
লেখকঃ মোঃ হায়দার আলী।। কি বিষয়ে লিখব, তা চিন্তা করছিলাম, শেষ পর্যন্ত ঠিক করলাম এবার কি কৃষির প্রাণ কৃষক ও তাদের উৎপাদিত ফসল কি লিখবো। এ বছর শুরুতেই জ্বলানী তেল সংকট, তেলের জন্য কৃষকদের পাম্প ও দোকানে লম্বা লাইনে অপেক্ষা করতে হয়েছে। এরপর এখন শুরু হয়েছে সার ও কীটনাশকের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে লাগামহীন মূল্য বৃদ্ধি, অবৈধভাবে সার মজুদরেখে হাজার হাজার বস্তা সার পাচার কিংবা বেশী দামে বিক্রি অভিযোগ উঠেছে। দেশের বিভিন্ন ও উপজেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাগণ, উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটগণ অভিযান পরিচালনা করে অবৈধভাবে রাখা বিপুল পরিমান সার জব্দ, কৃষকদের নিকট নির্ধারত মূল্যে বিক্রি ও লাখ লাখ টাকা করে জরিমানা করে প্রশাংসায় ভাসছেন ওই সব কর্মকর্তাগণ। এটা কি সার সঙ্কট না বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র জনমনে প্রশ্ন উঠেছে।
এছাড়া বিগত বছরগুলোর মতো,
প্রভাবশালী অসৎ পক্ষ কৃষক সেঁজে ধান, গম দিয়ে সরকারী খাদ্য গুদাম গুলি ভর্তি করেছেন। ধানের দাম কম হওয়ায় কৃষকদের মাথায়। কেন না বাংলার কৃষকেরা ধান চাষ করে ধান উৎপাদন করতে সার, বীজ, কীটনাশক, নিড়ানী, কৃষি শ্রমিক ইত্যাদিতে যে পরিমান ব্যয় করেন এবং বর্তমানে ধানের বাজার মূল্যেতে কি কৃষক লাভবান হবেন না ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে ধান চাষে আগ্রাহ হারাবেন সেটাই একটি মুখ্য বিষয়। তাছাড়া, একটি কুচক্রীমহল সারের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে কৃষকদের নিকট বেশী মূল্যে বিক্রি করে কৃষকদের সরকারের বিরুদ্ধে খেপিয়ে তোলার অপচেষ্টা করা অভিযোগ তুলছেন অনেক। এ ব্যপারে লিখার জন্য তথ্য উপাত্ত নিয়ে ল্যাপটপের সামনে বসলাম। এমন সময় স্থানীয়, জাতীয়, অনলাইন পত্রিকায় শিরোনামে দেখলাম হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর মিছিলে যোগ হচ্ছে অনেক শিশু, আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর পহর গুনছেন অনেকে তাই লিখার থিম পরিবর্তন করে এ বিষয়ে আল্লাহর নাম নিয়ে লিখা শুরু করলাম। দেখা যাক পাঠক ও ভুক্তভোগিদের কি উপকারে আসে।
মায়ের দুধ নবজাতকের জন্য আদর্শ পুষ্টিকর খাবার, যার প্রতিটি উপাদানই শিশুর বেড়ে ওঠার জন্য অত্যাবশ্যকীয়। এই দুধ সেবনে সংক্রামক ব্যাধির আক্রমণ অনেক কমে যায়। ফলে শিশুমৃত্যুর ঝুঁকি কমে যায়। মাতৃদুগ্ধ পানকারী শিশুদের মানসিক ও শারীরিক বিকাশ ঘটে পরিপূর্ণভাবে। মায়ের দুধে প্রায় ২০০ উপাদান রয়েছে, যা অন্য কোনো দুধে নেই। মায়ের বুকের দুধ শুধু যে শিশুমৃত্যুর হার কমায়, তা নয় বরং মায়ের স্বাস্থ্যের জন্যও তা উপকারী। শিশুর জন্য শালদুধ অতিপ্রয়োজনীয়। শিশু জন্মের পরপরই মায়ের বুকের যে হলুদ ও আঠালো দুধ নিঃসরণ হয়, সেটিই শালদুধ। জন্মের পর পাঁচ দিন পর্যন্ত এই শালদুধ নিঃসরণ হতে পারে। অজ্ঞতাবশত মায়েরা অনেক সময় শিশুকে তা পান না করিয়ে ফেলে দেন। যা ঠিক নয়। শালদুধ শিশুর জন্য প্রথম খাবার। এতে অধিক পরিমাণে প্রোটিন ও ভিটামিন থাকে। প্রিটার্ম বা সময়ের আগে জন্ম