শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ১২:৫৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :-
পানিতে ডু্বে ৫ শিশুর মৃ/ত্যুর হয়েছে- সকলের বয়স ৮- ১১ বছর চেক জালিয়াতির মা-মলা, ববির প্রশাসনিক কর্মকর্তা গ্রে-প্তার পদার্থবিজ্ঞানে পড়াশোনা করে প্রেসক্রিপশন, অ্যান্টিবায়োটিক দিয়ে অন্তঃসত্ত্বার সন্তান মা-রা যাওয়ার অভিযোগ মধুপুরে ইউপি চেয়ারম্যান-মেম্বার অ্যাসোসিয়েশনের নবনির্বাচিত কমিটির পরিচিতি সভা উজিরপুরে ভিটেমাটি ও পারিবারিক কবরস্থান উচ্ছেদের হুম-কি প্রকৌশলীর সুনামগঞ্জ পৌর শহরের আপ্তাব নগরে ওসির নেতৃত্বে মাদক বিরোধী গণমিছিল অনুষ্ঠিত ঠাকুরগাঁও ডিবির জালে সংঘবদ্ধ ডলার প্রতারক চক্র ও ভুয়া ডিবি সদস্য গ্রে-ফতার ময়মনসিংহে পুলিশ সুপারের কার্যালয় পরিদর্শন করলেন রেঞ্জ ডিআইজির সাহিত্যের আলোয় নতুন পথচলা, দক্ষিণবঙ্গ সাহিত্য পরিষদের গৌরনদী উপজেলা শাখার পূর্ণাঙ্গ কমিটি প্রকাশ তেলীগ্রাম বাজারে সংঘ-টিত ঘটনার ব্যাখ্যা দিলেন স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক নেতা বুলবুল

খোলাবোনা মাদ্রাসা সুপারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ মিছিল নিয়ে মিশ্রপ্রতিক্রিয়া

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬
  • ৬২ Time View

আলিফ হোসেন।।
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
রাজশাহীর পবার খোলাবোনা দাখিল মাদ্রাসা ও খোলাবোনা ফুরকানিয়া হাফেজিয়া মাদ্রাসার জমি, অর্থ ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে দীর্ঘদিন ধরে অনিয়মের অভিযোগ তুলে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছে সুপারের বিরুদ্ধে এলাকাবাসি প্রতিবাদ মিছিল ও স্মারকলিপি প্রদান করেছেন।সম্প্রতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে স্মারকলিপি প্রদান ও এলাকাবাসীর ব্যানারে উপজেলা পরিষদ চত্বরে মাদ্রাসা সুপারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ মিছিল করেছেন।তবে এনিয়ে স্থানীয় বয়োজ্যেষ্ঠ একাধিক ব্যক্তি অভিযোগ করে বলেন,রাজনৈতিক পরিচয়ের একটি প্রভাবশালী গোষ্ঠী মাদ্রাসার বিপুল পরিমাণ সম্পত্তির নিয়ন্ত্রণ নিতেই কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য-উপাত্ত্য ছাড়াই সুপারের বিরুদ্ধে মনগড়া অভিযোগ এনেছে।
এদিকে স্মারকলিপি ও প্রতিবাদ মিছিল নিয়ে পরস্পরবিরোধী বক্তব্য পাওয়া গেছে, এছাড়া জনমনেও মিশ্রপ্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে,উঠেছে সমালোচনার ঝড় বইছে, মুখরোচক নানা গুঞ্জন।
অভিযোগকারীদের দাবি প্রায় ৩৮ বছর ধরে খোলাবোনা দাখিল মাদ্রাসার সুপার মিকাইল হোসেন, কয়েকজন শিক্ষক-কর্মচারী ও বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের দোসর হিসেবে পরিচিত পরিচালনা কমিটির কয়েকজন সদস্য প্রতিষ্ঠান দুটির কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে আসছেন।
দাতা পরিবারের সদস্য ও তাঁদের পূর্বপুরুষেরা প্রতিষ্ঠান দুটির উন্নয়নের জন্য প্রায় ১০৫ বিঘা জমি দান করেছিলেন। তবে ওই সম্পত্তির বর্তমান অবস্থা, দখল, বার্ষিক আয়-ব্যয়ের হিসাব এবং ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে এলাকাবাসীকে কোনো স্বচ্ছ তথ্য দেওয়া হয়নি। এছাড়া কিছু জমি বিক্রি ও বিনিময়ের পাশাপাশি শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগের ক্ষেত্রে পাঁচ থেকে ছয় লাখ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে মাদ্রাসা সুপার মিকাইল হোসেন বলেন, তাঁর বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগগুলো সঠিক নয় সম্পুর্ন মিথ্যা, ভিত্তিহীন,কাল্পনিক ও উদ্দেশ্যেপ্রণোদিত। তিনি প্রতিষ্ঠানের কোনো সম্পত্তিও আত্মসাৎ করেননি। দীর্ঘ প্রায় ৩৮ বছর যাবত সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।
এদিকে স্থানীয়দের অভিমত দীর্ঘ ৩৮ বছর দায়িত্ব পালন করা সুপারের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ উঠেনি।কিন্ত্ত চাকরি জীবনের শেষ বছরে তার বিরুদ্ধে উঠা অভিযোগের সত্যতা কতটুকু রয়েছে সেটা নিয়ে জনসাধারণের মনে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।তারা বলছে,রাজনৈতিক পরিচয়ের একটি প্রভাবশালী গোষ্ঠী মাদ্রাসার সম্পদ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিতে সুপারকে ফাঁসিয়ে বসে আনতে এসব মনগড়া অভিযোগ উঙ্খাপন করেছেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও) ইবনুল আবেদীন বলেন, এলাকাবাসীর দেওয়া স্মারকলিপি গ্রহণ করা হয়েছে। উত্থাপিত অভিযোগ ও দাবিগুলো যাচাই করে দেখা হবে। প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট নথিপত্র পর্যালোচনার পাশাপাশি উভয় পক্ষের বক্তব্য নেওয়া হবে।#

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved.©natunbazar24.com
Developed by: A TO Z IT HOST
Tuhin