
কেএম শহীদুল সুনামগঞ্জ :
সুনামগঞ্জে শুরু হয়েছে ধান চাদাঁ কৃষকের ধান ঘরে তুলতে দিতে হয় চাদাঁবাজদের বস্তা বরা ধান। অন্যতায় হতে হয় হামলার শিকার। জোর করে ছিনিয়ে নেওয়া হয় ধানের বস্তা। এমনকি অনিহা প্রকাশ করায় কৃষকের উপর হামলার রোল জারি করেছে চাদাঁবাজরা। ইতিমধ্যে হামলার শিকার হয়ে এক কৃষকে চাদাঁ না দেওয়ার কারনে পিঠিয়ে আহত করে ধান সহ কৃষকেরবসরঞ্জাম ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে।
জানা যায় ঘটনাটি ঘটে চলেছে সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার মোল্লা পাড়া ইউনিয়নের খাগুড়া গ্রামে।জানা যায় ২২এপ্রিল২০২৬ইং তারিখ রোজ বুধবার দেখার হাওরের মৌখলা বান্দের রাস্তার উপর ট্রলি গাড়ি দিয়ে এবং ঘোড়ার গাড়ি দিয়ে কৃষকেরা তাদের সোনালী ফসল বুরোধান কেটে হাওর থেকে বাড়ি বাড়ি নিয়ে আসেন। আর এসব ধান সরকারি রাস্তা দিয়ে নিয়ে আসতে হলে প্রতি কৃষককে গাড়ি প্রতি ২বস্তা করে ধান চাদাঁ দিতে হয় খাগুড়া গ্রামের চাদাঁবাজ ফজলু বাহিনীকে। অন্যতায় হামলার শিকার হতে হয় কৃষকদের। এরই ধারাবাহিকতায় ঘটনার দিন খাগুড়া গ্রামের কৃষক আক্তার হোসেন হাওর থেকে ট্রলি গাড়ি দিয়ে ধান আনার সময় ফজলুগংরা রাস্তার চাঁদা হিসেবে প্রতি টিপে ২বস্তা করে ধান চাদাঁ দাবী করে। এসময় আক্তার হোসেন সরকারি রাস্তায় চাদাঁ দিবে না বলে অনিহা প্রকাশ করলে ফজলু মিয়া ও তার চাদাঁবাজ বাহিনী একই গ্রামের হাছন মিয়ার ছেলে সিরাজ, বাটুল মিয়ার ছেলে সন্ত্রাসী লিটন,মনির মিয়ার ছেলে আফসারসহ একটি চাদাঁবাজ চক্র আক্তার হোসেনের উপর হামলা চালায়। এসময় হামলায় আক্তার হোসেন গুরুতর আহত হয়ে অজ্ঞান হয়ে মাটিতে লুঠে পরে। পরে আশপাশের লোকজনের সহযোগিতায় তাকে আহত অবস্থা সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে কর্তব্যরত ডাক্তার আক্তার হোসেনকে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করেন। অপর দিকে হামলাকারীরা আক্তার হোসেনের কাছ থেকে বিভিন্ন কৃষকের ১০০মন ধান ও ৪টি ট্রলি গাড়ি, ধান কাটার ২টি মিশিন, চাদাঁর জন্য আটক করে নিয়ে যায়। প্রত্যক্ষদর্শী ও আহতর পরিবারের সাথে আলাপ করে ঘটনার বিবরণে উঠে আশে ধান চাদাঁ নেওয়ার নতুন সিস্টেমের ইতিহাস। কৃষকের ধান ঘরে তুলতে যদি রাস্তায় রাস্তায় চাঁদা দিতে হয় তাহলে কৃষকরা যাবে কোথায়? প্রশাসন ঐ সমস্ত ডিজিটাল ধান চাদাঁবাজদের বিরুদ্ধে কঠোরভাবে আইনি প্রদক্ষেপ গ্রহন করে কৃষকের মুখে হাসি ফুটাবেন এমনটাই দাবী সাধারণ কৃষকের।পাশাপাশি কৃষক আক্তার হোসেনের উপর হামলাকারী চাদাঁবাজদের গ্রেফতার করে ছিনিয়ে নেওয়া ধান ট্রলি গাড়ি চাদাঁবাজদের কাছ থেকে উদ্ধার করে আইনের আওতায় আনার জন্য পুলিশের প্রতি আহবান জানান ভুক্তভোগী আহত কৃষকের পরিবার। এব্যপারে আহতের পরিবার সদর থানায় মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানা যায়।
এব্যপারে সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ রতন সেখ পিপিএম এর কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান অভিযোগ পেলে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।