রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ০৪:১৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :-
গোদাগাড়ীতে অবৈ/ধভাবে মাটি কাটার দায়ে ১ লক্ষ টাকা জ/রিমানা টুঙ্গিপাড়ায় প্রতি/পক্ষের বিরুদ্ধে জো/রপূর্বক জমি দখ/ল চেষ্টার অভিযোগ এনে সাবেক বিজিবি কর্মকর্তার সংবাদ সম্মেলন পাইকগাছায় বিএফআরআই লোনাপানি কেন্দ্রের বার্ষিক আঞ্চলিক কর্মশালা অনুষ্ঠিত দোয়ারাবাজারে আব্দুল আজিজ মাষ্টার স্মৃতি ফাউন্ডেশন প্রথম মেধাবৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় বারখাল পুনঃখনন পরিদর্শন: দখলমুক্ত হবে সব খাল – ডিসি মোঃ আরিফ- উজ-জামান গোদাগাড়ীর বোয়ালা বিল ও দমদমা খাড়ি প্রকল্প পরিদর্শনে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বাবুগঞ্জে বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ প্রফেসর মোকতার হোসাইনের স্মরণসভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত গোদাগাড়ীর বোয়ালা বিল ও দমদমা খাড়ি প্রকল্প পরিদর্শনে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক গোদাগাড়ীতে অভিনব কায়দায় লুকিয়ে রাখা হেরো/ইনসহ ২ মাদ/ক ব্যবসায়ীকে আ/টক করেছে র‍্যাব-৫ রাজশাহীতে দেওয়াল কেটে জুয়েলার্সে দু/র্ধর্ষ চু/রি: ২০০ ভরি স্বর্ণ ও ২৫ লাখ টাকা লু/ট

তানোরের মেধাবী মা/হমুদার স্বপ্ন কি থেমে যাবে ?

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ১১ জুন, ২০২৬
  • ২৪ Time View

আলিফ হোসেন,তানোরঃ
রাজশাহীর তানোরের গর্ব ও মেধাবী মুখ মাহমুদার চিকিৎসক হবার স্বপ্ন কি দারিদ্রতার কাছে হার মানবে ? না সমাজের বিত্তবানদের প্রচেষ্টায় একটি মেধাবী মুখের স্বপ্ন পুরুণ হবে তা সর্বত্রই চলছে আলোচনার ঝড়।দরিদ্র চা বিক্রেতা বাবার সীমিত আয়ের সংসারে বেড়ে ওঠা মেধাবী শিক্ষার্থী মাহমুদা খাতুনের চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্ন এখন অর্থের অভাবে অনিশ্চয়তার মুখে।
জানা গেছে, চলতি বছর মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে তিনি জামালপুর সরকারি মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পান। তিনি ভর্তিও হয়েছেন ভর্তি রোল নম্বর ১৩১০৪২৮। তিনি প্রথম বর্ষের ক্লাসে অংশ নিচ্ছেন।তবে বাঁধ সেধেছ অর্থ সংকট। প্রয়োজনীয় বইপত্র ও স্কেলেটন (কঙ্কাল) কেনার জন্য প্রায় ৬০ হাজার টাকা প্রয়োজন হলেও দরিদ্র পরিবারটি সেই অর্থ জোগাড় করতে পারেনি। ফলে অন্যের বই ধার করে পড়াশোনা চালিয়ে যাচ্ছেন মাহমুদা। মাহমুদার বাড়ি রাজশাহীর তানোর উপজেলার পাঁচন্দর ইউনিয়নের (ইউপি) কৃষ্ণপুর গ্রামে। তার বাবা মাসুদ রানা একজন চা বিক্রেতা। দৈনিক ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা আয়ে কোনোভাবে সংসার চালান তিনি। মা সায়েরা বিবি গৃহিণী। দুই মেয়ের মধ্যে মাহমুদা বড়, ছোট মেয়ে মিম খাতুন ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ছে। মাসুদ রানা বলেন, মেয়েকে অনেক কষ্ট করে এতদূর এনেছি। এখন মেডিকেলে ভর্তি হয়েছে, কিন্তু বইপত্র ও স্কেলেটনের টাকা জোগাড় করতে পারছি না। খেয়ে না খেয়ে চলতে হয় আমাদের। তিনি জানান, ভর্তি ও প্রাথমিক খরচের জন্যও ধার করতে হয়েছে। এখন প্রতি মাসে পড়াশোনা ও হোস্টেলের খরচ মিলিয়ে ১২ থেকে ১৫ হাজার টাকা প্রয়োজন, যা তাদের পক্ষে বহন করা কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে।
মাহমুদা খাতুন বলেন, ক্লাস শুরু হয়েছে, কিন্তু বই না থাকায় অন্যের বই ধার করে পড়ছি। স্কেলেটন কেনা বাধ্যতামূলক, কিন্তু সেটি কিনতে পারিনি।
স্থানীয়রা জানান, অদম্য এই মেধাবী শিক্ষার্থীকে সহযোগিতা করা জরুরি। প্রতিবেশী হেলাল উদ্দিন বলেন, সে ছোট থেকেই অনেক কষ্ট করে পড়াশোনা করেছে। এখন সবার সহযোগিতা প্রয়োজন। এবিষয়ে তানোরের কৃষ্ণপুর আদর্শ মহিলা কলেজের (সাবেক) অধ্যক্ষ আলহাজ্ব আতাউর রহমান বলেন, মেধাধী মাহমুদা এলাকার গর্ব।তিনি বলেন,অর্থাভাবে এমন মেধাবী মুখের পথচলা থেমে যেতে পারে না।তিনি সমাজের হৃদয়বান ও বিত্তবানদের এগিয়ে আশার আহবান জানিয়েছেন।
এবিষয়ে তানোর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাঈমা খান বলেন, বিষয়টি আমাদের জানা ছিল না। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পেলে জেলা প্রশাসক:স্যারের সঙ্গে আলোচনা করবো।#

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © natunbazar24.com
Developed by: A TO Z IT HOST
Tuhin