সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৪৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :-
ধর্ষ-ণের অভিযোগ, সন্তান জন্মের পর ৫০ হাজার টাকায় নবজাতক বি-ক্রির দাবি প্রধানমন্ত্রীর থেকে বেশি বরাদ্দ নেবার চেষ্টা করবেন আর সংসদের বাইরে গেলে ৭১ সালের রূপ ধারণ করবেন তা হবে না – পানি সম্পদ মন্ত্রী এ্যানি। পানি সম্পদ মন্ত্রী এ্যানির আগমনে বিএনপি নেতা আসলাম মন্ডলের নেতৃত্বে বিশাল মিছিল নড়াইলে দুইশত পিস ইয়া-বা ট্যাবলেটসহ দুইজন গ্রে-ফতার বাবুগঞ্জে রাজার খালের পাড়ের মাটি বিক্রির অভিযোগ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা ‎এস ডব্লিউ নিউজ ২৪ ডটকম এর ১৩তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত ‎পাইকগাছায় মরিয়ম ট্রেড কর্পোরেশনের রিটেইলার সম্মেলন অনুষ্ঠিত সলঙ্গা ইউনিয়ন যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপনে প্রস্তুতি সভা ভাঙ্গুড়ায় বিধবার মৃ-ত্যুর ঘটনায় অপপ্রচারের প্রতিবাদ ও রহস্য উদঘাটনের দাবিতে মানববন্ধন ক্ষেতলালে লোকসানের বোঝা মাথায় নিয়েই আগাম আলু চাষে ব্যস্ত কৃষক

সুজানগরে সংযোগ সড়ক ছাড়াই ২৫ বছর ধরে দঁাড়িয়ে আছে সেতু

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬
  • ৪৫ Time View

এম এ আলিম রিপন,সুজানগরঃ পাবনার সুজানগরে প্রায় ২৫ বছর আগে নির্মাণ করা একটি সেতুর সংযোগ সড়ক না থাকায় কোন ধরণের সুফল পা”েছনা এলাকাবাসী। শনিবার(২৪ অক্টোবর) সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার দুলাই ইউনিয়নের রামাকান্তপুর গ্রামে দঁাড়িয়ে একটি সেতু। দুই পাশ ফঁাকা। সেতুতে ওঠার জন্য নেই কোনো সংযোগ সড়ক। প্রায় ২৫ বছর আগে সেতুটি নির্মাণ করা হয়। কিন্তু দুই পাশে সংযোগ সড়ক না থাকায় এলাকার লোকজন সেতুর কোনো সুফল পাচ্ছেননা। সেতুটির উচ্চতা প্রায় ২২ ফুট। সেতুর পাশে চলাচলের নিচু রাস্তা। এ রাস্তা দিয়েই মানুষ মাঠে যাওয়া-আসা করেছেন। এলাকাবাসী ও স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গাজনার বিল বেষ্টিত এ গ্রামটি বৃষ্টির পানিতে প্রায় ৬ মাস জলাবদ্ধ থাকে। এরপর পানি নেমে গেলে মাঠে ফসল আবাদ শুরু হয়। এই মাঠ থেকে ফসল আনার জন্য স্থানীয় চাষিরা একটি সড়ক নির্মাণের দাবি জানান। এর পরিপ্রেক্ষিতে ২০০১ সালে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগ (এলজিইডি) ফঁাকা মাঠের মধ্যে প্রায় ১২ লাখ টাকা ব্যয়ে সেতুটি নির্মাণ করে। কিন্তু দীর্ঘদিন পরেও সেতুটির কোনো সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হয়নি। স্থানীয়রা জানান, বর্ষার সময় পানি বাড়লে বিল থেকে ফসল আনা নেওয়ার সুবিধার জন্য সেতুটি নির্মাণ করা হয়। এটি উপজেলার ঐতিহ্যবাহী গাজনার বিল থেকে ফসল আনা নেওয়ার একমাত্র মাধ্যম। কিন্তু সংযোগ সড়ক না থাকায় সেতুটি ব্যবহার করা যাচ্ছে না। তারা বলেন, সরকারের টাকা খরচ করে সেতু করেছে। কিন্তু সেতুর দুইপাশে কোনো রাস্তা নেই। এই সেতুতে আমাদের কোনো উপকার নেই। রামাকান্তপুর গ্রামের হাসেন শেখ (৫৫) নামের এক ব্যক্তি বলেন, সেতুটি যখন হয় তখন আমি যুবক ছিলাম। এখন অনেক বয়স। এত বছর খালি সেতুটি দেখেই গেলেম, কোনো কাজে লাগল না।স্থানীয় গ্রামের বাসিন্দা মাজেদা খাতুন বলেন, খালি খালি অকারণে বিলের মাঝে একটা ব্রিজ করে থুইছে। এই ব্রিজে আমাদের কোনো উপকার নেই। এ বিষয়ে রামাকান্তপুর গ্রামের জব্বার হোসেন বলেন, তঁাদের গ্রামসহ আরও কয়েকটি গ্রামের মানুষ সেতুর পাশের এই রাস্তা দিয়ে চলাচল করেন। বর্ষার সময় এ এলাকা ডুবে যায়। তখন নৌকা ব্যবহার করতে হয়। কিন্তু সেতু নির্মাণ করা হলেও সেতুটির সংযোগ সড়ক নেই। ফলে সেতুটিও কোনো উপকারে আসেনি। আর সেতুটি অনেক উঁচু। এ বিষয়ে শনিবার সুজানগর উপজেলা প্রকৌশলী জহুরুল ইসলাম বলেন, সেতুটি অনেক বছর আগে নির্মাণ করা হয়েছিল। এ বিষয়ে তঁার কিছু জানা নেই। তবে সেতুটি শিগগিরই পরিদর্শন করে এ বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়া হবে।

এম এ আলিম রিপন
সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved.©natunbazar24.com
Developed by: A TO Z IT HOST
Tuhin