নেওয়া শিশুদের চাহিদা পূরণের জন্য এতে থাকে অধিক পরিমাণে ক্যালরি। বাচ্চার জন্মের পরপর জন্ডিস হওয়ার হাত থেকে এটি রক্ষা করে। শালদুধের ইমুনোগ্লোবিন শিশুর রোগ প্রতিরোধের জন্য অত্যন্ত জরুরি। শালদুধ ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়ার বিপক্ষে শিশুর প্রথম প্রতিষেধক। মায়ের দুধ পরিষ্কার, নিরাপদ এবং শিশুর জন্য উপযুক্ত তাপমাত্রায় নিঃসরণ হয়। ৬ মাস পর্যন্ত নবজাতকের পুষ্টিচাহিদা সম্পূর্ণরূপে পূরণ করে থাকে। মায়ের দুধে এমন উপাদান থাকে, যা শিশুকে ভাইরাস-ব্যাকটেরিয়ার হাত থেকে রক্ষা করে। সহজে হজম হয়।
মা ও শিশুর মধ্যে নিবিড় বন্ধন তৈরি করে।
পুষ্টিশূন্যতা থেকে রক্ষা করে ও শিশুমৃত্যুহার কমায়। মায়ের দুধ শিশুর বুদ্ধির বিকাশ ঘটায়। অপরদিকে মায়ের জরায়ু স্বাভাবিক আকারে দ্রুত ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করে প্রসব–পরবর্তী রক্তপাতের আশঙ্কা কমায়।প্রাকৃতিক জন্মনিয়ন্ত্রক হিসেবে কাজ করে।
মায়ের স্তন ও জরায়ু ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়। মায়ের অতিরিক্ত ওজন কমাতে সাহায্য করে। এককথায়, মায়ের দুধের কোনো বিকল্প নেই। শিশুদের সুস্বাস্থ্যের জন্য মায়ের বুকের দুধের বিকল্প নেই। জন্মের পর প্রথম ৪-৫ মাস একটি শিশুর বৃদ্ধির মূল উৎসই মায়ের দুধ। প্রসবের পরপরই শিশুকে শালদুধ দেওয়া অত্যন্ত জরুরি, যা প্রোটিনের সর্বোচ্চ ভাণ্ডার। জন্মের পর প্রথম ৬ মাস অন্য কোনো পানি বা খাবার দেওয়া যাবে না।মায়ের পুষ্টিকর খাবার নিশ্চিত করতে হবে। বিশেষ প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। মায়ের দুধ পানে সচেতনতা বাড়ানোর তাগিদ দিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে সিজারিয়ানের মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়া এবং সচেতনতার অভাবে অনেক শিশু শালদুধ ও মাতৃদুগ্ধ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
অনেক মা মনে করেন, শিশুকে বুকের পান করালে ফিগার নষ্ট হয়ে যায়, স্তনঝুলে যান এসব নানাবিধ কারণে শিশুকে বুকের দুধ পানে বিরত রেখে প্রক্রিয়াজাতকরণ দুধ পানে অভ্যস্ত করে তুলেন, ফলে শিশুদের দেহে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা দিন দিন কমতে থাকে। ‘জীবনের সূচনায় মাতৃদুগ্ধ পান: টেকসই উদ্যোগ করি বেগমান’ প্রতিপাদ্যে মাতৃদুগ্ধ পান বাড়াতে সচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে।
বিগত দিনে জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠানের নিষ্ক্রিয়তা, গ্রামের সাধারণ মানুষকে সচেতন করার মতো কার্যকর কোনো ধরনের সভা-সেমিনার করা হয়নি। এখন থেকে এক বছরের কর্মসূচি গ্রহণ করে প্রতি মাসে অন্তত একটি জেলায় গিয়ে সিভিল সার্জন, জেলা প্রশাসক ও উপজেলা লেভেলের কর্মকর্তাদের নিয়ে মাতৃদুগ্ধপানের প্রয়োজনীয়তা বোঝাতে হবে এবং তা পালনে বাধ্যতামূলক করতে হবে। এতে দেশের মানুষ সচেতন হবে এবং নিরাপদে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম গড়ে উঠতে সহযোগিতা করবে। সেইসঙ্গে কমে আসবে শিশু মৃত্যুর হার।
