
কেএম শহীদুল সুনামগঞ্জ :
মাত্র ১২ দিনের ব্যবধান আবারও পাওয়া গেল সুনামগঞ্জ জেলা ২৫০শয্যা সদর হাসপাতালের ডাস্টবিনের পাশে একটি ঔষধের কাটুনের ভিতর অজ্ঞাত নবজাতক শিশুর লাশ? হাসপাতালের লেবার ওয়ার্ডে নবজাতক শিশুর লাশের সাথে নৃশংসতা আচরণ যেন একটি রোল মডেল হয়ে দাড়িয়েছে। মাত্র ১২ দিনের ব্যবধানে আরও একটি লাশ ডাস্টবিনের পাশে দেখতে পান চিকিৎসা নিতে আসা সাধারণ মানুষেরা। কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা এবং নিরবতা নিয়ে এবার প্রশ্ন উঠেছে। গত ২৬ ফেব্রুয়ারী সকাল ৮ঘটিকা মর্গের পাশে ডাস্টবিনের উপর পাওয়া যায় ১০/১১ মাসের একটি নবজাতক শিশুর মরদেহ। ১২ দিন যেতে না যেতেই আবারও ৭মার্চ রোজ শনিবার ৩টার দিকে আরও একটি নবজাতক শিশুর কাটুনের ভিতরে ভরা মৃতদেহ। কয়েকদিন পরপর এমন চাঞ্চল্যকর ঘটনার ঘটে সদর হাসপাতালের গাইনী ওয়ার্ডে এবং কর্তৃপক্ষ এর কোন ব্যবস্থা গ্রহনের করছেন না কেন সেটাই সাধারণ মানুষকে ভাবিয়ে তুলেছে। হাসপাতালে নবাজাতক শিশুর লাশের সাথে এমন নৃশংসতার পিছনে কারা রয়েছেন? তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন কেন নেওয়া হচ্ছে না? বার বার এমন ন্যাক্কার জনক ঘটনাকে কে-নইবা ধামাচাপা দিতে মরিয়া হয়ে উঠেন কর্তৃপক্ষ? গাইনী ওয়ার্ডের দায়িত্বরত ডাক্তার এবং নার্স মিলেই এমন ন্যাক্কার জনক ঘটনার সাথে জড়িত রয়েছেন বলে ধারণা সাধারন মানুষের মনে। এব্যাপারে সদর হাসপাতালের দায়িত্ব থাকা প্রশাসনিক এক কর্মকর্তার সাথে আলাপ করে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমরা বিষয়টি জেনেছি ১২দিন আগেও এমন ঘটনা ঘটেছে আজকের একটি শিশুর লাশ পাওয়া গেছে। আমরা ২৬ ফেব্রুয়ারী একটি নবজাতক শিশুর মরাদেহ দাফনের ব্যবস্থা করেছি। আজকেও একটি শিশুর লাশ দাফন করার জন্য ব্যবস্থা করা হয়েছে। তত্বাবধায়ক স্যারকে জানানো হয়েছে সিসি ক্যামারার ফুটেজ দেখে জড়িতদের চিন্তিত করা করা হবে।
এব্যপারে সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ রতন সেখ পিপিএম এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে জেনেছি কিন্তু হাসপাতালের কর্তৃপক্ষ আমাদের কোন কিছু জানাননি তারা আমাদের অবগত করলে কিংবা কোন লিখিত অভিযোগ পেলে আমরা আমাদের আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করবো।##