বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ০৬:৫২ অপরাহ্ন
Title :
ক্ষেতলাল থানার সাফল্য—ক্লু-লেস দ-স্যুতা মা-মলার রহস্য উদ্‌ঘাটন, ত-দন্ত কর্মকর্তাকে পুরস্কার প্রদান বিএমডিএ’র চেয়ারম্যান হলেন কৃ/ষকদলের সভাপতি পাবনা ২ নির্বাচনী এলাকার সর্বস্তরের জনগণের সাথে এমপি সেলিম রেজা হাবিবের মত বিনিময় সভা ময়মনসিংহ সদরে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টে সেহড়া-আজমতপুর দল চ্যাম্পিয়ন সুনামগঞ্জ ডিবি পুলিশের অ-ভিযানে অ-জ্ঞান পার্টির দুই সদস্য আটক লন্ডন প্রবাসীর চো-রাইকৃত মালামাল উ-দ্ধার মুরাদনগরে হ-তদরিদ্রদের মাঝে ৪৪টি ভ্যান ও ২২০টি সেলাই মেশিন বিতরণ বাংলাদেশে আধুনিক প্রযুক্তির নতুন কা/রিগর রেহান আসিফ রাতুল গোদাগাড়ীতে নদীভাঙন এলাকা পরিদর্শনে সাংসদ অধ্যাপক মুজিবুর রহমান ” প্রশাসনের আশু হ/স্তক্ষেপ কামনা ” মহেশপুরে ম-রা পঁ-চা পশুর দুর্গ-ন্ধে অ-তিষ্ঠ গ্রামবাসী ও শিক্ষক/শিক্ষার্থীরা কোরবানির পশু উৎপাদনে রেকর্ড ঝিনাইদহ উ/দ্বৃত্ত আছে ৫৬ হাজার গবাদিপশু

কোরবানির পশু উৎপাদনে রেকর্ড ঝিনাইদহ উ/দ্বৃত্ত আছে ৫৬ হাজার গবাদিপশু

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬
  • ১৫ Time View

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি:
আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে কোরবানির পশুর প্রস্তুতিতে রেকর্ড গড়েছে ঝিনাইদহ জেলা। জেলার ছয়টি উপজেলায় এবার বিপুল পরিমাণ গবাদিপশু প্রস্তুত করা হয়েছে, যা স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে দেশের অন্যান্য জেলায় জোগান দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে প্রাপ্ত সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এ বছর ঝিনাইদহে চাহিদার তুলনায় প্রায় ৫৬ হাজার ৯৭৭টি গবাদিপশু উদ্বৃত্ত রয়েছে।ঝিনাইদহ জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে তথ্যমতে, ঝিনাইদহের সদর, শৈলকূপা, হরিণাকুণ্ডু, কালীগঞ্জ, কোটচাঁদপুর ও মহেশপুর এই ছয়টি উপজেলায় মোট ২ লাখ ৫২ হাজার ৩৯৭টি গবাদিপশু কোরবানির জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে। এরমধ্যে গরু রয়েছে ৯৩ হাজার ৫৭২, মহিষ ১ হাজার ৩৩৪টি, ছাড়ল ১ লাখ ৪৮ হাজার ২৩০ এবং ভেড়া রয়েছে ৯ হাজার ২৬১ টি।পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এ বছর জেলায় মোট কোরবানির পশুর চাহিদা নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৯৫ হাজার ৪২০টি। চাহিদার বিপরীতে উৎপাদন হয়েছে ২ লাখ ৫২ হাজার ৩৯৭টি। অর্থাৎ ৫৬ হাজারেরও বেশি পশু ঝিনাইদহ থেকে ঢাকা, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন বড় পশুর হাটে সরবরাহ করা সম্ভব হবে।উপজেলা ভিত্তিক তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, ঝিনাইদহ সদর ও শৈলকূপা উপজেলায় সবচেয়ে বেশি পশু প্রস্তুত করা হয়েছে। প্রাণিসম্পদ দপ্তরের কর্মকর্তারা বলছেন, খামারিদের নিরলস প্রচেষ্টায় এবং আধুনিক প্রজনন পদ্ধতির ফলে জেলায় পশুর উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে।

হরিণাকুন্ডুর পায়রাডাঙ্গা গ্রামের খামারী হাফিজুর রহমান জানান, এবার বাজারদর স্থিতিশীল থাকলে তারা লাভবান হবেন। গত বছরের তুলনায় পশুখাদ্যের দাম কিছুটা বৃদ্ধি পেলেও পশুর মান ও স্বাস্থ্যের দিকে নজর দেওয়া হয়েছে। কোনো ধরনের ক্ষতিকর ওষুধ বা হরমোন ছাড়াই প্রাকৃতিক উপায়ে এসব পশু হৃষ্টপুষ্ট করা হয়েছে বলে তিনি জানান। ঝিনাইদহ জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ এ এস এম আতিকুজ্জামান জানিয়েছেন, “ঝিনাইদহ একটি কৃষিপ্রধান জেলা এবং এখানে পশু পালন একটি বড় অর্থনৈতিক ভিত্তি। কোরবানির হাটে অসুস্থ পশু কেনাবেচা রোধে প্রতিটি হাটে মেডিকেল টিম থাকবে। এছাড়া পশু পরিবহনে যেন কোনো চাঁদাবাজি বা হয়রানি না হয়, সেদিকেও কড়া নজরদারি রাখা হবে।”তিনি আরো জানান, ঝিনাইদহের এই বিপুল পরিমাণ উদ্বৃত্ত পশু দেশের কোরবানির পশুর বাজারের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে এবং মাংসের চাহিদা মেটাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। কোরবানির হাটে পশুর সংকট হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই এবং ঝিনাইদহের খামারিরা এবার দেশের অর্থনীতিতে বড় অবদান রাখতে প্রস্তুত বলেও তিনি যোগ করেন।

আতিকুর রহমান
ঝিনাইদহ।।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © natunbazar24.com
Developed by: A TO Z IT HOST
Tuhin