
রাজশাহী থেকে মোঃ হায়দার আলীঃ রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে কৃষি অফিসের উদ্যোগে AWD (Alternate Wetting and Drying) হলো ধানক্ষেতে পানি ব্যবস্থাপনার একটি আধুনিক পদ্ধতি বেশ সাড়া জাগিয়েছে। ফলে কৃষকগণ বেশ লাভবান হচ্ছেন।
জানা গেছে, জমিতে সবসময় পানি জমিয়ে না রেখে কিছুদিন শুকাতে দেওয়া হয়, পরে আবার সেচ দেওয়া হয়। এটি বিশেষ করে বোরো ধানে বেশি ব্যবহার করা হয়।
ধান রোপণের ১০–১৫ দিন পর থেকে AWD শুরু করা যায়। জমিতে একটি AWD পাইপ বসাতে হয়।
২৫–৩০ সেমি লম্বা PVC পাইপ ব্যবহার করা হয় পাইপের নিচের অংশে ছিদ্র থাকে
পাইপের ১৫–২০ সেমি অংশ মাটির ভিতরে বসানো হয়, জমির পানি কমে পাইপের ভিতরে পানির স্তর মাটি থেকে ১৫ সেমি নিচে নামলে সেচ দিতে হয়। সেচ দেওয়ার পর জমিতে আবার ৫–৭ সেমি পানি রাখতে হয়। ধানের ফুল আসা ও দুধ আসা সময়ে জমি একেবারে শুকিয়ে না যায় সেদিকে নজর দিতে হবে। এ পদ্ধতি ব্যবহারের ফলে জমিতে ২৫–৩০ ভাগ পর্যন্ত সেচের পানি সাশ্রয় হয়, সেচ খরচ কমে ডিজেল/বিদ্যুৎ কম লাগে, অনেক ক্ষেত্রে ফলন সমান থাকে বা সামান্য বাড়ে মিথেন গ্যাস নিঃসরণ কম হয়, ফলে পরিবেশ ভালো থাকে, গাছের শিকড় শক্তিশালী হয়
উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা অতনু সরকার বলেন, জমিতে ২৫–৩০ ভাগ পর্যন্ত সেচের পানি সাশ্রয় হয়, সেচ খরচ কমে ডিজেল/বিদ্যুৎ কম লাগে কৃষক লাভবান হয়।
নিয়মিত মাঠ পর্যবেক্ষণ করতে হয়
সময়মতো সেচ না দিলে ফলন কমতে পারে
বেলে বা পানি দ্রুত নেমে যায় এমন জমিতে কার্যকারিতা কম, আগাছা কিছুটা বেশি হতে পারে, কৃষকের দক্ষতা ও সচেতনতা প্রয়োজন AWD ব্যবহারে সতর্কতা
জমিতে ফাটল ধরার আগেই সেচ দিতে হবে
ফুল আসার সময় জমিতে পর্যাপ্ত আর্দ্রতা রাখতে হবে, সমতল জমিতে AWD বেশি কার্যকর।
মোঃ হায়দার আলী
নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী।