
নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহীঃ রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার মাটিকাটা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা ইসমোতারা ও সহকারী প্রধান শিক্ষক রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে ব্যাপক দুর্নীতির উঠেছে। প্রধান শিক্ষক ও সহকারী প্রধান শিক্ষকের সাথে মুখ দেখা দেখি হয় না কথা হয়। দু জন শিক্ষক কর্মচরীদের নিয়ে দুটি শক্তিশালী বলয় তৈরী করায় বিদ্যালয়ে র চেন অফ কমান্ড ভেঙ্গে পড়েছে, শিক্ষার মান দিন দিন তলানীতে পড়েছে।
ফরম পূরন, ভর্তি ফি, উপবৃত্তির অ্যাকাউন্ট খোলা থেকে শুরু করে রেজিস্ট্রেশন—প্রতিটি ক্ষেত্রেই অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগ তুলে ফুঁসে উঠেছে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও এলাকাবাসী।
উপবৃত্তির নামে হয়রানি: অ্যাকাউন্ট খোলার অজুহাতে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায়। রেজিস্ট্রেশন বাণিজ্য: বোর্ড নির্ধারিত ফির চেয়ে অনেক বেশি টাকা হাতিয়ে নেওয়া, মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে নিয়মবহির্ভূতভাবে স্কুলের ক্যান্টিন বরাদ্দ দেওয়া। বিদ্যালয়ের নামে ৭০/৭৫ বিঘা জমি থাকলেও ইজারা প্রদানের নামে ম্যানেজিং কমিটির সদস্য ও শিক্ষকদের বুরুদ্ধে ব্যপক
অনিয়ম, দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতা প্রশাসনিক নানা কাজে স্বচ্ছতার অভাব রয়েছে।
বিক্ষুব্ধ জনতা আজ রবিবার সকালে শিক্ষকদের একটি গ্রুপের ইন্ধনে প্রধান শিক্ষিকাকে স্কুলে অবরুদ্ধ করে রাখে। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হলে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন সহকারী কমিশনার (ভূমি) শামসুল ইসলাম, উপজেলা একাডেমিক সুপার ভাইজার তিনি অত্যন্ত ধৈর্যের সাথে প্রাক্তন শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং এলাকাবাসীর অভিযোগ শোনেন।
তদন্তের স্বার্থে এবং সুষ্ঠু সমাধানের লক্ষ্যে তিনি আজ বিকাল ৩টার সময় সকল সকল বিষয়ে অভিযোগ লিখিত আকারে গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবরে জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
”দুর্নীতির বিরুদ্ধে কোনো আপস নয়—এটাই এখন সাধারণ মানুষের দাবি।”
কয়েকজন অভিভাবক ও প্রাপ্তন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন এত সুন্দর শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এখানে প্রধান শিক্ষক, সহকারী প্রধান শিক্ষক, শিক্ষক কর্মচারীদের মাঝে কোন শিঙ্খলাবোধ নেই। নিয়মিত ক্লাস হয় না। ২/৩ ক্লাস হওয়ার পর ছুটি হয়ে যায়। প্রধান শিক্ষক ও সহকারী প্রধান শিক্ষক শিক্ষকগন বলয় তৈরী করতে ব্যস্ত। প্রধান শিক্ষক ও সহকারী প্রধান শিক্ষক কথা বলেন কেন জবাব চাই। এদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহনের দাবী জানান।
ভোট কেন্দ্রের সংস্কারের জন্য ৭০/৭৫ হাজার টাকা সরকারী বরাদ্ধের কোন দৃশ্যমান সংস্কার হয় নি এটা কোথায় আমরা জানতে চাই।
সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ শামসুল ইসলাম বিকাল উপজেলা নির্বাহী অফিসার নিকট লিখিত অভিযোগ দেয়ার নির্দেশনা ও তদন্তটীম গঠন করার আশ্বাস দিয়ে সকলকে শান্তানা স্থান ত্যাগ করেন।
মোঃ হায়দার আলী,
রাজশাহী।