
নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহীঃ রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার গোদাগাড়ী মহিলা ডিগ্রি কলেজের শিক্ষক-কর্মচারীদের সংবর্ধনা ও বিদায় অনুষ্ঠিত হয়েছে।
২৮ জুলাই মঙ্গলবার দুপুরে কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোঃ শফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলনে রাজশাহী ১ আসনের সংসদ অধ্যাপক মোঃ মুজিবুর রহমান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী জেলা আমীর অধ্যাপক আব্দুল খালেক, রাজশাহী জেলা শিক্ষক ফেডারেশনের সভাপতি ড. মোঃ ওবায়দুল্লাহ, গোদাগাড়ী উপজেলা আমীর মাস্টার নোমান আলী, জামায়তের পৌর আমির আনারুল ইসলাম, উপজেল বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক, উপাধ্যক্ষ আব্দুল মালেকসহ কলেজের শিক্ষক-কর্মচারীগণ উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক মোঃ মুজিবুর রহমান বলেন, কলেজের কয়তলা ভবণ হলো, কত বিঘা জমি আছে এটা বড় জিনিষ নয়। যে সব শিক্ষার্থীরা কলেজ থেকে বের হলো, ডিগ্রি অর্জন করলো তার কতটুকু সত্যিকারের মানুষ হলো, ভাল চরিত্র নিয়ে বের হতে পারলো এটাই বড় সম্পদ। কেন না মানুষের টাকা হারালে বেশী কিছু হারায় না, স্বাস্থ্য হারালে কিছু হারায় চরিত্র হারিয়ে গেলে হারার কিছু থেকে না। যারা কলেজর জন্য অবদান রেখেছেন, তাদের ত্যাগ এবং কুরবানী অনেক বেশী কাজে আসবে। এ সমাজ টা যেন ভাল হয়, তারা ভালভাবে বাস করতে পারে, এটাই বড় পাওয়া। শিক্ষাথীরা ভাল কাজের সাথে থাকবে, চাঁন্দাবাজি করবে না, দুর্ণীতি, টেন্ডারবাজি থেকে দূরে থাকবে। পিতা – মাতারপরেই শিক্ষকদের মর্যাদা, কিন্তু শিক্ষকদের মর্যদা আজ নেই তাদেরকে বেতন ভাতা বৃদ্ধি, এমপিওভুক্তিসহ দাবী আদয়ের জন্য আন্দোলন করতে হয়, জাতীয় প্রেসক্লাব চত্তরে অবস্থান করতে হয়, মশার কামড় খেতে হয়। আমি সংসদে এ সব বিষয়ে কথা বলেছি। তিনি আরও বলেন, এলাকায় কতটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আছে, কোন গুলোর ভবণ নেই, কোন গুলোর সংস্কারের প্রয়োজন, কোন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বিগত সময়ে বঞ্চিত হয়েছে সেগুলি অনুধাবণ করেই আমি তালিকা তৈরী করে মন্ত্রণালয়ে জমা দিয়েছি। আমাকে কেউ বলেন নি, আমরা নিজেদের প্রয়োজনে এটা করেছি। সময়মত অগ্রাধিকার ভিক্তিতে কাজগুলি হবে ইনসাল্লাহ।
মোঃ হায়দার আলী
নিজস্ব প্রতিবেদক,
রাজশাহী