাধারণ ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে ৪০ জন ও ৩টি সংরক্ষিত ওয়ার্ডে মহিলা কাউন্সিলর পদে ১৫ জন নারী প্রচার করছেন ও দোয়া যাচ্ছেন।

ঈদে সেমাই চিনি, ঈদের পোশাক, ঈদ সামগ্রী বিতরণ, গরীব দুস্থদের মাঝে চাউল, অর্থ বিতরণ, ঈদুল আযহায় মাংশ, নগদ অর্থ বিতরণ, বিয়ে, সুন্নাতে খাতনা, জন্ম দিন, ধর্মীয় অনুষ্ঠান বিভিন্ন ভাল ভাল উপহার সামগ্রী নিয়ে উপস্থিত হয়ে ভোটার এলাকাসীর সুদৃষ্টি অকর্ষণ করছেন অনেকে। বিভিন্ন টুর্নামেন্টে কাপ, প্রাইজমানি নিয়ে প্রতিযোগিতায় নেমেছেন প্রধান অতিথি হবার জন্য মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীগন। মসজিদ, মন্দির, জানাজার নামাজে, ইয়াতিমখানায় যাচ্ছে সালাম কালাম বেশী বেশী করছেন। নিজ উদোগ্যে চা চক্রের আয়োজন করছেন।

নির্বাচন বিশ্লেষকদের মতে, এটা স্থানীয় নির্বাচন, এবার দলীয় প্রতীক না থাকায় একাধিক দলীয় প্রার্থী হওয়াটা স্বাভাবিক। তাই প্রার্থীর ব্যক্তি ইমেজ, নতুন ও মহিলা ভোটার গোদাগাড়ী পৌরসভার নির্বাচনে বড় ফেক্টর, যে প্রার্থী তার কলাকৌশল দিয়ে নতুন ও মহিলা ভোটারদের তার পক্ষে নিতে পারবেন সে প্রার্থী মেয়র নির্বাচিত হবার সম্ভাবনা বেশী।

বিগত ২০১৫ ইং সালে ডিসেম্বর মাসে অনুষ্ঠিত নির্বাচনের পরিসংখ্যানে দেখা যায় আওয়মীলীগ মনোনীত প্রার্থী মনিরুল ইসলাম বাবু ভোট পেয়ে ছিলেন ১০ হাজার ২শ ২৭ ভোট, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মনোনীত প্রার্থী আনোয়ারুল ইসলাম চৌধুরী পেয়েছিলেন ৬ হাজার ৬শ ১৬ ভোট।

বিএনপির মনোনায়ন প্রত্যাশী মাহাবুবুর রহমান বিপ্লব বলেন, বিগত ৩ নির্বাচনে আমি মনোনায়ন চেয়েছিলাম। দলীয় সিদ্ধান্ত মাথাপেতে নিয়ে প্রার্থী থেকে নিজের নাম প্রত্যাহারে করেছিলাম। বিগত পৌরসভা নির্বাচনে দলীয় কয়েক হাজার নেতা কর্মী সমর্থকদের উপস্থিতিতে আমাকে পরবর্তী নির্বাচনে দলীয় মেয়র প্রাথী করবেন এ সিদ্ধান্তে গোলাম কিবিরিয়া রুলুকে ছাড় দোয়া হয়েছিল। তিনি পর পর ২ টি মেয়র পদে নির্বাচন করে বিশাল ভোটের ব্যবধান পরাজিত হয়েছিলেন। এবার দল আমাকে পূর্বের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মনোনয়ন দিবেন ইনসাল্লাহ। আমি মেয়র নির্বাচিত হলে সকল ওয়ার্ডে সমহারে উন্নয়ন করা হবে যেটা বিগত দিনে কোন মেয়র করেনি। পৌরসভার দরিদ্র, ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের বিশেষ মেধাবৃত্তি, সংবর্ধনা দয়া হবে, পৌরসভায় অবস্থিত মেধাবী, সাহসী, নিরপেক্ষ, বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকদের মূল্যয়ন করা হবে। পৌরসভার সকল কাঁচা রাস্তা পাঁকা ও আধুনিক ড্রেনেজ ব্যবস্থা করা হবে ইনসাল্লাহ। টেড লাইন্সস, পৌরকর, পৌরবাসীর সাথে আলোচনা করে সহনশীল পর্যায়ে আনা হবে। জন্মনিবন্ধন, অরিশিয়ান সনদ কম সময়ে সহজিকরণ করা হবে।

