
এম এ আলিম রিপন : আসন্ন ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে জমে উঠেছে সুজানগর উপজেলার পার্শ্ববর্তী পাবনা সদর উপজেলার চরতারাপুর ইউনিয়নের তারাবাড়িয়া পশুর হাট।রবিবার ঐতিহ্যবাহী তারাবাড়িয়া পশুর হাট ঘুরে দেখা গেছে, ক্রেতা বিক্রেতাদের হাঁকডাকে কোরবানির হাট এখন বেশ সরগরম। স্থানীয় সহ জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে খামারি এবং ব্যবসায়ীরা গরু নিয়ে আসছেন হাটে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে জমে উঠে পশুর হাট।বাজেটের মধ্যে পছন্দের কোরবানির গরু খুঁজতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা সময় ব্যয় করেছেন ক্রেতারা।গরু বিক্রেতারা বলছেন, হাটে ছোট ও মাঝারি পশুর চাহিদা সবচেয় বেশি।হাটে প্রচুর গরু ও ছাগল ও মহিষ উঠেছে। যেন তিল ধারণের ঠাঁই নেই।দূর-দূরান্তের ব্যবসায়ী ও খামারিরা ট্রাক, মিনিট্রাক, নছিমনসহ বিভিন্ন যানবাহনে করে গরু ও ছাগল নিয়ে এসেছেন।গরু ও ছাগল ক্রেতারা বলেন, হাট থেকে মাঝারি আকারের পশু কিনেছি। গত বছরের ঈদে যে গরু কেনা হয়েছে তার সঙ্গে তুলনা করে,এবারও পশুর দাম খুব একটা বেশি নয়।এক ছাগল ক্রেতা জানান, এ হাটে মাঝারি সাইজের ছাগল ১০ থেকে ১৫ হাজারের মধ্যে দেখে শতাধিক ছাগল কিনতেছি।এইগুলো ঢাকায় পাঠানো হবে।হাটে আসা বিক্রেতারা বলছেন, হাটে ছোট ও মাঝারি পশুর চাহিদা বেশি। খাদ্যের দাম বেশি থাকায় লাভ কম হচ্ছে।হাটের ইজারাদার রইজ বিশ্বাস জানান, ঐতিহ্যবাহী তারাবাড়িয়া এ হাটে গরু ও ছাগলের ব্যাপক আমদানি হয়েছে। ক্রেতা-বিক্রেতা শান্তিপূর্ণ পরিবেশে কেনাবেচা করার জন্য নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে,যাতে কেউ প্রতারণার শিকার না হন। প্রশাসনের পক্ষ থেকেও পর্যবেক্ষণ সার্বক্ষণিকভাবে চলছে।
তিনি আরও জানান, এ হাটে সরকার নির্ধারিত হারে খাজনা আদায় করা হচ্ছে। ঈদকে সামনে রেখে সপ্তাহের প্রতি রবিবার ও বুধবার এ হাটে কেনাবেচা চলবে।