
শহিদুল ইসলাম,
মহেশপুর (ঝিনাইদহ) সংবাদদাতাঃ-
সরকারি ভাবে দেশ ব্যাপি ১৪ই এপ্রিল ২০২৬ ইং রোজ মঙ্গলবার পহেলা বৈশাখ ১৪৩৩ সন বাংলা নববর্ষ উদযাপন হলেও হিন্দু ধর্মালম্ভি সোনাতন ধর্মের অনুসারিরা ভারতীয় পজ্ঞিকা মোতাবেক আগামী বুধবার হবে তাদের পহেলা বৈশাখ। সেই অনুযায়ী তাহাদের ভারতীয় পঞ্জিকা ও ধর্মীয় মতে আগামী ২রা বৈশাখ রোজ বৃহেস্প্রতিবার বিকালে প্রতিবারের ন্যায় এবারও হতে যাচ্ছে ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়ন পরিষদের সামনে বকুলতলা বাজারে সেই ঐতিহ্যেবাহী পিঠে বর্ষি ফুটিয়ে মাজার সাথে নতুন গামছা বেঁধে প্রায় ২৫/৩০ ফুট উচু চড়ক গাছে দঁড়ি ও বাঁশ কলের মাধ্যমে উঠিয়ে ঘুর পাক খাওয়ানোর সেই বান ফোড়ের চড়ক পুুজা পালন করা হবে, মেলার আকর্ষণে রয়েছে ৯ জন সন্যাশি।
তথ্যানুসারে জানা যায় ততকালিক হিন্দু সম্প্রদয় জমিদার বংশের ঐতিহ্য ধরে রাখতে মেলাটি ঘিরে চলে ব্যাপক উৎসহ ও আনন্দ উল্লাস, প্রায় ২শত বছর যাবত মেলাটি পালন করে আসছে ফতেপুর এলাকায় হিন্দু সম্প্রদয় ধর্মলম্ভিরা। মেলাটি ১লা বৈশাখ থেকে শুরু হয়ে প্রায় ৪র্থ বৈশাখ পর্যন্ত চলমান থাকে। এর মধ্যে তাদের মতে ২রা বৈশাখ পিঠে বর্ষি ফুটিয়ে দড়ি ও বাঁশ কলের মাধ্যমে উচু চড়ক গাছে উঠিয়ে ঘুর পাক খাওয়ার দিনটাকে উপভোগ করতে আসা দেশের বিভিন্ন অঞ্চল সহ দেশ বিদেশ থেকে হাজার হাজার উৎসুক মানুষ জড়ো হয়। এখানে মিষ্টি সামগ্রিরী ও বিভিন্ন আইটেমের দোকান পাট সহ একাধিক খেলনার দোকান পাট বসে।
এবিষয়ে বাণ ফোঁড় মেলা কমিটির সভাপতি শ্রী সাধন ঘোষ ও সাধারণ সম্পাদক শ্রী সুবল কর্মকার এর নিকট জানতে চাইলে তারা জানান যারা পিঠে বর্ষি ফুটানোর জন্য সন্যাশি হয় তারা সাত দিন আগ থেকে সারাদিন উপোষ থাকে, এবং সন্ধা ও গভীর রাতে ব্রাক্ষ্মণ এর মাধ্যমে পহরে পহরে পুজা করা সহ সিদুর তেল ও জ্বল দিয়ে পিঠ মালিশ করা লাগে,।
এছাড়া প্রশাসনের অনুমতি নিয়ে আমরা ভারতীয় পঞ্জিকা অনুযায়ী আগামী ২রা বৈশাখ রোজ বৃহস্পতিবার বিকালে ৯জন সন্যাশিকে আমাদের ধর্মানুসারী হিসেবে চড়ক পুজা বাস্তবায়নে চড়ক পুজা বাস্তবায়ন করতে পিঠে বর্ষি ফুটিয়ে উচু চড়ক গাছে উঠিয়ে ঘুর পাক খাওয়ানো হবে। এতে মেলা কমিটি, পুলিশ প্রশাসন, স্থানীয় নেতৃবৃন্দ সহ বিভিন্ন গণমাধ্যম ও বিভিন্ন পর্যায়ের লোকজন উপস্থিত থাকবেন।
শহিদুল ইসলাম
মহেশপুর ঝিনাইদহ।।