শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:০৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :-
ধানক্ষেত থেকে লালমাইয়ে স্কুলছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার, পাশে সিএনজি ক্ষেতলালে আরএম স্যাটেলাইট ডিস ব্যবসার বিরোধ আপস-মীমাংসায় নিষ্পত্তি মহেশপুরে আ-কস্মিক ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে লণ্ড-ভণ্ড সবজি, ধান ও কলাবাগান, নিমিষেই শেষ কৃষকের স্বপ্ন নেছারাবাদে মি-থ্যা ও মানহানিকর সংবাদ প্রকাশের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে পদ্মা ও নদীতে বন্যার পানিবৃদ্ধির সাথে সাথে ফের নদী ভাঙ্গন শুরু হওয়ায় আত-ঙ্কিত জি-নাইন কলা চাষে সফল পাইকগাছার নারায়ণ অধিকারী রাজশাহী ১ আসনের এমপি মুজিবুর রহমান অ-সুস্থ্য হয়ে হাসপাতালে ভর্তি পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের দুইদিন ব্যাপী শিখন কর্মসূচির সমাপনী পঞ্চগড়ে কলেজভিত্তিক ভিডিপি মৌলিক প্রশিক্ষণের সমাপনী উপলক্ষ্যে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত আশুলিয়ায় ২৪ ঘন্টায় পৃথক স্থান থেকে তিন নারী ও পুরুষসহ ৪ জনের লা-শ উদ্ধার

ক্ষেতলালে জমিদার বাড়ি দেবালয়

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬
  • ৮১ Time View

মোঃ দেলোয়ার হোসেন বাবু
জয়পুরহাট প্রতিনিধি।।

দেবালয় জমিদার বাড়ি প্রতিষ্ঠা করেন স্বর্গীয় নীল মাধব দেব । আজ থেকে ৪০০ বছর আগের কথা ক্ষেতলালের খলিসাগাড়ি স্টেট তথা এই জমিদার ছিলেন কৃষ্ণা কান্ত দেব ।

কৃষ্ণা কান্ত দেবের ছেলের নাম নীল মাধব দেব । নীল মাধব দেবের দুই সন্তান ইন্দু মাধব দেব আর সুধাংশু দেব । ইন্দু মাধব দেবের কোনো ছেলের নাম জানা যায় নি । ইন্দু মাধব দেবের এক পুত্র বধুর নাম গৌরী রানী দেব ।

সেই হিসাবে নীল মাধব দেবের নাতি বৌ হলেন গৌরী রানী দেব । এই গৌরী রানী দেবের কোনো সন্তান নেই । এখন তিনি এই বাড়িতে থাকেন ।

জমিদার কৃষ্ণ কান্ত নিজ বাড়িতে পূজা করতেন এবং বর্তমানে এখনো ওই বংশের প্রজন্ম পারিবারিক ভাবে দূর্গাপূজা সহ অন্যান্য আচার অনুষ্ঠান পালন করে থাকেন ।

আমরা সাধারণ পঞ্চমী কিংবা ষষ্ঠী থেকে দূর্গাপূজার উৎসবের কথা শুনি কিন্তু এখানে টানা দশ দিন ধরে দূর্গাপূজা পালন করা হয় । অর্থাৎ মহালয়ার পর থেকে প্রতিপদ, দ্বিতীয়া তৃতীয়া, চতুর্থী, পঞ্চমী, ষষ্ঠী, সপ্তমী, অষ্টমী, নবমী, দশমী । এভাবে টানা দশ দিন।

পুত্রবধু গৌরী রানী দেব ১১৮ বছর পর এই মন্দির আবার পুনরায় সংস্কার করেন ।

জমিদারি আমলে বিজয়া দশমীর দিন জমিদার বাড়ির সামনের খোলা মাঠে বসত বিরাট মেলা। মুড়ি, মুড়কির, বাতাসা, খাগড়াই, দই, চিড়া, গোল্লা, মাটির তৈজসপত্র পাওয়া যেত ।

চারশ বছরের সেই পুরোনো মেলা এখনো ক্ষেতলালের খলিসাগাড়িতে (হাসপাতাল সংলগ্ন) বসে। সকল শ্রেণী পেশার মানুষ মেলায় আসে আর দশমীর দিনে সকলের জন্য আহারের ব্যবস্থা করতেন তখনকার জমিদার বাবু ।

কৃষ্ণ কান্ত দেবের পরবর্তী বংশধরেরা ছিলেন পিতার মতোই উদারপন্থী মানুষ। তাদের মধ্যে রাধা চরণ দেব, হারাধন দেব, সুধাংশু দেব প্রত্যেকে স্ব স্ব ক্ষেত্রে খ্যাতি অর্জন করেছিলেন ।

আজকের যে ক্ষেতলাল উপজেলা প্রশাসনিক অফিস গুলো দাঁড়িয়ে আছে খলিসাগাড়ি স্টেটের দান করা সেই ভূমির উপর।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved.©natunbazar24.com
Developed by: A TO Z IT HOST
Tuhin