
তরিকুল ইসলাম তরুন, কুমিল্লা থেকে:
কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান বুড়িচং আধুনিক হসপিটাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার-এ সিজারিয়ান অস্ত্রোপচারের পর এক প্রসূতির মৃত্যুকে কেন্দ্র করে ভুল চিকিৎসার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে দায়ীদের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে।
নিহত প্রসূতি খাদিজা আক্তার (৩০)। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত ১ জুলাই সন্তান প্রসবের জন্য তাকে বুড়িচং আধুনিক হসপিটাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ভর্তি করা হয়। পরে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে তিনি একটি কন্যাসন্তানের জন্ম দেন।
স্বজনদের অভিযোগ, অস্ত্রোপচারের সময় চিকিৎসকদের ভুলে খাদিজার প্রস্রাবের নালী কেটে যায়। এর ফলে তার শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটে। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে কুমিল্লায় নেওয়া হয়।
পরিবারের সদস্যরা জানান, প্রথমে তাকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়। পরবর্তীতে অবস্থার আরও অবনতি হলে একটি বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত রাতে আনুমানিক রাত ২টার দিকে তিনি মারা যান।
এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের সদস্যরা চিকিৎসায় অবহেলা ও ভুল চিকিৎসার অভিযোগ এনে দায়ীদের বিরুদ্ধে সুষ্ঠু তদন্ত এবং আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে বুড়িচং আধুনিক হসপিটাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের চিকিৎসক ডা. জাবেদের মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে প্রকাশ করা হবে।
এ বিষয়ে বুড়িচং উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মালিকুল আফতাব বলেন, “বিষয়টি লোকমুখে জেনেছি। খাদিজা নামে এক প্রসূতির সিজারিয়ান অপারেশনের সময় তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। পরে তাকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করা হয় এবং পরবর্তীতে একটি বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, যেখানে তিনি মারা যান। তবে এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
কুমিল্লার সিভিল সার্জন ডা. আলীনুর বশীর বলেন, “এ বিষয়ে কেউ লিখিত অভিযোগ করলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”সংবাদ লেখার কল বেক করে আধুনিক হসপিটালের কতৃপক্ষ ডাঃ জাবেদ বলেন হসপিটালের রোগী মৃত্যুর দায়ী আমরা নই,যে সিজার করেছে সে বলতে পারবে।তাছাড়া আমি এই হসপিটালে চেম্বার করি,হসপিটালের মালিক ২০ জন,আমার স্ত্রী ডাঃ সানজিদা আক্তার দেখবার করেন,আমি সরকারি চাকরি করি,আমার নাম দিবেন না