বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:৪৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :-
ঝিনাইদহে ঈদে মিলাদুন্নবীর জশনে জুলুসে মানুষের ঢল ঝিনাইদহের শৈলকুপায় ঘাস কাটার মেশিনে বি/দ্যুৎস্পৃষ্টে স্বামী-স্ত্রীর ম/র্মান্তিক মৃ/ত্যু গোদাগাড়ীতে প্রতিবন্ধী হয়েও রায়হানুল এবার এসএসি পাস করে প্র/শাংসায় ভাসছেন ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গড়তে মহানবীর আদর্শ অনুসরণ করতে হবে- ময়মনসিংহে ডিসি সাইফুর রহমান শাজাহানপুরে ৪৫ পিস ই/য়াবাসহ জামায়াতকর্মী পল্লী চিকিৎসক গ্রে/প্তার উজিরপুরে সাংবাদিককে প্রকৌশলী সুব্রত’র হুমকি ‘লা/শ পড়বে, চেয়ার ছাড়ব না’ ঘাগড়া বাড়েরা উচ্চ বিদ্যালয়ে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল শার্শার বসতপুরে ৯০ পিস ইয়া/বাসহ দুই কার/বারি গ্রেপ্তার পুলিশের বিশেষ অভিযানে তারাগঞ্জে তালিকাভুক্ত মা/দক কারবারি মোতাহার গ্রে/ফতার শাজাহানপুরে মা/দক সেবনের দায়ে ২০ দিনের কারাদণ্ড

বেও/য়ারিশ ‎কুকুরের উ/পদ্রব—পাইকগাছা হাসপাতালে ২৩ দিনে জ/লাতঙ্ক সেবা নিলেন ১২৮ জন

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬
  • ৭২ Time View

‎ইমদাদুল হক,পাইকগাছা (খুলনা)।।
পাইকগাছায় জলাতঙ্ক প্রতিরোধী টিকার চাহিদা হঠাৎ বেড়ে যাওয়ার পেছনে শুধু বেওয়ারিশ
‎কুকুরের আক্রমণই নয়, পোষা প্রাণীর মালিকদের অসচেতনতাও বড় কারণ হয়ে উঠছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের তথ্য বলছে, চলতি জুন মাসের ১ থেকে ২৩ তারিখ পর্যন্ত মাত্র ২৩ দিনে জলাতঙ্ক প্রতিরোধী চিকিৎসা ও টিকা নিয়েছেন ১২৮ জন। অর্থাৎ প্রতিদিন গড়ে ৫ থেকে ৬ জন মানুষ কুকুর বা অন্যান্য প্রাণীর কামড় ও আঁচড়ের শিকার হয়ে হাসপাতালের দ্বারস্থ হচ্ছেন।
‎স্বাস্থ্য বিভাগের পরিসংখ্যান বলছে, কিছু দিনে আক্রান্তের সংখ্যা এতটাই বেড়েছে যে একদিনেই ১৮ জন পর্যন্ত রোগীকে জলাতঙ্ক প্রতিরোধী সেবা দিতে হয়েছে।
‎স্থানীয়দের অভিযোগ, উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, গ্রামীণ সড়ক ও জনবহুল এলাকায় বেওয়ারিশ
‎কুকুরের সংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। একই সঙ্গে অনেক পরিবারে পোষা কুকুর বা বিড়াল পালন করা হলেও নিয়মিত টিকা দেওয়ার বিষয়ে উদাসীনতা রয়েছে। ফলে কামড় বা আঁচড়ের ঘটনা ঘটলে আক্রান্ত ব্যক্তি জলাতঙ্কের ঝুঁকিতে পড়ছেন।
‎সচেতন মহলের মতে, হাসপাতালের টিকাকেন্দ্রে রোগীর সংখ্যা বাড়া শুধু একটি স্বাস্থ্যগত পরিসংখ্যান নয়; এটি জননিরাপত্তা ও প্রাণী ব্যবস্থাপনার দুর্বলতারও একটি সতর্কবার্তা। বছরের পর বছর ধরে পথপ্রাণী নিয়ন্ত্রণ, বন্ধ্যাকরণ কর্মসূচি এবং পোষা প্রাণীর বাধ্যতামূলক টিকাদানের বিষয়ে কার্যকর উদ্যোগের অভাব পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।
‎বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জলাতঙ্ক এমন একটি রোগ, যার লক্ষণ প্রকাশের পর বেঁচে থাকার সম্ভাবনা প্রায় নেই। অথচ সময়মতো টিকা নিলে এটি সম্পূর্ণ প্রতিরোধ করা সম্ভব। তাই শুধু আক্রান্ত হওয়ার পর হাসপাতালে ছুটে যাওয়া নয়, পোষা প্রাণীকে নিয়মিত টিকা দেওয়া, খোলা অবস্থায় ছেড়ে না রাখা এবং পথপ্রাণী নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ এখন সময়ের দাবি।
‎২৩ দিনে ১২৮ জনের হাসপাতালে ছুটে আসা একটি প্রশ্নই সামনে আনছে—পাইকগাছায় কি জলাতঙ্কের ঝুঁকি বাড়ছে, নাকি পোষা ও পথপ্রাণী ব্যবস্থাপনায় দীর্ঘদিনের অবহেলার ফল এখন প্রকাশ পাচ্ছে? জনস্বার্থে এই প্রশ্নের জবাব খুঁজে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি উঠেছে বিভিন্ন মহল থেকে।
‎এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আহসানারা বিনতে আহমেদ বলেন, “জলাতঙ্ক শতভাগ প্রাণঘাতী হলেও সময়মতো চিকিৎসা ও টিকা গ্রহণ করলে এটি শতভাগ প্রতিরোধযোগ্য। মানুষ এখন আগের তুলনায় অনেক বেশি সচেতন হয়ে দ্রুত হাসপাতালে আসছেন। তবে পোষা প্রাণীর মালিকদেরও দায়িত্বশীল হতে হবে এবং নিয়মিত টিকাদান নিশ্চিত করতে হবে।”

‎প্রেরকঃ
‎ইমদাদুল হক,
‎পাইকগাছা,খুলনা।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved.©natunbazar24.com
Developed by: A TO Z IT HOST
Tuhin