রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ০৯:৩৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :-
গোদাগাড়ীতে অবৈ/ধভাবে মাটি কাটার দায়ে ১ লক্ষ টাকা জ/রিমানা টুঙ্গিপাড়ায় প্রতি/পক্ষের বিরুদ্ধে জো/রপূর্বক জমি দখ/ল চেষ্টার অভিযোগ এনে সাবেক বিজিবি কর্মকর্তার সংবাদ সম্মেলন পাইকগাছায় বিএফআরআই লোনাপানি কেন্দ্রের বার্ষিক আঞ্চলিক কর্মশালা অনুষ্ঠিত দোয়ারাবাজারে আব্দুল আজিজ মাষ্টার স্মৃতি ফাউন্ডেশন প্রথম মেধাবৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় বারখাল পুনঃখনন পরিদর্শন: দখলমুক্ত হবে সব খাল – ডিসি মোঃ আরিফ- উজ-জামান গোদাগাড়ীর বোয়ালা বিল ও দমদমা খাড়ি প্রকল্প পরিদর্শনে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বাবুগঞ্জে বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ প্রফেসর মোকতার হোসাইনের স্মরণসভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত গোদাগাড়ীর বোয়ালা বিল ও দমদমা খাড়ি প্রকল্প পরিদর্শনে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক গোদাগাড়ীতে অভিনব কায়দায় লুকিয়ে রাখা হেরো/ইনসহ ২ মাদ/ক ব্যবসায়ীকে আ/টক করেছে র‍্যাব-৫ রাজশাহীতে দেওয়াল কেটে জুয়েলার্সে দু/র্ধর্ষ চু/রি: ২০০ ভরি স্বর্ণ ও ২৫ লাখ টাকা লু/ট

পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় নাওয়াপাড়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে জাল সনদে চাকরি অতঃপর শোক/জ

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ৩১ মে, ২০২৬
  • ৪৭ Time View

মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম,তেতূলিয়া প্রতিনিধিঃ পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলার নাওয়াপাড়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে জাল সনদে দীর্ঘ সাড়ে ২২ বছর ধরে চাকরির অভিযোগে এক শিক্ষিকার বেতন-ভাতার ১৯ লাখ ৯৮ হাজার ৫৬১ টাকা সরকারি কোষাগারে আদায়যোগ্য অর্থের তালিকা দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কড়া নির্দেশনার পর অভিযুক্তদের এমপিও বাতিল, নিয়োগ বাতিল এবং এ পর্যন্ত তোলা সরকারি অর্থ আদায়ের প্রক্রিয়া শুরু করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। একই সঙ্গে ভুয়া সনদধারী শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা দায়েরের নির্দেশ দিয়ে ১০ কর্মদিবসের মধ্যে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

এরই অংশ হিসেবে নাওয়াপাড়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক (কম্পিউটার) মোছা. ফাতেমা জান্নাহ এর বিরুদ্ধে সম্প্রতি এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর (ডিআইএ) গত ২০২৫ সালের ১৪ জানুয়ারি তদন্ত প্রতিবেদনে ফাতেমা জান্নাহ সহকারী শিক্ষক এর কম্পিউটার প্রশিক্ষণ সনদটি জাল বলে প্রমাণিত হয়। এরপর ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী ডিআইএ পরিচালক প্রফেসর এম.এম. সহিদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত জাল/ভুয়া সনদধারী শিক্ষকদের তালিকা স্বরূপ এই শিক্ষিকার নাম শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বিভাগে প্রেরণ করেন।

তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন অনুযায়ী, এমপিওভুক্ত হওয়ার পর থেকে ২০২৬ সালে জাল/ভুয়া সনদধারী তালিকা ভুক্ত হওয়া পর্যন্ত তিনি সরকারি কোষাগার থেকে বেতন-ভাতা বাবদ সর্বমোট ১৯ লাখ ৯৮ হাজার ৫৬১ টাকা উত্তোলন করেছেন। এই পুরো অর্থই এখন তাকে ফেরত দিতে হবে।

ফাতেমা জান্নাহ এর স্বামী বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক মো. রেজাউল করিম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, কম্পিউটার সার্টিফিকেটটির উপর আপত্তি দিছিল। শোকজ হয়েছিল দু’বার শোকজের জবাব দেওয়া হয়েছে আবার শোকজ করা হয়েছে আবারও জবাব দেওয়া হয়েছে। সার্টিফিকেটের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সহ আবার দাখিল করা হয়েছে। তিনি বলেন, এর আগেও মন্ত্রণালয় থেকে এক বার, ডিজি অফিস থেকে এক বার ও ব্যানবেইস অফিস থেকে একবার শোকজ করা হয়েছিল। কম্পিউটার সনদ সম্পর্কে জানতে চাইলে বলেন, ‘সনদটি ঠিকই আছে, অডিটর ১লাখ টাকা চাইলে অডিটরকে টাকা না দেওয়ায় এমনটি করেছেন বলে জানিয়েছেন।’

মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম।।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © natunbazar24.com
Developed by: A TO Z IT HOST
Tuhin