মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬, ০৩:৫২ অপরাহ্ন
Title :
পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় বিশ্ব মু-ক্ত গণমাধ্যম দিবস পালিত র‌্যাব-১২ এর অভি/যানে ৪ জন মা/দক ব্যবসায়ী গ্রেফ/তার বাবুগঞ্জের ভ/য়াবহ অ/গ্নিকাণ্ড হুমায়ুনের দোকানসহ কয়েকটি ঘর পু/ড়ে ছাই, ক্ষ/তি প্রায় ২০ লাখ টাকা রাজশাহী কারাফটকে শে-ষবারের মতো সন্তানের মুখ দেখলেন বন্দী দুলাল প্রশাসনের আশু হ/স্তক্ষেপ কামনা- মহেশপুরে ম/রা পঁচা প/শুর দু/র্গন্ধে অতিষ্ঠ গ্রামবাসী ও শিক্ষক/শিক্ষার্থীরা মুকসুদপুরের জলিরপাড়ে মানবতার অনন্য দৃষ্টান্ত: সম্প্রীতি এইড ফাউন্ডেশন গোদাগাড়ীতে মা/দক সেবী যুবকের কা/রাদণ্ড শিল্পের আলোয় মানবিকতার দীপ্ত প্রতিচ্ছবি ‘রাঙা সকাল’-এ চিত্র শিপ্লী মিলন বিশ্বাস সলঙ্গায় গরু চু/রি আ/তঙ্ক : রাতভর পাহারার উদ্যোগ তারাগঞ্জে আর বি ফিলিং স্টেশনে অবৈধ পেট্রোল মজুদে জ/রিমানা, ১২০ লিটার পেট্রোল জ/ব্দ

পানি নি-ষ্কাশনের নালায় বাঁধ,জলাবদ্ধতা কৃষকের ভোগান্তি “বাঁধ অ-পসারণের দাবিতে মহাসড়ক অ-বরোধ

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ৩ মে, ২০২৬
  • ১৯ Time View

খলিলুর রহমান খলিল, নিজস্ব প্রতিনিধি :
রংপুরের তারাগঞ্জে পানি নিষ্কাশনের নালার মুখে বাঁধ দেওয়ায় শত একর জমির বোরো ধান পানির নিচে তলিয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে জমে থাকা পানি বের হতে না পারায় মাঠজুড়ে তৈরি হয়েছে জলাবদ্ধতা। এতে ধান নষ্ট হওয়ার আশঙ্কায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন কৃষকেরা।

এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে কৃষকেরা শনিবার সকাল ১১ টা থেকে সাড়ে ১১টা পর্যন্ত তারাগঞ্জ চৌপতি বাস স্ট্যান্ড এলাকায় রংপুর-দিনাজপুর মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন। ওই সময় তারা দ্রুত বাঁধ অপসারণ করে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

কৃষকদের অভিযোগ, উপজেলার কুর্শা ইউনিয়নের ফলিমারীর দোলায় চলতি মৌসুমে প্রায় ২৫০ একর জমিতে বোরো ধানের আবাদ হয়েছে। সাধারণত বর্ষার পানি ফলিমারী বিল হয়ে সতীপাড়া ঘাট দিয়ে চিকলী নদীতে নেমে যায়। কিন্তু এবার সেই পথেই বাঁধ দিয়ে মাছ চাষ করায় পানি নিষ্কাশন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে বৃষ্টির পানি জমে অন্তত ১০০ একর জমির ধান তলিয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। পানি নিষ্কাশন না হলে এতে প্রায় কোটি টাকার ক্ষতির আশঙ্কা করছেন তারা।

শনিবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ফলিমারীর মাঠজুড়ে থইথই পানি। পানির ওপর ধানের শীষ ভেসে আছে। পানি নিষ্কাশনের নালার মুখে বাঁধ দিয়ে নেটজাল দিয়ে ঘিরে মাছ চাষ করা হচ্ছে।

কৃষক গোলাম সরওয়ার বলেন, আমার ১০ একর জমির ধানের গলায় গলায় পানি। দ্রুত পানি সরানো না গেলে সব ধান নষ্ট হয়ে যাবে।

একইভাবে কৃষক লোকমান হোসেন বলেন, ‘গত বছরও বাধ দেওয়ায় ধান তলিয়ে গেছিল। এ বছরও ধানের গলায় গলায় পানি, শুধু শিষ ভেষে আছে। এখন নালার বাঁধ না কাটলে দোলার ১০০ থেকে ১৫০ একর জমির ধান পুরোপুরি তলিয়ে পচে নষ্ট হবে। বৃষ্টির পানি নামার বিকল্প কোনো পথ না থাকায় দিন দিন পরিস্থিতি খারাপ হচ্ছে।’

অভিযোগের বিষয়ে বাঁধ দেওয়া ব্যক্তি মো. খলিল বলেন, ‘আমি মাছ চাষের জন্য বাঁধ দিয়েছি। এটি সরকারি কোনো খাল নয়। ও নালা দিয়ে পানি গেলে আমার জমি ফসলের ক্ষতি হয়। তিন লাখ টাকার মাছ ছাড়া আছে। ক্ষতিপূরণ দিলে আমি পানি কেটে দিব। কিন্তু তাঁরা সেটা শুনে না। গত বছরও ক্ষতিপূরণ দেয় নাই। বোরো ধান উঠলে সবাই যদি পানি যাওয়ার জায়গা দেয়, আমিও দিব।’

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোনাব্বর হোসেন বলেন, ‘বিষয়টি জেনে গতকাল কৃষি কর্মকর্তাকে পাঠিয়েছিলাম। আজ সরেজমিনে গিয়ে দুই পক্ষকে নিয়ে বসছিলাম। খলিলকে ক্ষতিপূরণ দিয়ে বাধ কেটে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। যেহেতু মাছ আছে তাই জাল দিয়ে নালা তৈরি করে পানি নিষ্কাশন করা হবে।’

উল্লেখ্য, গত বছর মে মাসেও একইভাবে পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ করে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হলে শত একর পাকা ধান ডুবে যায়। স্থানীয়রা বলছেন, প্রতিবছর একই সমস্যা হলেও স্থায়ী সমাধান না হওয়ায় বারবার ক্ষতির মুখে পড়ছেন কৃষকেরা।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © natunbazar24.com
Developed by: A TO Z IT HOST
Tuhin