রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ০৫:১১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :-
গোদাগাড়ীতে অবৈ/ধভাবে মাটি কাটার দায়ে ১ লক্ষ টাকা জ/রিমানা টুঙ্গিপাড়ায় প্রতি/পক্ষের বিরুদ্ধে জো/রপূর্বক জমি দখ/ল চেষ্টার অভিযোগ এনে সাবেক বিজিবি কর্মকর্তার সংবাদ সম্মেলন পাইকগাছায় বিএফআরআই লোনাপানি কেন্দ্রের বার্ষিক আঞ্চলিক কর্মশালা অনুষ্ঠিত দোয়ারাবাজারে আব্দুল আজিজ মাষ্টার স্মৃতি ফাউন্ডেশন প্রথম মেধাবৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় বারখাল পুনঃখনন পরিদর্শন: দখলমুক্ত হবে সব খাল – ডিসি মোঃ আরিফ- উজ-জামান গোদাগাড়ীর বোয়ালা বিল ও দমদমা খাড়ি প্রকল্প পরিদর্শনে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বাবুগঞ্জে বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ প্রফেসর মোকতার হোসাইনের স্মরণসভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত গোদাগাড়ীর বোয়ালা বিল ও দমদমা খাড়ি প্রকল্প পরিদর্শনে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক গোদাগাড়ীতে অভিনব কায়দায় লুকিয়ে রাখা হেরো/ইনসহ ২ মাদ/ক ব্যবসায়ীকে আ/টক করেছে র‍্যাব-৫ রাজশাহীতে দেওয়াল কেটে জুয়েলার্সে দু/র্ধর্ষ চু/রি: ২০০ ভরি স্বর্ণ ও ২৫ লাখ টাকা লু/ট

বরিশাল সিটি নির্বাচনে জামায়াতের প্রার্থী ঘো/ষণা

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ১১ জুন, ২০২৬
  • ৭৩ Time View

কে এম সোহেব জুয়েল ঃ

কবে নাগাদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে তার দিনক্ষণ নির্ধারণ না হলেও বরিশাল সিটি করপোরেশনের নির্বাচনের মেয়র প্রার্থী ঠিক করেছে জামায়াতে ইসলামী। দলের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসাইন হেলালকে নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নিতে বলেছে দলটি।

অপরদিকে নির্বাচনে অংশগ্রহণের কোনো ইচ্ছা নেই বলে জানিয়েছেন চরমোনাই পীরের দল ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম। ফলে এখন পর্যন্ত এটা নিশ্চিত যে, আগামী নির্বাচনে মেয়র পদে বিএনপির প্রার্থীর সাথে মূল লড়াই হবে জামায়াতের।

যদিও এই নির্বাচনে কোনো দলীয় প্রতীক থাকছে না বলে নিশ্চিত করেছে নির্বাচন কমিশন। তারপরেও লড়াইটা যে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যেই হবে, তা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই। কেননা দলীয় প্রতীক থাক বা না থাক, মেয়র পদে দলীয়ভাবেই প্রার্থী দেবে বিএনপি, জামায়াতসহ অন্য রাজনৈতিক দলগুলো।

সূত্রমতে, ২০০২ সালে যাত্রা শুরু করা বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রথম নির্বাচন হয় ২০০৩ সালে। সেই নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে হারিয়ে জয়লাভ করে বিএনপি। ২০০৮ সালে অবশ্য জয়ের মালা যায় আওয়ামী লীগের ঘরে।

২০১৩ সালে বিজয়ী হওয়ার মাধ্যমে হারানো সম্মান পুনরুদ্ধার করে বিএনপি। নগর পরিষদের ইতিহাসে এই তিনটি নির্বাচনকেই মোটামুটি ধরা হয় সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হিসেবে। ২০১৮ ও ২০২৩ সালে অনুষ্ঠিত দুটি নির্বাচনে ওঠে ব্যাপক কারচুপি আর ভোট ছিনতাইয়ের অভিযোগ। ওইদুটি নির্বাচনে বিজয়ী ঘোষণা করা হয় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ফুফাতো ভাই আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহর ছেলে সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ এবং দ্বিতীয়বার শেখ হাসিনার ফুফাতো ভাই আবুল খায়ের আব্দুল্লাহ খোকন সেরনিয়াবাতকে।

