
কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:
দৈনিক মানবকন্ঠ পত্রিকা ও চ্যানেল এস টেলিভিশনের কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি এবং সাবেক দেশ টিভি এবং চ্যানেল নাইন টিভির কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি এম এস সাগর (মোঃ মাইনুল ইসলাম সাগর) এর নামে গত নভেম্বর ২০১৯সাল থেকে অদ্যবধি পর্যন্ত ফেসবুক পোটালসহ বিভিন্ন অনলাইন নিউজ পোর্টালে তার বি’রুদ্ধে ভুয়া সাংবাদিক, সাজানো চাঁদাবাজ, সু-নাম ক্ষুন্ন, ভিত্তিহীন সংবাদ প্রচার করে চলছে ভুরুঙ্গামারীর বাঁশজানী ঝাকুয়াটারী গ্রামের কথিত ভূয়া সাংবাদিক শামীম হোসেন ও তার কয়েকজন সঙ্গবদ্ধচক্র। সাংবাদিক সাগর গত (১৯মার্চ) নাগেশ্বরী থানায় (ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে) একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। সাধারণ ডায়রিতে সংযুক্ত রয়েছে শামীম হোসেনের ফেসবুকে দেয়া স্ক্রীনশট ৮পাতা, শামীম হোসেনের বিরুদ্ধে সংবাদের ফটোকপি ২পাতা ও এম এস সাগরের বিরুদ্ধে মামলা রায়ের ফটোকপি ৪পাতা, এম এস সাগরের বিরুদ্ধে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদের ফটোকপি ৫পাতা এবং বাঁশজানি সীমান্তে অপরাধের ভিডিও চিত্র ১টি সুনির্দিষ্ট প্রমাণ।
নাগেশ্বরী থানায় (ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে) সাধারণ ডায়েরি সূত্রে জানা গেছে, দৈনিক মানবকন্ঠ ও চ্যানেল এস টেলিভিশনের কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি এবং সাবেক দেশ টিভি, চ্যানেল নাইন টিভির কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি এম এস সাগর (মোঃ মাইনুল ইসলাম সাগর) ২০০৩খ্রিঃ থেকে সাংবাদিকতা পেশায় নিযুক্ত হয় এবং ২০১৯খ্রিঃ থেকে অদ্যাবধি দৈনিক মানবকন্ঠ পত্রিকা এবং চ্যানেল এস টেলিভিশনের কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি’র দায়িত্ব পালন করছেন এবং প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, প্রেসক্লাব উত্তর ধরলা (কুড়িগ্রাম), স্থাপিত-২০০৪, বানুরখামার (লেকসিটি), নাগেশ্বরী, কুড়িগ্রাম। পাশাপাশি আমি একজন সংগীত শিল্পী ও গীতিকার। বিএনপির করার কারণে জীবনে নেমে আসে হামলা আর মামলা। ২০১৪সালে “নাগেশ্বরীর বিভিন্ন স্থানে চলছে জুয়া ও মদের আসর” সংবাদ কে কেন্দ্র করে নাগেশ্বরী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি মোজাম্মেল হক প্রধান গত (জুন ২০১৪সালে) তার বাহিনী মাদক ও জুয়ার লাইনম্যান মনছুর আলী নাউয়া কে বাদী করে সাহাবুদ্দিন ও গাজী কে স্বাক্ষী করে সাজানো ও মিথ্যা একটি চাঁদাবাজী মামলা দিয়ে গ্রেফতার করেন। ২০১৯সালে সাগর উক্ত মিথ্যা মামলা থেকে কুড়িগ্রাম বিজ্ঞ আদালত বেখুসুর খালাস প্রদান করে। ২০০৭সালে কচাকাটা থানায় বিবাহের জেরে মেছের আলী তার বিরুদ্ধে একটি ভিত্তিহীন মামলা করেন। ২০০৭সালে সাগর উক্ত মিথ্যা মামলা থেকে কুড়িগ্রাম বিজ্ঞ আদালত বেখুসুর খালাস প্রদান করে। সাধারণ ডাইরী সূত্রে, কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারী উপজেলার পাথরডুবী ইউনিয়নের দক্ষিণ বাশজানী ঝাকুয়াটারী জামে মসজিদ সংলগ্ন বাংলাদেশ ও ভারত