
আলিফ হোসেন,তানোরঃ
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যানের রাজনৈতিক উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও নেসকোর চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল অবঃ শরিফ উদ্দিন রোববার (২আগস্ট) রাজশাহীতে আসছেন। ইতমধ্যে রাজশাহী বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানাতে তানোর ও গোদাগাড়ী উপজেলা বিএনপি ব্যাপক কর্মসূচি হাতে নিয়েছেন।এদিকে শরিফ উদ্দিনের আগমণের খবরে স্থানীয় বিএনপির তৃণমূলের নেতা ও কর্মী-সমর্থকদের মাঝে ব্যাপক প্রাণচাঞ্চল্যর সৃষ্টি হয়েছে বিরাজ করছে উৎসবের আমেজ।
অন্যদিকে নেতাকর্মীরা ঐক্যর প্রয়োজনীয়তা অনুধাবন করে দীর্ঘদিনের মান-অভিমান ও মতবিরোধ ভুলে একে-অপরকে কাছে টানছে, এতে তাদের মধ্য দীর্ঘদিনের বিরাজমান ক্ষোভ-অসন্তোষের বরফ গলতে শুরু করেছে। ব্যবসা-বাণিজ্যে, চাওয়া-পাওয়া না পাওয়া ও মান-অভিমানসহ নানা কারণে যেসব নেতাকর্মীরা এতোদিন নিস্ক্রীয় ছিল, শরিফ উদ্দিনের আগমণ ঘিরে তারাও নবউদ্দ্যেমে রাজনীতিতে সক্রিয় হয়ে উঠেছে। ফলে দীর্ঘদিন পর দলটির নেতা ও কর্মী-সমর্থকরা ফুরফুরে মেজাজে রয়েছে।
বিএনপির রাজনৈতিক অঙ্গনে ফিরেছে ব্যাপক প্রাণচাঞ্চল্য।
বিএনপির আদর্শিক,প্রবীণ,ত্যাগী, পরিক্ষিত ও নিবেদিতপ্রাণ নেতাকর্মীর পাশাপাশি তৃনমূলের
নেতাকর্মীরাও এখন উজ্জীবিত। মেজর জেনারেল অবঃ শরিফ উদ্দিনের হাতকে শক্তিশালী করতে অতীতের ভেদাভেদ ভুলে বহুধারায় বিভক্ত নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে প্রমাণ করেছে ব্যক্তির চেয়ে দল বড়।
রাজশাহী-১ (তানোর-গোদাগাড়ী) আসনে বিএনপির রাজনীতিতে প্রয়াত ব্যারিস্টার আমিনুল হক পরিবারের কোনো বিকল্প নাই। কারণ এই পরিবার কখানোই এই জনপদের মানুষকে নিরাস করেনি।ফলে এই পরিবারের প্রতিনিধি শরিফ উদ্দিনকে নিয়েই তারা আগামির স্বপ্ন দেখছেন।সকল ষড়যন্ত্র,প্রোপাগান্ডা মোকাবেলা করে শরিফ উদ্দিনের হাতকে শক্তিশালী করতে তৃণমুলের নেতাকর্মীরা ফের সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়েছেন। এসব নেতাকর্মীরা মনে করেন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তাদের নেতা শরিফ উদ্দিন পরাজিত হয়নি,তাকে পরাজিত করা হয়েছে।