পুষ্টিবিদের মতে বাজারে প্রচলিত গুঁড়ো দুধের চেয়ে ঘরে তৈরি সুষম খাবার বাচ্চার জন্য অনেক বেশি উপযোগী। ছয় মাস পর থেকে চালের খুদ, ডাল, আলু ও শাক-সবজি দিয়ে তৈরি খিচুড়ি জাতীয় পথ্যই শিশুদের জন্য সেরা খাবার।
মায়েদের উদ্দেশে এক সেমিনারে বর্তমান স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হলেন সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন ( বকুল) বলেন, আল্লাহর দেওয়া মাতৃদুগ্ধের নিয়ামত থেকে যেন মায়েরা তাদের সন্তানদের কোনোভাবেই বঞ্চিত না করেন। মা যখন শিশুকে বুকে টেনে নেন, শিশু তখনই তার পরম নিরাপত্তায় কান্না থামায়। তাই কৃত্রিম বিকল্পের দিকে না গিয়ে শিশুদের প্রকৃতির এই স্বাভাবিক উপহার দেওয়া উচিত। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন হাম রোগীদের প্রসঙ্গ টেনে মন্ত্রী বলেন, পুষ্টিহীনতার কারণে শিশুদের শরীর দুর্বল হয়ে পড়ছে। অনেক মা নিজের অপুষ্টির দোহাই দিয়ে শিশুকে দুধ দেওয়া বন্ধ রাখেন, যা একেবারেই অনুচিত। অল্প বয়সে বিয়ে, অসচেতনতা এবং শিশুকে দুধ না দেওয়ার কারণেই পুষ্টিহীনতা বাড়ছে।
কয়েকটি জাতীয় দৈনিক, অনলাইন দেশে হামে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণকারী শিশুদের ৮২ শতাংশই জন্মের পর প্রথম ৬ মাস পর্যাপ্ত মায়ের বুকের দুধ পায়নি। একই সঙ্গে আক্রান্ত শিশুদের ৬৫ শতাংশই কোনো না কোনো মাত্রার অপুষ্টির শিকার ছিল। এর মধ্যে ১২ শতাংশ তীব্র অপুষ্টিতে এবং ৫৩ শতাংশ মাঝারি মাত্রার অপুষ্টিতে ভুগছিল। বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ইনস্টিটিউট ও আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র বাংলাদেশের (আইসিডিডিআর,বি) যৌথ গবেষণায় এমন তথ্য উঠে এসেছে। গত ১৯ আগষ্ট, ২৯২৬ খ্রিঃ বুধবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সভায় গবেষণার এ ফলাফল তুলে ধরা হয়। এ বছর মে মাস থেকে এখন পর্যন্ত হামে আক্রান্ত ও হাম সন্দেহে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া ৩৪১ শিশুর ওপর গবেষণাটি করা হয়েছে। এটি এখনো চলমান রয়েছে। গবেষণার মূল প্রবন্ধে বলা হয়, হামে আক্রান্ত শিশুদের ৪৩ শতাংশের বয়স ছিল ৩ থেকে ৯ মাসের মধ্যে। আক্রান্তদের ৩৮ শতাংশ জন্মের পর প্রথম ছয় মাস পূর্ণাঙ্গভাবে মায়ের বুকের দুধ পায়নি। চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যাওয়া শিশুদের ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত বুকের দুধ না পাওয়ার হার ছিল আরও বেশি। ৮২ শতাংশই শিশুই প্রথম ৬ মাস মায়ের দুধ খেতে পায়নি।
গবেষণায় আক্রান্ত শিশুদের পুষ্টিগত অবস্থা বিশ্লেষণে দেখা যায়, হামে আক্রান্ত শিশুদের ৬৫ শতাংশ অপুষ্টিতে ভুগছিল। তাদের মধ্যে ১২ শতাংশ শিশু তীব্র অপুষ্টি এবং ৫৩ শতাংশ মাঝারি মাত্রার অপুষ্টির শিকার ছিল।
গবেষকরা বয়স ও টিকা নেওয়ার তথ্যের ভিত্তিতে ৩৪১ শিশুকে চারটি দলে ভাগ করে বিশ্লেষণ করেন। নিয়মিত টিকা পাওয়ার বয়স হয়নি এমন ৯ মাসের কম বয়সি ১৪৬ শিশুর মধ্যে ১৪২ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে, যা ৯৭ দশমিক ৩ শতাংশ। অন্যদিকে, টিকা নেওয়ার বয়স হওয়ার পরও টিকা না পাওয়া ১২৬ শিশুর মধ্যে ১২২ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। এ হার ৯৭ শতাংশ।
