
খলিলুর রহমান খলিল, নিজস্ব প্রতিনিধি:
রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার আলমপুর ইউনিয়নের শেরমস্ত ডাংগীর দোলা নামক স্থানে ড্রেজার মেশিন দিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে ফুসে উঠেছে এলাকাবাসী। অবৈধ এই বালু তোলার কারণে এলাকার প্রায় ১৫ জন কৃষকের ফসলি জমি ধ্বসে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। এই বিষয়ে প্রতিকার চেয়ে উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর গণ-স্বাক্ষর সংবলিত একটি লিখিত আবেদন দিয়েছেন ভুক্তভোগী গ্রামবাসীরা।
লিখিত অভিযোগ থেকে জানা যায়, দোয়ালী পাড়া গ্রামের মৃত শহিদুল হাজীর পুত্র মো: মেহেদী হাসান ডাংগীর দোলা নামক স্থানে তার নিজস্ব ১৫ শতক ফসলি জমি থেকে এক্সাভেটর (ভেকু) ও ড্রেজার মেশিন দিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে আসছেন। দীর্ঘদিন ধরে এই বালু ব্যবসা চালিয়ে যাওয়ার ফলে পার্শ্ববর্তী কৃষকদের ফসলি জমি ধসে গভীর গর্তের সৃষ্টি হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দা মিজানুর রহমান, আজিজুল ইসলাম, জাহাঙ্গীর আলম,মশিউর রহমানসহ আরো অনেকেই জানান, অবৈধ বালু উত্তোলনের ফলে ইতিমধ্যে দোয়ালী পাড়া গ্রামের প্রায় ১৫ জন কৃষকের ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার পথে । এর প্রতিবাদ করলে বা বাধা দিলে অভিযুক্ত বালু ব্যবসায়ী এলাকায় প্রভাবশালী ও দাপুটে হওয়ায় কাউকে তোয়াক্কা করেন না। উল্টো বালু তোলায় বাধা দেওয়ায় তিনি গ্রামবাসীদের বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন রকমের হুমকি-ধমকি প্রদান করে আসছেন। বর্তমানেও সেখানে বালু উত্তোলন চলমান রয়েছে বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়।
এমতাবস্থায়, ফসলি জমি রক্ষার্থে দোয়ালী পাড়া গ্রামের ভুক্তভোগী বাসিন্দারা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তারা অবিলম্বে ঘটনাস্থল সরজমিনে তদন্ত করে এই অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে এবং অভিযুক্তের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য তারাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট জোর দাবি জানিয়েছেন।
তারাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা,মোনাব্বর হোসেনের সরকারি নাম্বারে একাধিকবার ফোন দেওয়া হলেও তার মন্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।