সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ০৫:০৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :-
কোটালীপাড়ায় অ/বৈধভাবে মাটি কাটার দায়ে দু’জনকে ৯০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রা/ম্যমাণ আদালত অস্ট্রেলিয়া পাঠানোর নামে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট লুট: তারাগঞ্জ ও কিশোরগঞ্জে র‍্যাবের অভি/যানে গ্রে/ফতার ২ তারাগঞ্জে ‘চিরস্থায়ী’ শাহীনুর: ব/দলির আইন অচল যেখানে বিদ্যমান আইনের উপর থেকে কি আস্থা হারাচ্ছে জনসাধারন ? শিবগঞ্জ এসিল্যান্ডের বিরুদ্ধে অ/পপ্রচার পাইকগাছায় প্রায় দুই যুগেও সংস্কার হয়নি সড়ক, দু/র্ভোগে হাজারো মানুষ পাইকগাছার কাঠামারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অভিভাবক নির্বাচন সম্পন্ন তানোরের কাশিমবাজার-বায়া রাস্তা সংস্কার মান নিয়ে সন্তুষ্ট স্থানীয়রা আশুলিয়ায় তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধ/র্ষণের অভিযোগে ৩ যুবক গ্রেফ/তার, একজন প/লাতক টুঙ্গিপাড়ায় এক প্রধান শিক্ষকের ঝুলন্ত ম/রদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ

যৌ-তুকের মামলায় ডিসির দে/হরক্ষী কারাগারে

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২৬
  • ৮৭ Time View

মোঃ বাবুল হোসেন পঞ্চগড় :
যৌতুকের মামলায় দিনাজপুর জেলা প্রশাসকের দেহরক্ষী সিরাজুল ইসলামকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। সোমবার সন্ধ্যায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী হাবীবুল ইসলাম হাবীব।এর আগে, মামলার শুনানী শেষে গত বুধবার তাকে কারাগারে পাঠান পঞ্চগড় আমলী আদালত-২ এর বিচারক মো. মোস্তাকিম ইসলাম।

এজহার সূত্রে জানা গেছে, পঞ্চগড় পৌরসভার তেলিপাড়া এলাকার মোবারক হোসেনের মেয়ে মাহাবুবা সুলতানা মায়ার সঙ্গে ঠাকুরগাঁও জেলার সদর উপজেলার রুহিয়া কনি কশালগাও এলাকার ইন্তাজুল ইসলামের ছেলে পুলিশ সদস্য সিরাজুল ইসলামের (৩০) বিয়ে হয় ২০২৪ সালের ১৮ জুন। বিয়ের পর থেকে সিরাজুল পরিবারের সদস্যদের পরামর্শে যৌতুকের জন্য স্ত্রী মায়াকে অমানবিক নির্যাতন শুরু করে।

পরে এ নিয়ে একাধিকবার সালিস হয়। এতে সুরাহা না হওয়াতে পঞ্চগড় আমলী আদালত-১ এ একটি যৌতুক মামলা এবং পারিবারিক আদালতে দেনমোহরানা ও খরপোষের মামলা দায়ের করেন বাদী মাহবুবা সুলতানা মায়া। পরে সিরাজুল আপোষ মিমাংসা করবেন প্রতিশ্রুতি দিয়ে মামলা প্রত্যাহার করিয়ে নেন চলতি বছরের ৬ জানুয়ারি। পরে ইজিবাইকে উঠে পঞ্চগড় জেলা শহরের মিলগেট বাজার এলাকায় দোকানে বসে তার কাছ থেকে সিরাজুল একটি ফাঁকা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেন।

এসময় তিনি জানান, তার দপ্তরে আপোষের কাগজ জমা দিতে হবে। পরে আসামি সিরাজুল স্ত্রীকে তার বাবার কাছ থেকে ৬ লাখ টাকা যৌতুক দিতে বলেন। নাহলে স্বাক্ষর নেওয়া কাগজ এফিডেভিড করে সেচ্ছায় তালাক দিয়েছে মর্মে প্রচার করা হবে। পরে মিলগেট বাজারে বাদীকে রেখে চলে যায় আসামি। এ সময় বাদীকে আসামি সিরাজুল বলেন, যৌতুকের টাকা না দিলে তিনি অন্যত্র বিয়ে করবেন।

পরে এ নিয়ে চাপাচাপি করলে বাদীর স্বাক্ষর জাল করে একটি স্টাম্প ফেরত দেন। চলতি বছরের ১১ জানুয়ারি আবারো একটি যৌতুক মামলা দায়ের করেন মায়া। এই মামলায় পরবর্তীতে কারাগারে যান আসামি সিরাজুল ইসলাম। পরে অর্ন্তবর্তী জামিনে মুক্তি পান তিনি। গত ১৩ মে বুধবার মামলায় আসামি সিরাজুলের হাজিরের দিন ছিল। সেদিন তিনি আদালতে জামিন আবেদন করলে বাদী বাতিলের আবেদন করে। পরে আদালত বিগত মামলার নথি পর্যালোচনা ও আইনজীবীদের শুনানী শেষে আসামি সিরাজুল ইসলামকে কারাগারে প্রেরণ করেন।

মামলার বাদীর বাবা মোবারক হোসেন বলেন, ‘সিরাজুল ও তার বাবা যৌতুক লোভী। তারা আমার মেয়েকে নির্যাতন করত। এ নিয়ে আমরা দুটি মামলা করলে তারা নানা তালবাহানা করে চক্রান্ত করে প্রত্যাহার করে নেয়। আমরা আবারো মামলা করেছি। আদালতের কাছে ন্যায্য বিচার চাই। যাতে কোনো বাবার মেয়েকে আর নির্যাতিত হতে না হয়।’

মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী হাবিবুল ইসলাম হাবীব বলেন, ‘আসামি বাদীকে দেনমোহর ও খরপোষ বাবদ ২৪ লাখ ১০১ টাকা দিবেন মর্মে পূর্বের মামলা প্রত্যাহার করিয়ে নেন। পরে চার লাখ টাকা দেনমোহরের কাগজ আদালতে দাখিল করেন। তবে আদালত মামলার কাগজ ও নথি দেখে অবগত হন বাদীকে সহায়তা করার কথা বলে সুকৌশলে মামলা প্রত্যাহার করে নেন আসামি। পরে আদালত বিষয়টি বুঝতে পেরে আসামির জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে প্রেরণ করেন।’

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © natunbazar24.com
Developed by: A TO Z IT HOST
Tuhin