
সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি :
“দেশ ও জাতির সেবায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ” এ প্রতিপাদ্যকে সামনে নিয়ে সলঙ্গায় “অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি” ঘুড়কা শাখার ব্যাংকিং সেবা (হিসাব-ঋণ) দীর্ঘদিন ধরে সুনামের সাথে পরিচালিত হয়ে আসছে।ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের সূতিকাগার ব্যবসা বহুল ও বাণিজ্যিক এলাকা হিসেবে পরিচিত “অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি” শাখাটি ১৯৮৭ সাল হতে টিনের ঘর থেকে অত্যন্ত সুনামের সাথে গ্রাহক সেবা দিয়ে আসছে।এমনকি দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে বহুতল ভবনের ২য় তলায় সলঙ্গার প্রাণ কেন্দ্রে ব্যাংকটি অবস্থিত হওয়ায় নিরাপদে গ্রাহক ও ব্যবসায়ীদের লেনদেনে আশাতীত সুবিধা ভোগ করে আসছে।এই ব্যাংকটি বাজারের মুল পয়েন্ট ও চারদিকে অসংখ্য বড়বড় ব্যবসায়ী মার্কেটসহ জনবহুল এলাকায় অবস্থিত বলে গ্রাহকেরা কোন প্রকার ঝুঁকি ছাড়াই স্বাচ্ছন্দে লেনদেন কার্যক্রম চালিয়ে আসছে।তবে সলঙ্গার একটি স্বার্থান্বেষী মহলের যোগসাজসে সলঙ্গা বাজারের বাইরে ক্রাইম এলাকা হিসেবে পরিচিত কুঠিরপাড়া নামক ফাঁকা এলাকায় ব্যাংকটি স্থানান্তর করা হচ্ছে মর্মে গ্রাহক ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে গুঞ্জন ও হতাশা শুরু হয়েছে।উক্ত এলাকায় ব্যাংকটি স্থানান্তর করা হলে গ্রাহক ও ব্যবসায়ীদের লেনদেনে জীবনের ঝুঁকি ও ব্যাংকের ব্যবসায় চরম ক্ষতিগ্রস্ত হবে।শুধু তাই নয়,লেনদেনে ধস নামতে পারে বলেও গ্রাহকদের অভিযোগ উঠেছে।সলঙ্গা বাজারের মূল কেন্দ্রে অগ্রণী ব্যাংক ঘুড়কা শাখাটির পাশাপাশি চতুর্দিকে জনতা ব্যাংক,যমুনা ব্যাংক,ইসলামী ব্যাংক,ইউসিবি ব্যাংক,এশিয়া ব্যাংক,ডাচ বাংলা এজেন্ট ব্যাংক,সিটি ব্যাংক,ব্রাক ব্যাংকসহ অন্যান্য এনজিও ব্যাংক-বীমা প্রতিষ্ঠিত হলেও অগ্রণী ব্যাংক শাখাটি লেনদেন ও গ্রাহক সেবায় অনন্য নজির স্থাপন করেছে।তাই সলঙ্গার মুল পয়েন্ট হতে অনেক দূরে
ব্যাংকটি স্থানান্তর না করতে ইতিমধ্যেই ব্যাংক শাখার চলতি,স্থায়ী,সঞ্চয়ী,সিসি শতাধীক গ্রাহক ও ব্যবসায়ীমহল অগ্রণী ব্যাংক প্রধান কার্যালয়সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করেছেন।ব্যাংকের গ্রাহক (সি সি হিসাব নং-১৪৪) আব্দুস সালাম,(সি সি হিসাব নং- ৬৩) কে.এম আমিনুল ইসলাম,(সি সি হিসাব নং-৫৭) মোজাম্মেল হক,( সি সি হিসাব নং-১৪) মনিরুজ্জামানসহ অনেকেই জানান,অগ্রণী ব্যাংক শাখাটি স্থানান্তর করলে আমাদের চরম সমস্যার সৃষ্টি হবে এমনকি কুঠিপড়া এলাকা থেকে লেনদেনে জীবনের ঝুকি হয়ে দাঁড়াবে।রায়গঞ্জ,তাড়াশ-সলঙ্গা সংসদীয় আসনের এমপি ভিপি আয়নুল হক জানান,ব্যবসায়ী ও গ্রাহকদের লেনদেনের সুবিধার্থে ব্যাংকটি যেন স্থানান্তর না হয় সে জন্য অগ্রণী ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে সুপারিশ করেছি।তাই ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সরেজমিনে তদন্তপূর্বক “অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি” ঘুড়কা শাখাটি স্থানান্তর না করতে সলঙ্গার গ্রাহক ও ব্যবসায়ী মহল জোর দাবী জানিয়েছেন।