জামায়তের মনোনিত প্রাথী ডক্টর মোঃ ওবাইদুল্লাহ বলেন, আমি নির্বাচিত হলে প্রথম সিদ্ধান্ত আমি পৌরসভার কোন সম্পদ চুরি বা তসরুপাত করব না।দখলবাজি চাঁদাবাজি ও ঘুষ বন্ধ করতে পদক্ষেপ নেয়া হবে। বেকার সমস্যার সমাধান কল্পে দক্ষ জনশক্তি তৈরি র জন্য IELTS ও আরবী জাপানী কোরিয়ান ভাষা শিক্ষা সেন্টার করা হবে। একটি মিনি বিসিক শিল্পনগরীর উদ্যোগ নেয়া হবে
শিক্ষার হার ১০০% করার কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া হবে। নৈতিক নাগরিক তৈরি তে পৌরসভার অন্তর্গত সকল মসজিদে মানসম্মত মক্তব শিক্ষা চালু রাখতে হুজুরের ভাতা চালু করার উদ্যোগ গ্রহণ। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় পৌর এলাকায় বেল, ডুমুর, জাম, লেবু, আমলকি, অর্জুন বৃক্ষ রোপন করা এবং দোকান ও বাসাবাড়ির পৌরকর কমানোর নীতি গ্রহণ। হিন্দু ধর্ম ও অন্যান্য ধর্ম পালন নির্বিঘ্নে করার কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ, সমাজ ও মানবতা বিধ্বংসী মাদক বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ, গোদাগাড়ী হাসপাতাল ৫১ শয্যায় উন্নীতকরণ ও এম্বুলেন্স সার্ভিস চালু করা, ওয়ার্ড কাউন্সিলরদের অফিস তৈরী, মশা নিধনে কার্যকর পদক্ষেপ নিয়মিত করা হবে। পয় নিস্কাশনের আধুনিক গাড়ী ব্যবহারের উদ্দোগ নেয়া হবে।

বিএনপির মনোনায়ন প্রত্যাশী মোঃ আব্দুল হান্নান বলেন, সারাজীবন দলের জন্য কাজ করেছি, অনেককে মেয়র বানিয়েছি, মামলার আসামী হয়েছি, বাড়ী ছেড়ে ধান, গমের জমিতে রাত কাটিয়েছি, ডিপটিউলের ঘরে যাত্রী যাপন করেছি। আশা করি দল এবার আমাকে মূল্যয়ন করবে। এবার থেকে ১, ২, ৩ ও ৪ ওয়ার্ডের দলীয় মেয়র প্রার্থী নেই ৩ নং ওয়ার্ডের প্রাথী হিসেবে পৌরবাসী আমাকে সেবা করার সুযোগ দিবেন ইনসাল্লাহ। যদি আল্লাহ আমাকে মেয়রের চিয়ারে বসান তাহলে অযুক্তিক পৌরকর কমানো হবে। কোন সন্ত্রাসী, চাঁন্দাবাজ, ইয়ানতবাজের স্থান হবে না। মশা নিধনে কার্যকর পদক্ষেপ নিয়মিত করা হবে। পয় নিস্কাশনের আধুনিক গাড়ী ব্যবহারের উদ্যোগ গ নেয়া হবে।

সাবেক মেয়র মোঃ আনোয়ারুল চৌধুরী বলেন, আমি দু বারের সফল মেয়র ছিলাম। দলীয় সাধারন সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছি। যদি দল আমাকে মনোনায়ন দেন, আল্লাহ আমাকে ৩র্থ বারের মত মেয়রের চিয়ারে বসান তবে পুরাতন অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে চিত্তবিনোদন জন্য একটি আধুনিক পার্ক নির্মান, রাস্তাঘাটের ব্যাপক উন্নয়ন, পানির যে প্রকল্প চলছে সেটি আমার আমূলে করা হয়। এধরনের বড় বড় প্রকল্প করে একটি মডেল পৌরসভা হিসেবে গড়ে তোলা হবে। তিনি মাহাবুবুর রহমান বিপ্লবকে এবার মেয়র প্রার্থী ঘোষনার ব্যপারে বলেন, এটা সঠিক নয়। এ সংক্রান্ত ভিডিওর ব্যপারে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, বিএনপি একটি বড় দল এখানে যোগ্য একাধিক মেয়র প্রাথী হওয়াটা স্বাভাবিক। দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে যাওয়ার কারো সুযোগ নেই।