সীমানার আন্তর্জাতিক মেইন পিলার ৯৭৮-এর সাব পিলার ৯ এসের পাশে নেই কাঁটাতারের বেড়া আর এ সুযোগে (আন্তর্জাতিক মেইন পিলার ৯৭৮-এর সাব পিলার সংলগ্ন বাংলােেদেশর অভ্যন্তরের সীমান্ত ঘেষাঁ পশ্চিমে ভারত এবং পার্শ্ববর্তী মাত্র ২০গজ দক্ষিণে ঝাকুয়াটারী মসজিদের পাশে ফজরত আলীসহ বেশ কয়েক জনের বসতবাড়ি। ঝাকুয়াটারী গ্রামের শামীম হোসেন বিএনপির দাপট এবং ভূয়া সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে নিজেই মাদক ও চোরাই মোবাইল ব্যবসা করে আসছেন। পাশাপাশি ভুয়া সাংবাদিক শামীমের সার্বিক সহযোগিতা ও মদদে ফজরত আলীর ছেলে বাঁশজানী ঝাকুয়াটারী সীমান্তের কালোবাজারি ও মাদক সম্রাট মাইদুল ইসলামের বসতবাড়ি সীমান্ত ঘেষাঁর সুবাধে দীর্ঘদিন ধরে তার বসতবাড়ির দক্ষিন দুয়ারী ঘরে একটি দোকান দিয়ে মাইদুল ইসলাম ও তার স্ত্রীসহ ভারতীয় মাদকদ্রব্যসহ বিভিন্ন কসমেটিক্স, বিস্কিট, শুটকি, তেল, খেজুর আঙ্গুর, আপেল, কমলা, মুভ, ঝান্ডুবাম, সিগারেট এবং বিভিন্ন প্রকারের নামধারী কোম্পানির ঔষধ এবং বিভিন্ন ভারতীয় চোরাই নামী-দামী কোম্পানির মোবাইল অবাধে বিক্রি করে আসছেন। এলাকাবাসীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে গত-১৩-০৩-২০২৬খ্রি. সরেজমিনে গিয়ে সীমান্তের সংবাদ সংগ্রহ শেষে ফেরার পর সীমান্তের অপরাধের ভিডিওগুলো প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে পাঠানো হয়। মাদক সম্রাট মাইদুল ইসলামের সহযোগী বাঁশজানী ঝাকুয়াটারী গ্রামের ভূয়া সাংবাদিক শামীম হোসেন কুড়িগ্রাম জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি এবং দেশবন্ধু গ্রুপের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব গোলাম মোস্তফার পুষ্প-পুত্র হয়ে দেশবন্ধু গ্রুপের সিমেন্ট কোম্পানিতে চাকরি করতেন। আওয়ামী লীগের দলীয় পাওয়ারে এলাকায় নেতৃত্ব দিতেন। ভূয়া সাংবাদিক শামীম হোসেন ক্ষিপ্ত হয়ে এ প্রতিনিধিকে ভিডিও ডিলিট এবং নিউজ না করার জন্য হোয়াটসঅ্যাপ +৮৮০ ১৩২৫-০৩০৪৬২ নম্বর থেকে বিভিন্ন প্রকার হুমকি প্রদান করেন। এমন কি বিএনপি নেতা এবং বিভিন্ন সাংবাদিকের নাম ভাঙ্গিয়ে দাপটের কথা বলেন। গত ১৮মার্চ ২০২৬খ্রি. ফেসবুক (Samim Hosen, লিংক-https:/ww/w.facebook.com/share/p/1AjHvE2BBi/ তার ফেসবুক আইডিতে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন অমান্য করে “কুড়িগ্রামে কথিত হলুদ সাংবাদিকদের চাঁদাবাজির অভিযোগে অতিষ্ঠ ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, পুলিশ এবং বিজিবিদের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করার চেষ্টা” মূলত সাংবাদিকদের মান-সম্মান ক্ষুন্ন, পেশা দায়িত্বে প্রাণনাশের হুমকি, মিথ্যা অপপ্রচার এবং মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন একটি লেখা প্রকাশ করে। শামীম হোসেনের অপকর্মের বিরুদ্ধে একটি বস্তুনিষ্ঠু সংবাদ গত ১৯মার্চ ২০২৬খ্রি. দৈনিক উত্তরকোণ পত্রিকায় প্রকাশিত হওয়ায় সে ক্ষিপ্ত হয়ে ১৯মার্চ ২০২৬খ্রি. দুপুর ২টা ৩৮মিনিটে ০১৭১৯৪৯৩৪০৯ মোবাইল নম্বর থেকে শামীম নামে পরিচয় দিয়ে আমাকে প্রাণনাশের হুমকিসহ মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করে। প্রেসক্লাব