বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:২৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :-
ঝিনাইদহে ঈদে মিলাদুন্নবীর জশনে জুলুসে মানুষের ঢল ঝিনাইদহের শৈলকুপায় ঘাস কাটার মেশিনে বি/দ্যুৎস্পৃষ্টে স্বামী-স্ত্রীর ম/র্মান্তিক মৃ/ত্যু গোদাগাড়ীতে প্রতিবন্ধী হয়েও রায়হানুল এবার এসএসি পাস করে প্র/শাংসায় ভাসছেন ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গড়তে মহানবীর আদর্শ অনুসরণ করতে হবে- ময়মনসিংহে ডিসি সাইফুর রহমান শাজাহানপুরে ৪৫ পিস ই/য়াবাসহ জামায়াতকর্মী পল্লী চিকিৎসক গ্রে/প্তার উজিরপুরে সাংবাদিককে প্রকৌশলী সুব্রত’র হুমকি ‘লা/শ পড়বে, চেয়ার ছাড়ব না’ ঘাগড়া বাড়েরা উচ্চ বিদ্যালয়ে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল শার্শার বসতপুরে ৯০ পিস ইয়া/বাসহ দুই কার/বারি গ্রেপ্তার পুলিশের বিশেষ অভিযানে তারাগঞ্জে তালিকাভুক্ত মা/দক কারবারি মোতাহার গ্রে/ফতার শাজাহানপুরে মা/দক সেবনের দায়ে ২০ দিনের কারাদণ্ড

নানা বিতর্ক ও অভি/যোগের মুখে উজিরপুর স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ এস এম মাইদুল ইসলামের ব/দলি

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬
  • ১১৪ Time View

কে এম সোয়েব জুয়েল।।
বিশেষ প্রতিনিধি:
নানা বিতর্ক, সমালোচনা ও অনিয়মের অভিযোগের মধ্যে অবশেষে বদলি হলেন বরিশালের উজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ভারপ্রাপ্ত উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ইউএইচএন্ডএফপিও) ডাঃ এস এম মাইদুল ইসলাম। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে তাকে শরীয়তপুর জেলার ভেদরগঞ্জ উপজেলার তারাবুনিয়া ২০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে ভারপ্রাপ্ত আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা (আরএমও) হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।

২৫ জুন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডাঃ জালাল উদ্দিন মোহাম্মদ রুমী স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে এ আদেশ জারি করা হয়। একই প্রজ্ঞাপনে শরীয়তপুরের তারাবুনিয়া ২০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের নিয়মিত আরএমও ডাঃ সুমন কুমার পোদ্দারকে উজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নতুন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।

ডাঃ এস এম মাইদুল ইসলামের দায়িত্বকালজুড়ে উপজেলার স্বাস্থ্য খাত নানা কারণে প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে ওঠে। স্থানীয়দের অভিযোগ, তাঁর সময়েই উপজেলার বিভিন্ন অবৈধ ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার প্রয়োজনীয় লাইসেন্স ও অনুমোদন ছাড়াই দাপটের সঙ্গে কার্যক্রম পরিচালনা করে। এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ উঠলেও কার্যকর অভিযান বা দৃশ্যমান ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। বরং মাসোহারার বিনিময়ে কিছু প্রতিষ্ঠানকে পরিচালনার সুযোগ দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

সবচেয়ে বেশি আলোচিত হয় পশ্চিম সাতলা এলাকার ‘মায়ের দোয়া ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার’কে ঘিরে। প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে অপচিকিৎসা, অনিয়ম ও রোগীদের জীবন নিয়ে ছিনিমিনির অভিযোগ বিভিন্ন সময়ে সামনে আসে। বিষয়টি নিয়ে দেশের বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক ও টেলিভিশনে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রচারিত হয়, যা উজিরপুরের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে ব্যাপক প্রশ্নের জন্ম দেয়।

