বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:৩৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :-
ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গড়তে মহানবীর আদর্শ অনুসরণ করতে হবে- ময়মনসিংহে ডিসি সাইফুর রহমান শাজাহানপুরে ৪৫ পিস ই/য়াবাসহ জামায়াতকর্মী পল্লী চিকিৎসক গ্রে/প্তার উজিরপুরে সাংবাদিককে প্রকৌশলী সুব্রত’র হুমকি ‘লা/শ পড়বে, চেয়ার ছাড়ব না’ ঘাগড়া বাড়েরা উচ্চ বিদ্যালয়ে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল শার্শার বসতপুরে ৯০ পিস ইয়া/বাসহ দুই কার/বারি গ্রেপ্তার পুলিশের বিশেষ অভিযানে তারাগঞ্জে তালিকাভুক্ত মা/দক কারবারি মোতাহার গ্রে/ফতার শাজাহানপুরে মা/দক সেবনের দায়ে ২০ দিনের কারাদণ্ড ‎আহ/তদের হাসপাতালে দেখতে এসে পুলিশের হাতে আ/টক ফতেহপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান যুবলীগ নেতা রাজন ভু-য়া পুলিশ পরিচয়ে ঘরে ঢুকে প্রবাসীর স্ত্রীকে ধ/র্ষণের চেষ্টা বার্থী তাঁরা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপিত

শার্শার ফিলিং স্টেশনে তেলের হা-হাকার: ৪ ঘণ্টা রোদে পু-ড়েও মিলছে না জ্বালা-নি, স্বজনপ্রীতি’র অ-ভিযোগ

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১৫৬ Time View

​আজিজুল ইসলাম, যশোর প্রতিনিধি: যশোরের শার্শা উপজেলার ফিলিং স্টেশনগুলোতে জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। প্রখর রোদ আর ভ্যাপসা গরমের মধ্যে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়েও মিলছে না কাঙ্ক্ষিত তেল। এর মধ্যে সাধারণ মানুষকে লাইনে দাঁড় করিয়ে রেখে প্রভাবশালী ও পরিচিতদের ‘ভিআইপি’ সুবিধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে, যা নিয়ে সাধারণ গ্রাহকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে।

​সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন ফিলিং স্টেশন ঘুরে দেখা যায়, তেল সংগ্রহের জন্য শত শত মানুষের দীর্ঘ লাইন। ট্রাক, ট্রাক্টর ও প্রাইভেট কারের পাশাপাশি সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন মোটরসাইকেল চালকরা। কাঠফাটা রোদে দীর্ঘ ৪-৫ ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থেকে অনেক চালক অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। অথচ পাম্প কর্তৃপক্ষের অব্যবস্থাপনার কারণে সময় দীর্ঘায়িত হচ্ছে ।

​ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, সাধারণ মানুষ নিয়ম মেনে দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থাকলেও কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি কোনো নিয়ম না মেনেই তেল নিয়ে চলে যাচ্ছেন। সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো, সেখানে দায়িত্বরত পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সাধারণ মানুষ। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, পুলিশ সাধারণ মানুষকে লাইনে আটকে রাখলেও পরিচিত বা প্রভাবশালী ব্যক্তিদের তেল নেওয়ার ক্ষেত্রে বিশেষ সহযোগিতা করছে।

​লাইন দাঁড়িয়ে থাকা এক ক্ষুব্ধ মোটরসাইকেল চালক বলেন:”আমরা টানা ৪ ঘণ্টা রোদে পুড়ে মরছি, তবুও তেল পাচ্ছি না। অথচ কিছু লোক এসে প্রভাব খাটিয়ে সবার আগে তেল নিয়ে যাচ্ছে। আমাদের কষ্ট দেখার কেউ নেই।”

​ফিলিং স্টেশন চত্বরে তৈরি হওয়া এই বিশৃঙ্খলা নিরসনে পাম্প কর্তৃপক্ষের কোনো কার্যকর ভূমিকা দেখা যায়নি। এই পরিস্থিতিতে স্থানীয় সচেতন মহল ও ভুক্তভোগী চালকরা দাবি জানিয়েছেন, ​অবিলম্বে তেলের সুষম বণ্টন নিশ্চিত করতে হবে।সিরিয়াল বজায় রাখার ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা আনতে হবে।​পুলিশ ও প্রশাসনের কঠোর নজরদারি বাড়াতে হবে যাতে সাধারণ মানুষ হয়রানির শিকার না হয়।

​এ বিষয়ে শার্শা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জানান, ফিলিং স্টেশনের নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত পুলিশ কর্মকর্তাদের কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তেল বিতরণে কোনো ধরনের স্বজনপ্রীতি বরদাশত করা হবে না। তিনি আরও বলেন, “সে যেই হোক, তাকে সাধারণ মানুষের কাতারে দাঁড়িয়েই তেল নিতে হবে। কেউ যদি স্বজনপ্রীতি বা নিয়মের ব্যত্যয় ঘটায়, তবে বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

​স্থানীয়দের মতে, দ্রুত এই অব্যবস্থাপনা বন্ধ না হলে সাধারণ মানুষের পুঞ্জীভূত ক্ষোভ বড় ধরনের উত্তোজনার জন্ম দিতে পারে। তাই জনভোগান্তি লাঘবে দ্রুত জেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ জরুরি।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved.©natunbazar24.com
Developed by: A TO Z IT HOST
Tuhin