উত্তর ধরলা (কুড়িগ্রাম), বানুরখামার (লেকসিটি) নাগেশ্বরী এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, দৈনিক মানবকন্ঠ পত্রিকা, চ্যানেল এস টেলিভিশনের কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি এম এস সাগর এবং সাধারণ সম্পাদক, দৈনিক উত্তরকোণ পত্রিকার কুড়িগ্রাম উত্তর প্রতিনিধি মোঃ রাকিবুল ইসলাম এবং সিনিয়র সহ-সাধারণ সম্পাদক, দৈনিক সংবাদ প্রতিদিনের নাগেশ্বরী উপজেলা প্রতিনিধি ইয়াসিন
১
আলী ইমন এর বিরুদ্ধে ১৯মার্চ ২০২৬খ্রি.ফেসবুক নাম (ঝধসরস ঐড়ংবহ, লিংক-
https:/ww/w.facebook.com/share/p/14fEJm4kwTD/Ges,https:/ww/w.facebook.com/share/p/1Kg8BzZmCL/তার ফেসবুক আইডিতে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন অমান্য করে ছবি ব্যবহার করে মান-সম্মান ক্ষুন্ন, পেশা দায়িত্বে প্রাণনাশের হুমকি, মিথ্যা অপপ্রচার এবং আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন লেখা প্রচার করেন। ভূয়া সাংবাদিক শামীম হোসেন ফেসবুকের মাধ্যমে মান-সন্মান ক্ষুন্ন, সমাজে হেয় প্রতিপন্ন করার চেষ্টা, হত্যা ও চাঁদা নেওয়া চেষ্টা করছেন।
এম এস সাগর বলেন, বর্তমানে আমি দৈনিক মানবকন্ঠ এবং চ্যানেল এস টেলিভিশনের কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি হিসেবে বস্তুনিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছি। দেশ টিভি এবং চ্যানেল নাইন টিভির সাবেক কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি হিসেবে বস্তুনিষ্ঠার সাথে সাংবাদিকতার দায়িত্ব পালন করেছিলাম। গত নভেম্বর ২০১৯সাল থেকে অদ্যবধি পর্যন্ত ফেসবুক পোটালসহ বিভিন্ন অনলাইন নিউজ পোর্টালে আমার বি’রুদ্ধে ভুয়া সাংবাদিক, সাজানো চাঁদাবাজ, সু-নাম ক্ষুন্ন, ভিত্তিহীন সংবাদ প্রচার করে চলছে ভুরুঙ্গামারীর বাঁশজানী ঝাকুয়াটারী গ্রামের কথিত ভূয়া সাংবাদিক শামীম হোসেন ও তার কয়েকজন সঙ্গবদ্ধচক্র। ফেসবুকে দেয়া স্ক্রীনশট, শামীম হোসেনের বিরুদ্ধে সংবাদ, মামলা রায়ের ফটোকপি, প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ এবং বাঁশজানি সীমান্তে অপরাধের ভিডিও চিত্র ১টি সুনির্দিষ্ট প্রমাণ রয়েছে। আমার বি’রুদ্ধে শামীম হোসেন ফেসবুকে যে সংবাদ প্রকাশ হয়েছে তাহা সম্পূর্ণ মিথ্যা বানোয়াট ও ভিত্তিহীন। ভূয়া ফেসবুক সাংবাদিক শামীম হোসেনের বিরুদ্ধে গত (১৯মার্চ) নাগেশ্বরী থানায় (ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে) একটি সাধারণ ডায়েরি করেছি এবং ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলার প্রস্তুতি চলছে।
———————————–
নাগেশ্বরী থানায় (ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে) একটি সাধারণ ডায়েরি এবং
সুনির্দিষ্ট প্রমাণ ইমেলে ১৯পাতা পিডিএফ ১টি ফাইল দেয়া আছে।
সংযুক্তি:
(১) শামীম হোসেনের ফেসবুকে দেয়া স্ক্রীনশট- পাতা।
(২) শামীম হোসেনের বিরুদ্ধে সংবাদের ফটোকপি- পাতা।
(৩) এম এস সাগরের বিরুদ্ধে মামলা রায়ের ফটোকপি- পাতা।
(৪) এম এস সাগরের বিরুদ্ধে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদের ফটোকপি- পাতা।
(৫) বাঁশজানি সীমান্তে অপরাধের ভিডিও চিত্র-১টি।
২