শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ০১:০০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :-
পানিতে ডু্বে ৫ শিশুর মৃ/ত্যুর হয়েছে- সকলের বয়স ৮- ১১ বছর চেক জালিয়াতির মা-মলা, ববির প্রশাসনিক কর্মকর্তা গ্রে-প্তার পদার্থবিজ্ঞানে পড়াশোনা করে প্রেসক্রিপশন, অ্যান্টিবায়োটিক দিয়ে অন্তঃসত্ত্বার সন্তান মা-রা যাওয়ার অভিযোগ মধুপুরে ইউপি চেয়ারম্যান-মেম্বার অ্যাসোসিয়েশনের নবনির্বাচিত কমিটির পরিচিতি সভা উজিরপুরে ভিটেমাটি ও পারিবারিক কবরস্থান উচ্ছেদের হুম-কি প্রকৌশলীর সুনামগঞ্জ পৌর শহরের আপ্তাব নগরে ওসির নেতৃত্বে মাদক বিরোধী গণমিছিল অনুষ্ঠিত ঠাকুরগাঁও ডিবির জালে সংঘবদ্ধ ডলার প্রতারক চক্র ও ভুয়া ডিবি সদস্য গ্রে-ফতার ময়মনসিংহে পুলিশ সুপারের কার্যালয় পরিদর্শন করলেন রেঞ্জ ডিআইজির সাহিত্যের আলোয় নতুন পথচলা, দক্ষিণবঙ্গ সাহিত্য পরিষদের গৌরনদী উপজেলা শাখার পূর্ণাঙ্গ কমিটি প্রকাশ তেলীগ্রাম বাজারে সংঘ-টিত ঘটনার ব্যাখ্যা দিলেন স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক নেতা বুলবুল

ঝালকাঠিতে যুবককে কু/পিয়ে হ/ত্যার অভিযোগ শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরু/দ্ধে

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১৫৩ Time View

‎মোঃ নাঈম মল্লিক,ঝালকাঠি প্রতিনিধি:

ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলায় মিলন (২৫) নামের এক যুবককে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে। শনিবার (৪ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার পশ্চিম আদাখোলা ঈদগাহ মসজিদ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত মিলন পশ্চিম আদাখোলা এলাকার তৈয়ব আলী হাওলাদারের ছেলে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাজাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নজরুল ইসলাম।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, মিলনের সঙ্গে তার স্ত্রী রোজিনা ও শ্বশুরবাড়ির লোকজনের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। শনিবার এ বিরোধ মীমাংসার কথা ছিল। এদিন দুপুরে পাশের একটি বাড়িতে দাওয়াতে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয়ে আদাখোলা ঈদগাহ মসজিদ এলাকায় পৌঁছালে দুর্বৃত্তরা তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। অভিযোগ রয়েছে, মিলনের শ্বশুর আউয়াল, শ্যালক মাসুম, রহিম ও রুবেল পরিকল্পিতভাবে এ হামলা চালিয়ে তাকে হত্যার পর ঘটনাস্থলেই ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় মিলনকে উদ্ধার করে রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের মা ও স্বজনরা এ হত্যাকাণ্ডের জন্য সরাসরি শ্বশুরবাড়ির লোকজনকে দায়ী করেছেন।
তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করে মিলনের স্ত্রী রোজিনা বলেন, “মিলনের সঙ্গে অনেকের শত্রুতা ছিল। আমার পরিবারের কেউ এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত নয়।”

রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. খালিদ হোসেন জানান, হাসপাতালে আনার আগেই মিলনের মৃত্যু হয়েছে। তার শরীরে ১০-১২টি ধারালো অস্ত্রের গভীর আঘাতের চিহ্ন ছিল এবং অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়।

রাজাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম বলেন, “কে বা কারা এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved.©natunbazar24.com
Developed by: A TO Z IT HOST
Tuhin