শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ১২:০৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :-
পানিতে ডু্বে ৫ শিশুর মৃ/ত্যুর হয়েছে- সকলের বয়স ৮- ১১ বছর চেক জালিয়াতির মা-মলা, ববির প্রশাসনিক কর্মকর্তা গ্রে-প্তার পদার্থবিজ্ঞানে পড়াশোনা করে প্রেসক্রিপশন, অ্যান্টিবায়োটিক দিয়ে অন্তঃসত্ত্বার সন্তান মা-রা যাওয়ার অভিযোগ মধুপুরে ইউপি চেয়ারম্যান-মেম্বার অ্যাসোসিয়েশনের নবনির্বাচিত কমিটির পরিচিতি সভা উজিরপুরে ভিটেমাটি ও পারিবারিক কবরস্থান উচ্ছেদের হুম-কি প্রকৌশলীর সুনামগঞ্জ পৌর শহরের আপ্তাব নগরে ওসির নেতৃত্বে মাদক বিরোধী গণমিছিল অনুষ্ঠিত ঠাকুরগাঁও ডিবির জালে সংঘবদ্ধ ডলার প্রতারক চক্র ও ভুয়া ডিবি সদস্য গ্রে-ফতার ময়মনসিংহে পুলিশ সুপারের কার্যালয় পরিদর্শন করলেন রেঞ্জ ডিআইজির সাহিত্যের আলোয় নতুন পথচলা, দক্ষিণবঙ্গ সাহিত্য পরিষদের গৌরনদী উপজেলা শাখার পূর্ণাঙ্গ কমিটি প্রকাশ তেলীগ্রাম বাজারে সংঘ-টিত ঘটনার ব্যাখ্যা দিলেন স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক নেতা বুলবুল

গোদাগাড়ীতে আলুর বাম্পার ফলন হলেও দাম কম হওয়ায় হ-তাশ কৃষকগণ

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ৭ মার্চ, ২০২৬
  • ১৫৫ Time View

রাজশাহী থেকে মোঃ হায়দার আলী : রাজশাহীর গোদাগাড়ীসহ বরেন্দ্র অঞ্চলে চলতি মৌসুমে আলুর বাম্পার ফলন হলেও কৃষক দাম না পেয়ে দারুন হতাশ। কৃষকের উৎপাদন খরচ বাড়লেও বাজারে ন্যায্য দাম না পেয়ে লোকসান গুনতে হচ্ছে।

কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, চলতি মৌসুমে রাজশাহী জেলায় মোট ৩৪ হাজার ১০৯ হেক্টর জমিতে আলু আবাদ হয়েছে। গত বছর এ আবাদ ছিল প্রায় ৪০ হাজার হেক্টর।

উপজেলা ভিত্তিক হিসাবে গোদাগাড়ীতে ২ হাজার ৯২ হেক্টর, তানোরে ১২ হাজার ২৫৫ হেক্টর, বাগমারায় ৬ হাজার ৪৮৫ হেক্টর, মোহনপুরে ৪ হাজার ৪৯৫ হেক্টর, পবায় ৩ হাজার ৪১০ হেক্টর, বাঘায় ২ হাজার ৮৫৭ হেক্টর, দুর্গাপুরে ১ হাজার ৫২০ হেক্টর, পুঠিয়ায় ৭৭০ হেক্টর, চারঘাটে ১৮০ হেক্টর, বোয়ালিয়ায় ৩৫ হেক্টর এবং মতিহারে ১০ হেক্টর জমিতে আলু চাষ হয়েছে।

গোদাগাড়ী উপজেলার সাগুয়ান গ্রামের কৃষক শরিফুল ইসলাম বলেন, ‘গত বছর আলু চাষে ভয়াবহ লোকসান হয়েছে। এবার আলুর নায্যমূল্য নেই। বাজরে ১২/১৫ টাকা কেজি খুচরা বিক্রি হচ্ছে। জমিতে পাইকারী ক্রেতা পাওয়া যাচ্ছে না। আলু চাষে ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে।
একই মন্তব্য করেন গোদাগাড়ী পৌরসভার কৃষক শামসুল হক।

গোদাগাড়ীতে উৎপাদিত আলুর কদর ছিল দেশের বিভিন্ন প্রান্তের পাইকারি বাজারে। এখানকার চাষিরা মূলত ডায়মন্ড, এস্টারিক্স (লাল আলু) এবং কার্ডিনাল জাতের আলু বেশি আবাদ করেছে । তবে অধিক ফলনের আশায় অনেকে বার্মা, গ্রানোলা ও কুপরিসুন্দরী জাতের আলুরও চাষ করেছেন। বাজারে আলুর দাম না থাকায় কৃষকের ক্ষতি হচ্ছে।

স্থানীয় কৃষকরা জানান, প্রতি বিঘা জমিতে আলু রোপণ করতেই খরচ হচ্ছে প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ হাজার টাকা। সার (এমওপি, ডিএপি, টিএসপি), কীটনাশক ও শ্রমিকের মজুরি বৃদ্ধি পাওয়ায় উৎপাদন খরচ গত বছরের তুলনায় অনেক বেড়ে গেছে। অনেক চাষি অভিযোগ করেন, পর্যাপ্ত সার না পেয়ে বাধ্য হয়ে চড়া দামে সার কিনতে হচ্ছে তাদের।
কৃষকদের মতে, এবার প্রতি বিঘায় ৯০ থেকে ১০০ মণ পর্যন্ত ফলন হচ্ছে । তবে শেষ মুহূর্তে আলুর দাম কমে যাওয়ায় কৃষকের ব্যাপক লোকসানের মুখে পড়েছেন।

উপজেলা কৃষি কঅমকর্তা মরিয়ম আহমেদ বলেন, গোদাগাড়ীর অর্থনীতি মূলত কৃষিনির্ভর। বর্তমানে আলুর দাম কম। তবে বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কৃষকরা উৎপাদিত আলুর সঠিক বাজারমূল্য পেত তা হলে , এবারের আলু চাষ বরেন্দ্র জনপদের অর্থনীতির চাকা ঘুরিয়ে দিতে বড় ভূমিকা রাখবে পারতো।

মোঃ হায়দার আলী
রাজশাহী।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved.©natunbazar24.com
Developed by: A TO Z IT HOST
Tuhin