২০২৩ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের খোকন সেরনিয়াবাতের বিরুদ্ধে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম। লোকদেখানো সেই ভোটে ৩৫ হাজারের মতো ভোট দেওয়া হয় তার বাক্সে। ভোটের দিন অনিয়ম-কারচুপির প্রতিবাদ করতে গিয়ে খোকন সেরনিয়াবাতের সমর্থকদের হামলার শিকার হন ফয়জুল করীম।

বর্তমানে এই সিটি করপোরেশনে প্রশাসক হিসেবে রয়েছেন বিএনপির বরিশাল বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন। তিনিসহ আরও অন্তত পাঁচজন রয়েছেন মেয়র পদে বিএনপির দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার আশায়। তাদের মধ্যে কার ভাগ্যে জুটবে মনোনয়ন, তা নিশ্চিত নয়। তবে নির্বাচনের প্রস্তুতিতে একধাপ এগিয়ে গেছে জামায়াত। মেয়রপ্রার্থী হিসেবে দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসাইন হেলালকে চূড়ান্ত করা হয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল সদর আসনে হেলালকে প্রার্থী করেছিল জামায়াত। পরে আসনটি ইসলামী আন্দোলনকে ছেড়ে দেয় দলটি। ফলে প্রার্থীতা প্রত্যাহার করে নিয়েছিলেন হেলাল।

মেয়র পদে প্রার্থীতা প্রশ্নে অ্যাডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসাইন হেলাল বলেন, মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য আমাকে দল থেকে প্রস্তুতি নিতে বলা হয়েছে। সবাইকে সাথে নিয়ে আমি সেভাবেই কাজ করছি।

সূত্রমতে, মেয়র পদে এখানে আরেক শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী ধরা হয়েছিল মুফতি ফয়জুল করীমকে। সর্বশেষ জাতীয় নির্বাচনে প্রায় ১ লাখ ভোট পেয়েছিলেন তিনি। একাধিকবার প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন সিটি মেয়রসহ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে। তবে এবার মেয়র প্রার্থী হচ্ছেন না বলে জানিয়েছেন তিনি। ফয়জুল করিম বলেন, আমাদের দল থেকে একজন প্রার্থী থাকবে। তবে আমার নির্বাচন করার কোনো ইচ্ছা নেই।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের এক নেতা বলেন, ফয়জুল করীম চরমোনাইয়ের বর্তমান পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীমের ছোট ভাই। তার প্রার্থী হওয়া আর অন্য কাউকে প্রার্থী করা তো এক নয়। তিনি প্রার্থী হলে যে গণজোয়ার আসবে, তা অন্য কাউকে দিয়ে সম্ভব নয়।

অপরদিকে গ্রুপ-উপগ্রুপে বিভক্ত বিএনপিতে মেয়র পদের মনোনয়ন নিয়েও রয়েছে দ্বন্দ্ব। তার ওপর যদি প্রার্থী না হন মুফতী ফয়জুল করীম, তাহলে স্বাভাবিকভাবেই আরও ভারী হবে জামায়াতের পাল্লা। সেক্ষেত্রে কঠিন লড়াইয়ের মুখে পরতে হবে বিএনপির প্রার্থীকে।

এ ব্যাপারে বরিশাল জেলা দক্ষিণ বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবুল কালাম শাহিন বলেন, বিএনপির মতো একটি বড় দলে মনোনয়ন আর নেতৃত্বের দ্বন্দ্ব অস্বাভাবিক কিছু নয়। তবে প্রশ্ন যখন দলের সম্মান, তখন দেখবেন সবাই এক হয়ে যাবে। সুষ্ঠু নির্বাচনে এখানে বিএনপির পরাজয়ের কোনো ইতিহাস নেই।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © natunbazar24.com
Developed by: A TO Z IT HOST
Tuhin