গোলাম কিবিরিয়া রুলুর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি একটা স্থানীয় বিচারে আছি, পরে রিং দিচ্ছি বলে মোবাইল কেটে দেন। পরে আর রিং না দেয়ায় তার বক্তব্য পাওয়া সম্ভাব হয় নি।
উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুস সালাম শাওয়াল বলেন, বিএনপি একটি বড় দল এখানে সৎ, যোগ্য, জনপ্রিয় একাধিক মেয়র প্রার্থী থাকা অস্বাভাবিক কিছু নয়। দলীয়ভাবে যে যেটা সিদ্ধান্ত হবে সেটা সবাইকে মেনে নিয়ে হবে। কেউ দলীয় সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে প্রার্থী হলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। আগামীতে একসাথে কাজ করতে হবে। ঐক্যভাবে নির্বাচন ছাড়া কোন সফল হওয়া সম্ভব নয়। ব্যক্তির চেয়ে দলবড় দলের চেয়ে দেশ বড়। গণতন্ত্রকে স্থানীয় নির্বাচনে সঠিক রুপ দিতে হবে। এবার দলীয় প্রতীক থাকছে না। কেন্দীয়ভাবে স্থানীয় নির্বাচনের ব্যপারে কোন সিদ্ধন্ত আসেনি। তালিকাভুক্ত প্রকৃত হেরোইন ব্যবসায়ী, হেরোইন সেবী প্রার্থী পারবেন এদের ব্যপারে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করা হবে। মাদকব্যবসায়ীদের কোন দল নেই। যখন যেদিকে সুবিধা পান পল্টি মারেন। এরা জাতীর শ্রুত্র, দেশের জন্য ক্ষতিকারক।

গোদাগাড়ী পৌরসভার জামায়তের আমীর মোঃ আনারুল ইসলাম বলেন, আমরা নির্বাচন করি আর না করি মানুষের কল্যাণে কাজ করি। সংগঠনিকভাবে আমরা অনেক আগে থেকেই মেয়র প্রার্থী হিসেবে ড. ওবাইদুল্লাহ কে ঘোষনা করে কাজ করছি। সে অনুযায়ী তিনি ব্যাপক কাজ করছেন, সময় দিচ্ছেন। তাকে আরও কাজের পরিধি বাড়াতে হবে। মানুষের সাথে মিশতে হবে। এমপি মহোদয় তাকে দিয়ে কাজ করাচ্ছেন। সচিবালয় ও মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রীদের সাথে যোগাযোগ করে বিভিন্ন ধরণের উন্নয়ন ও সংস্কারমূলক কাজ নিয়ে আসছেন। তিনি প্রতিদিনই পৌরসভা ও উপজেলায় বিভিন্ন কার্যক্রমে অংশ গ্রহন করছেন। সরকার বিএনপির, এলাকায় জামায়তের এমপি কোন কাজ করতে পারবেন না এমন প্রশ্নের উত্তরে এ নেতা বলেন, যারা বলছেন তারা না বুঝে বলছেন। প্রধান মন্ত্রী তারেক রহমান সাহেব সব এমপিকে ১০ লাখ টাকা করে বরাদ্ধ দিয়েছেন জামায়তের এমপি হিসেবে অধ্যাপক মজিবুর রহমান ভাইও ১০ লাখ টাকা পেয়েছেন। ইউএনও, পৌর প্রশাসক দের সাথে আলোচনা করে বিতরণ করেছেন। আগামীতে গোদাগাড়ী তানোরে ২০০/- কোটি টাকার কাজ হবে। গোদাগাড়ী পৌরসভার কোন রাস্তা কাঁচা থাকবে না। গোদাগাড়ী – তানোর উপজেলায় রাস্তা, ব্রিজ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ভবণ, মসজিদ, মন্দির, মক্তবের ব্যাপক উন্নয়ন হবে ইনসাল্লাহ।

মোঃ হায়দার আলী
রাজশাহী।।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © natunbazar24.com
Developed by: A TO Z IT HOST
Tuhin