
পিরোজপুর জেলার সদর থানার চাঞ্চল্যকর ডাকাতি মামলার ডাকাত দলের অন্যতম সদস্য রায়হান ওরফে আতিকুর রহমান র্যাব-৮ কর্তৃক গ্রেফতার করা হয়েছে।
১। র্যাব প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই খুন, ধর্ষন, ডাকাতি, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজি, মজুতদারি, মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িতদের গ্রেফতারে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। গোয়েন্দা নজরদারী ও আভিযানিক কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় এ ধরনের অপরাধ নিয়ন্ত্রণে র্যাব ইতিমধ্যেই বিশেষ সফলতা অর্জনে সক্ষম হয়েছে।
২। তারই ধারাবাহিকতায়, র্যাব-৮, সিপিএসসি, বরিশাল এবং র্যাব-৫, সদর কোম্পানী, রাজশাহী কর্তৃক যৌথ অভিযানে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ১৮ আগষ্ট ২০২৬ তারিখ রাতে রাজশাহী মহানগরীর মতিহার থানার মেহেরচন্ডী এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে পিরোজপুর জেলার সদর থানার চাঞ্চল্যকর ডাকাতি মামলার দীর্ঘদিনের পলাতক অভিযুক্ত ডাকাত দলের অন্যতম সদস্য রায়হান ওরফে আতিকুর রহমান, পিতা- আমির হোসেন, সাং-খুলনা সিটি কর্পোরেশন, থানা- খুলনা সদর, জেলা- খুলনা’কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
৩। মামলার এজাহারের বিবরণে জানা যায়, গত ২৩ নভেম্ববর ২০২৫ তারিখ রাত অনুমান ০১:৩০ ঘটিকায় পিরোজপুর সদর থানাধীন পশ্চিম দুর্গাপুর গ্রামে গ্রেফতারকৃত অভিযুক্ত রায়হান ওরফে আতিকুর রহমান সহ ৬/৭ জনের একটি ডাকাত দল ভিকটিম অনুকূল চন্দ্র রায়ের ঘরে প্রবেশ করে দেশীয় অস্ত্রের ভয় ভীতি প্রদর্শন করে পরিবারের সদস্যদের জিম্মি করে সর্বমোট ৫,২৬,০০০/- (পাঁচ লক্ষ ছাব্বিশ হাজার) টাকা লুট করে নিয়ে যায়। অতঃপর ভিকটিম অনুকূল চন্দ্র রায় পিরোজপুর জেলার সদর থানায় একটি ডাকাতি মামলা দায়ের করেন।
৪। উক্ত মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সংশ্লিষ্ট অভিযুক্তকে গ্রেফতারের জন্য অধিনায়ক, র্যাব-৮, বরিশাল বরাবর একটি অধিযাচনপত্র প্রেরণ করেন। সেপ্রেক্ষিতে, র্যাব-৮, বরিশাল সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সাথে, , গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এবং তথ্য প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। গ্রেফতারকৃত অভিযুক্তকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য রাজশাহী মহানগরীর মতিহার থানা হস্তান্তর করা হয়।