মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬, ০৬:৩৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :-
মা-দক উদ্ধারে দেশসেরা হয়ে আইজিপি পুরস্কার নিলেন ময়মনসিংহের এসপি কামরুল হাসান বাবুগঞ্জের জাহাঙ্গীর নগর ইউনিয়নকে মাদকমুক্ত আধুনিক ইউনিয়ন গড়তে চেয়ারম্যান হতে চান মালেক ঈশ্বরগঞ্জকে আধুনিক মডেল উপজেলা হিসাবে গড়তে ভাইস চেয়ারম্যান হতে চায় আজিজুল হক অতিথিপরায়ণতা, আন্তরিকতা ও শিল্পসাধনার অনন্য প্রতিচ্ছবি চিত্রশিল্পী মিলন বিশ্বাস ও তাঁর সহধর্মিনী রাজশাহীতে নগদ অ/র্থসহ ৬ জুয়া/ড়িকে গ্রে/ফতার করেছে মেট্রোপলিশ পাইকগাছায় স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জামা/য়াতের আগাম প্র/স্তুতি ; মেয়র ও চেয়ারম্যান প্রার্থীদের নাম ঘো/ষণা রাজশাহী জেলা আইন-শৃংখলা কমিটির সভা অ-নুষ্ঠিত মৃ/ত্যুর মিছিলে পরিণত হচ্ছে পাইকগাছা-কয়রা সড়ক গোদাগাড়ীতে ১০ হাজার কৃষকের মাঝে আউশ ধান ও সার বিতরণ পীরগঞ্জে ফারিয়া’র মানববন্ধন প্র/তিবাদ সভা ও স্মারকলিপি প্রদান

বাবুগঞ্জের জাহাঙ্গীর নগর ইউনিয়নকে মাদকমুক্ত আধুনিক ইউনিয়ন গড়তে চেয়ারম্যান হতে চান মালেক

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ১১ মে, ২০২৬
  • ৫৬ Time View

কে এম সোয়েব জুয়েল।।
গৌরনদী প্রতিনিধি ঃ আগরপুর ইউনিয়ন পরিষদের আগামি দিনের নেতৃত্ব নিয়ে ইউনিয়ন জুরে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা। বিশেষ করে রাজপথের লড়াকু সৈনিক এবং পরিচ্ছন্ন রাজনীতিক হিসেবে পরিচিত আবদুল মালেক শিকদারকে ঘিরেই এখন আবর্তিত হচ্ছে বাবুগঞ্জের জাহাঙ্গীর নগর ইউনিয়নের সমীকরণ।

দীর্ঘ রাজনৈতিক ক্যারিয়ার, ত্যাগের মহিমা এবং সাধারণ মানুষের সাথে নিবিড় সম্পর্কের কারণে ইউনিয়নবাসী তাকে আগামীতে ইউপি চেয়ারম্যান হিসেবে দেখার দাবি তুলছেন।

আবদুল মালেক শিকদার বাবুগঞ্জ উপজেলা জাহাঙ্গীর নগর ইউনিয়নের ঠাকুর মুল্লিক গ্রামের বাসিন্দা রাজনীতিতে এক অনন্য নাম। তিনি শহীদ জিয়ার আদর্শে গড়া এক জনবান্ধব ও তরুণ রাজনীতিবিধ। সাবেক রাষ্ট্র নায়ক শহীদ জিয়ার স্বপ্ন বাস্তায়নে দেশ নায়ক প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে জাহাঙ্গীর নগর ইউনিয়নকে একটি মাদকমুক্ত আধুনিক ও সুখী সমৃদ্ধ ইউনিয়ন গড়ে তুলতে ইউনিয়ন পরিষদ সেবাকে স্বচ্ছ ও দুর্নীতি মুক্ত পরিবেশে জনকল্যাণে জনগণের দোরগোড়ায় পৌছে দিতে চান আবদুল মালেক শিকদার।

তিনি জাহাঙ্গির নগর ইউনিয়ন বিএনপির বাববার নির্বাচিত সভাপতি ও সাবেক ছাত্র নেতা।। তিনি দলের দুঃসময়ে ফ্যাসিবাদ বিরোধী প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে রাজপথে ব্যাপক ভূমিকা রেখে মিথ্যা মামলায় হয়রানিসহ নির্যাতন সহ একাধিক বার কারা ভোগ করেন। তবুও পিছ পা না হয়ে দলীয় শৃঙ্খলার প্রতি অবিচল থেকে তিনি বারবার প্রমাণ করেছেন যে, পদের চেয়ে আদর্শই তার কাছে বড়।