বিএনপির একশ্রেণীর বিপদগামী ও সুবিধাবাদী দলীয় প্রার্থীর বিপক্ষে কাজ করেছেন, যাদের রাজনৈতিক জীবনটাই বির্তকিত পালাবদলের যারা কখানোই ব্যারিস্টার পরিবারের নেতৃত্ব মানতে পারেনি। বিতর্কিত সেই গোষ্ঠী যারা স্বপ্ন দেখছিলেন নির্বাচনে শরিফ উদ্দিনের পরাজয় নিশ্চিত করতে পারলেই এখানে বিএনপির রাজনীতিতে ব্যারিস্টার পরিবার মাইনাস। এদিকে বিষয়টি উপলব্ধি হবার পর তৃণমুলের নেতাকর্মীরা আরো বেশী ঐক্যবদ্ধ ও শরিফমুখী হয়েছে। তৃণমুলের দাবি শরিফ উদ্দিন ইচ্ছে করলেই রাতারাতি এসব সুবিধাবাদীদের মতো শত নেতৃত্ব সৃষ্টি করতে পারেন,কিন্ত এসব শত শত সুবিধাবাদী একজন শরিফ উদ্দিন কি সৃষ্টি করতে পারে ? অন্যদিকে মেজর জেনারেল (অবঃ) শরিফ উদ্দিনের আগমণের খবরে শরিফবিরোধী শিবির রণেভঙ্গ
দিয়েছে।
জানা গেছে, মেজর জেনারেল (অবঃ) শরিফ উদ্দিন ছিলেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নিরাপত্তা প্রধান, বিএনপি চেয়ারপার্সন প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়ার (সাবেক) সামরিক সচিব এবং হয়েছেন চেয়ারপার্সনের রাজনৈতিক উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য।কিন্ত্ত বিগত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর সুবিধাভোগী একটি বিশেষ গোষ্ঠী গুজব ছড়িয়েছে
শরিফ উদ্দিন জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে, তিনি কোনো ভাবেই আর বিএনপির রাজনীতিতে আসতে পারবেন না। তানোর-গোদাগাড়ীর বিভিন্ন চিপা-চাপা ও অলিগলিতে এমন গুজব ছড়িয়ে শরিফবিরোধী
গোষ্ঠী তৃপ্তির ঢেকুর তুলছে। কিন্ত্ত শরিফ উদ্দিনকে সম্মানিত করতে নেসকোর চেয়ারম্যান করার পাশাপাশি তানোর-গোদাগাড়ী বিএনপির নীতিনির্ধারক করায় তাদের মাথায় বাজ পড়েছে। রাজনীতির মাঠে নামতে গিয়ে দেখছে ভিন্নচিত্র, এতে তাদের হুঁশ ফিরেছে, বগী আওয়াজ আর রাজনীতি এক বিষয় নয় এটা হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছে।বিতর্কিত সেই গোষ্ঠী যারা স্বপ্ন দেখছিলেন নির্বাচনে শরিফ উদ্দিনের পরাজয় নিশ্চিত করতে পারলেই এখানে বিএনপির রাজনীতিতে ব্যারিস্টার পরিবার মাইনাস। কিন্ত্ত স্বপ্ন আর বাস্তব এক নয় সেটা এখন তারা বুঝতে পারছে।শরিফ উদ্দিনের বিরুদ্ধে নানা ষড়যন্ত্র, গুজব, প্রোপাগান্ডা ও অপতৎপরতা করেও তৃণমূলের কাছে থেকে কোনো সাড়া না পেয়ে শরিফবিরোধী শিবির ফের
রণেভঙ্গ দিয়ে লেজ গুটিয়েছে। এতে শরিফবিরোধী শিবিরে নেমে এসেছে অমবশ্যার ঘোর অন্ধকার চোখেমূখে ফুটে উঠেছে হতাশার করুণ চিত্র। তৃণমুলের তোপের মুখে এখন অনেকে না পারছেন শরিফ উদ্দিনের কাছে আসতে, না পারছেন রাজনীতির মাঠে নামতে “শ্যাম রাখি না কুল রাখি’ অবস্থায় পড়ে রাজনীতি থেকে ঝরতে শুরু করেছে।শরিফবিরোধীরা নানা ষড়যন্ত্র, অপতৎপরতা ও সংগঠনবিরোধী
নানা কর্মকান্ড করেও শরিফ উদ্দিনের জনসমর্থনের কাছে তারা হার মানতে বাধ্য হয়েছে।#