এছাড়া তাঁর দায়িত্ব পালনকালে স্বাস্থ্যসেবা, প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা এবং বিভিন্ন অনিয়ম নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে অসন্তোষ বাড়তে থাকে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং বিভিন্ন মহলে তাঁকে নিয়ে সমালোচনার ঝড় বইতে দেখা যায়।

তবে উত্থাপিত এসব অভিযোগের বিষয়ে ডাঃ এস এম মাইদুল ইসলাম সম্পুর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট বলে ঘোষণা দেন।

এদিকে, তাঁর বদলির খবরে উজিরপুরবাসী সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাদের প্রত্যাশা, নতুন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ সুমন কুমার পোদ্দারের নেতৃত্বে উজিরপুরের স্বাস্থ্য খাতে শৃঙ্খলা ফিরে আসবে এবং অবৈধ ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।নানা বিতর্ক ও অভিযোগের মুখে উজিরপুর স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ এস এম মাইদুল ইসলামের বদলি

কে এম সোহেব জুয়েল ঃ
নানা বিতর্ক, সমালোচনা ও অনিয়মের অভিযোগের মধ্যে অবশেষে বদলি হলেন বরিশালের উজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ভারপ্রাপ্ত উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ইউএইচএন্ডএফপিও) ডাঃ এস এম মাইদুল ইসলাম। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে তাকে শরীয়তপুর জেলার ভেদরগঞ্জ উপজেলার তারাবুনিয়া ২০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে ভারপ্রাপ্ত আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা (আরএমও) হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।

২৫ জুন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডাঃ জালাল উদ্দিন মোহাম্মদ রুমী স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে এ আদেশ জারি করা হয়। একই প্রজ্ঞাপনে শরীয়তপুরের তারাবুনিয়া ২০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের নিয়মিত আরএমও ডাঃ সুমন কুমার পোদ্দারকে উজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নতুন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।

ডাঃ এস এম মাইদুল ইসলামের দায়িত্বকালজুড়ে উপজেলার স্বাস্থ্য খাত নানা কারণে প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে ওঠে। স্থানীয়দের অভিযোগ, তাঁর সময়েই উপজেলার বিভিন্ন অবৈধ ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার প্রয়োজনীয় লাইসেন্স ও অনুমোদন ছাড়াই দাপটের সঙ্গে কার্যক্রম পরিচালনা করে। এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ উঠলেও কার্যকর অভিযান বা দৃশ্যমান ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। বরং মাসোহারার বিনিময়ে কিছু প্রতিষ্ঠানকে পরিচালনার সুযোগ দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

সবচেয়ে বেশি আলোচিত হয় পশ্চিম সাতলা এলাকার ‘মায়ের দোয়া ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার’কে ঘিরে। প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে অপচিকিৎসা, অনিয়ম ও রোগীদের জীবন নিয়ে ছিনিমিনির অভিযোগ বিভিন্ন সময়ে সামনে আসে। বিষয়টি নিয়ে দেশের বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক ও টেলিভিশনে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রচারিত হয়, যা উজিরপুরের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে ব্যাপক প্রশ্নের জন্ম দেয়।

এছাড়া তাঁর দায়িত্ব পালনকালে স্বাস্থ্যসেবা, প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা এবং বিভিন্ন অনিয়ম নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে অসন্তোষ বাড়তে থাকে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং বিভিন্ন মহলে তাঁকে নিয়ে সমালোচনার ঝড় বইতে দেখা যায়।

তবে উত্থাপিত এসব অভিযোগের বিষয়ে ডাঃ এস এম মাইদুল ইসলাম সম্পুর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট বলে ঘোষণা দেন।

এদিকে, তাঁর বদলির খবরে উজিরপুরবাসী সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাদের প্রত্যাশা, নতুন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ সুমন কুমার পোদ্দারের নেতৃত্বে উজিরপুরের স্বাস্থ্য খাতে শৃঙ্খলা ফিরে আসবে এবং অবৈধ ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved.©natunbazar24.com
Developed by: A TO Z IT HOST
Tuhin