বাবুগঞ্জ উপজেলার জাহাঙ্গীর নগর ইউনিয়নের স্থানীয় বাসিন্দা হওয়ায় সাধারণ মানুষের সুখে-দুঃখে তাকে সবসময় পাশে পাওয়া যায়।

এছাড়া অসংখ্য সামাজিক সংগঠনের সাথে জড়িত থেকে তিনি মানবিক সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন।

জাহাঙ্গীর নগর ইউনিয়নের বিএনপির দলীয় রাজনীতির ইতিহাসে আবদুল মালেক শিকদারের অবদান অনস্বীকার্য। ছাত্রজীবন থেকে দীর্ঘ সময় বিএনপিসহ বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের দায়িত্বে থেকে দলকে সাংগঠনিক ভাবে এগিয়ে নিয়েছেন তিনি।

বিগত আওয়ামী লীগের শাসনামলে তার দলীয় কার্যক্রমকে আতঙ্কিত হয়ে তাকে চরম দমন-পীড়ন ও রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হতে হয়েছে। জেল-জুলুম ও নির্যাতনের মুখেও তিনি আপসহীন থেকেছেন।
জাহাঙ্গীর নগর ইউনিয়নের উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রক্ষা এবং সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ে মালেকের মতো অভিজ্ঞ ও সৎ নেতার বিকল্প নেই বলে মনে করছেন সচেতন নাগরিক সমাজ। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে শুরু করে চায়ের আড্ডা-সবখানেই এখন একই দাবি, ‘তৃণমূল থেকে উঠে আসা নেতাকেই ইউনিয়ন পরিষদের অভিভাবক হিসেবে দেখতে চাই।’

এলাকার বাসিন্দারা জানান, “তিনি কেবল একজন নেতাই নন, তিনি আমাদের সুখ-দুঃখের অংশীদার। তাকে চেয়ারম্যান হিসেবে পেলে জাহাঙ্গীর নগর ইউনিয়ন একটি আধুনিক ও মানবিক এলাকা হিসেবে গড়ে উঠবে।

একাধিক সুত্র জানিয়েছেন মালেক শিকদার দীর্ঘদিন থেকে এলাকায় বিভিন্ন সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকায় আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ইউনিয়নে সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে বেশ আলোচনায় উঠে এসেছেন তিনি। ইউনিয়নের একজন স্থায়ী বাসিন্দা হওয়ায় সুখে-দুঃখে, বিপদে-আপদে, বন্যা-খরায় ইউনিয়নবাসীর পাশে দাঁড়িয়েছেন তিনি। যার ফলে এলাকার সাধারণ লোকজনও আগামীতে তাকে একজন প্রতিনিধি হিসেবে চাচ্ছেন।

মানুষের এই চাওয়াকে প্রাধান্য দিয়ে তিনিও একজন সেবক হিসেবে জনগণের পাশে থাকার দৃঢ়প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। ইতিমধ্যে স্থানীয়দের কাছে সৎ, পরিশ্রমী ও জনবান্ধব একজন যুবক হিসেবে সুপরিচিত লাভ করেছেন তিনি।

এ প্রসঙ্গে আবদুল মালেক বলেন, এলাকার গন্যমান্য ও প্রবীণ মুরব্বি এবং সাধারণ লোকজন তাকে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য আহ্বান করেছেন। মানুষের আগ্রহের প্রতি সম্মান জানিয়ে তিনিও সম্মত হয়েছেন। মানুষের সমর্থন এবং মহান রবের হুকুমে তিনি নির্বাচিত হতে পারলে, সরকারের বরাদ্দকৃত সকল সুযোগ-সুবিধা সুষম বণ্টনের মাধ্যমে দায়িত্ব পালন করবেন।

এছাড়াও সবাইকে সাথে নিয়ে অবহেলিত ও পিছিয়ে থাকা এই সরিকল বাসীর কল্যাণে কাজ করবেন তিনি। জনগণের দোয়া, সমর্থন ও সহযোগিতা পেলে প্রতিনিধি নয়, একজন দায়িত্বশীল সেবক হিসেবে নিজেকে বিলিয়ে দিতে চান মিরন।

এদিকে তরুণ ও উদ্যমী প্রার্থী হিসেবে মালেক শিকদার নির্বাচিত হলে স্থানীয় উন্নয়ন কার্যক্রমে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে ধারণা করছেন অনেকেই।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © natunbazar24.com
Developed by: A TO Z IT HOST
Tuhin