
একসময় সাংবাদিকতা ছিল সত্য প্রকাশের সাহসী মাধ্যম, অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের কণ্ঠস্বর। আর এখন দুঃখজনক বাস্তবতা হলো, কিছু সাংবাদিক যেন নির্দিষ্ট নেতার ব্যক্তিগত মুখপাত্র কিংবা রাজনৈতিক তোষামোদির দায়িত্ব পালন করছেন!
বর্তমানে মনে হয়, প্রত্যেক নেতারই যেন একজন করে ব্যক্তিগত সাংবাদিক রয়েছেন। যিনি নেতার ভালো কাজের প্রচারে ব্যস্ত, ভুল-ত্রুটি আড়াল করতে তৎপর এবং প্রতিপক্ষের সমালোচনায় সদা প্রস্তুত।
সাংবাদিকতার মূল দায়িত্ব কোনো ব্যক্তি, দল কিংবা নেতার স্বার্থ রক্ষা করা নয়; বরং সত্যকে তুলে ধরা, জনগণের কথা বলা এবং ক্ষমতার চোখে চোখ রেখে প্রশ্ন করা।
মনে রাখতে হবে, সাংবাদিক কোনো নেতার ব্যক্তিগত কর্মচারী নন, কোনো দলের প্রচারযন্ত্রও নন। সাংবাদিকের সবচেয়ে বড় পরিচয় হওয়া উচিত তাঁর নিরপেক্ষতা, বিবেক ও সত্য প্রকাশের সাহস।
নেতার প্রতি আনুগত্য নয়, সত্যের প্রতি দায়বদ্ধতাই হোক সাংবাদিকতার মূল আদর্শ।
কারণ সাংবাদিক যখন বিবেক বিক্রি করেন, তখন শুধু সাংবাদিকতার মর্যাদাই ক্ষুণ্ন হয় না, ক্ষতিগ্রস্ত হয় পুরো সমাজ ও গণতন্ত্র।
সাংবাদিক মিজানুর রহমান মিলন।।