এক ডোজ টিকা নেওয়া ৪৮ শিশুর মধ্যে ৪৪ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে, যা ৯২ শতাংশ। আর সুপারিশকৃত দুই ডোজ টিকা নেওয়া ২১ শিশুর মধ্যে ১৬ জনের শরীরে হাম নিশ্চিত হয়েছে। এ হার ৭৬ শতাংশ।
তবে গবেষকেরা স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, দুই ডোজ টিকা নেওয়া শিশুদের ৭৬ শতাংশ হামে আক্রান্ত হচ্ছে-গবেষণার এই তথ্যের অর্থ এমন নয়। কারণ গবেষণাটি সাধারণ জনগোষ্ঠীর ওপর পরিচালিত হয়নি; হাসপাতালে হাম সন্দেহে ভর্তি হওয়া নির্দিষ্ট শিশুদের ওপরই এটি পরিচালিত হয়েছে। ফলে দুই ডোজ টিকা নেওয়া ২১ সন্দেহভাজন শিশুর মধ্যে ১৬ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হওয়ার বিষয়টি আলাদাভাবে আরও অনুসন্ধানের প্রয়োজন রয়েছে।
গবেষণায় বলা হয়েছে, টিকা নেওয়ার পরও কিছু শিশুর শরীরে পর্যাপ্ত রোগ প্রতিরোধক্ষমতা তৈরি না হওয়া, সময়ের সঙ্গে অ্যান্টিবডির সুরক্ষা কমে যাওয়া, অপুষ্টি বা ব্যক্তিভেদে অন্যান্য স্বাস্থ্যগত কারণ সংক্রমণের পেছনে ভূমিকা রাখতে পারে।
গবেষণায় আক্রান্ত শিশুদের শরীরে শনাক্ত হওয়া হাম ভাইরাসের ধরনও বিশ্লেষণ করা হয়েছে। গবেষকেরা জানিয়েছেন, শনাক্ত হওয়া সব হাম ভাইরাসই বি৩ সাবক্লেডের অন্তর্ভুক্ত। বিশ্বের অন্যান্য দেশে শনাক্ত হওয়া বি৩ ভাইরাসের সঙ্গেও এসব ভাইরাসের মিল রয়েছে। পাশাপাশি ভাইরাসের এইচ (ঐ) প্রোটিনের অ্যান্টিবডি শনাক্ত করতে পারে এমন এপিটোপ (অ্যান্টিজেনিক নির্ধারক) অঞ্চলে চারটি পরিবর্তন বা মিউটেশন শনাক্ত করেছেন গবেষকেরা।
এদিকে গত মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে দেশে আরও চার শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে আরও ১ হাজার ১৮ জন। এ নিয়ে ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হাম ও উপসর্গে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ৯২২ জন। এর মধ্যে নিশ্চিত হামে মারা গেছে ৯৯ জন এবং হামের উপসর্গে মৃত্যু হয়েছে ৮২৩ জনের। বুধবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম পরিস্থিতি বিষয়ক প্রতিবেদন বলেছে, ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ১৮ জনের মধ্যে নিশ্চিত হাম আক্রান্ত ৮৭ জন। এ নিয়ে চলতি বছরে মোট নিশ্চিত হাম আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ১৮ হাজার ৭৬ জন। অন্যদিকে ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ মিলেছে ৯৩১ জনের শরীরে। এ নিয়ে ১৫ মার্চ থেকে ১৯ আগস্ট পর্যন্ত মোট হাম উপসর্গ দেখা গেছে ১ লাখ ৪৫ হাজার ৭১১ জনের মধ্যে।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, চলমান টিকাদান কার্যক্রম সঠিকভাবে চললে আগামী ২ থেকে ৩ মাসের মধ্যে বাংলাদেশে হামের প্রাদুর্ভাব ও মৃত্যু উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে। তবে পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনতে আরও কিছুদিন সময় লাগবে। বর্তমান সরকারের হাতে মৃত্যুর সংখ্যা ও আক্রান্ত যতদ্রুত কমে আসবে ততই মঙ্গল।
লেখকঃ মোঃ হায়দার আলী
গোদাগাড়ী, রাজশাহী।।