শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ১২:১৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :-
পানিতে ডু্বে ৫ শিশুর মৃ/ত্যুর হয়েছে- সকলের বয়স ৮- ১১ বছর চেক জালিয়াতির মা-মলা, ববির প্রশাসনিক কর্মকর্তা গ্রে-প্তার পদার্থবিজ্ঞানে পড়াশোনা করে প্রেসক্রিপশন, অ্যান্টিবায়োটিক দিয়ে অন্তঃসত্ত্বার সন্তান মা-রা যাওয়ার অভিযোগ মধুপুরে ইউপি চেয়ারম্যান-মেম্বার অ্যাসোসিয়েশনের নবনির্বাচিত কমিটির পরিচিতি সভা উজিরপুরে ভিটেমাটি ও পারিবারিক কবরস্থান উচ্ছেদের হুম-কি প্রকৌশলীর সুনামগঞ্জ পৌর শহরের আপ্তাব নগরে ওসির নেতৃত্বে মাদক বিরোধী গণমিছিল অনুষ্ঠিত ঠাকুরগাঁও ডিবির জালে সংঘবদ্ধ ডলার প্রতারক চক্র ও ভুয়া ডিবি সদস্য গ্রে-ফতার ময়মনসিংহে পুলিশ সুপারের কার্যালয় পরিদর্শন করলেন রেঞ্জ ডিআইজির সাহিত্যের আলোয় নতুন পথচলা, দক্ষিণবঙ্গ সাহিত্য পরিষদের গৌরনদী উপজেলা শাখার পূর্ণাঙ্গ কমিটি প্রকাশ তেলীগ্রাম বাজারে সংঘ-টিত ঘটনার ব্যাখ্যা দিলেন স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক নেতা বুলবুল

পাইকগাছায় বর্ষার শুরুতেই ডে/ঙ্গু আতঙ্ক, ২৩ দিনে হাসপাতালে ৬

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬
  • ৫৭ Time View

ইমদাদুল হক,পাইকগাছা (খুলনা) ।।
বর্ষা মৌসুমের শুরুতেই খুলনার পাইকগাছায় ডেঙ্গু নিয়ে তীব্র উদ্বেগ ও আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। গত ২৩ দিনে ডেঙ্গুর লক্ষণ নিয়ে অন্তত ৬ জন রোগী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন। দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে বাড়ি ফেরা মানুষের মাধ্যমে স্থানীয়ভাবে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় জনমনে নতুন করে শঙ্কা দেখা দিয়েছে। তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এখনই প্রশাসন ও পৌরসভার সমন্বিত উদ্যোগের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, বর্ষা শুরু হতেই জ্বর, তীব্র মাথাব্যথা, শরীর ব্যথা ও চরম দুর্বলতাসহ ডেঙ্গুর বিভিন্ন উপসর্গ নিয়ে রোগীরা হাসপাতালে আসছেন। আক্রান্তদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে উল্লেখ করে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আহসানারা বিনতে আহমেদ জানান, ঢাকা বা খুলনাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আগত মানুষের মধ্যে ডেঙ্গু সংক্রমণ থাকতে পারে। আক্রান্ত ব্যক্তিকে কোনো স্থানীয় এডিস মশা কামড়ালে সেই মশার মাধ্যমে অন্যদের মধ্যেও রোগটি ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি থাকে। তাই বাইরে থেকে আসা জ্বর আক্রান্ত ব্যক্তিদের বিষয়ে পরিবারকে সচেতন থাকতে হবে এবং দ্রুত পরীক্ষার ব্যবস্থা করতে হবে।
এদিকে ডেঙ্গুর ঝুঁকি জ্যামিতিক হারে বাড়লেও পাইকগাছার বিভিন্ন এলাকায় দৃশ্যমান কোনো মশক নিধন কার্যক্রম নেই বলে অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। বর্ষার পানিতে ড্রেন, নালা-নর্দমা, পরিত্যক্ত স্থান এবং যত্রতত্র ফেলে রাখা পাত্রে পানি জমে থাকায় মশার উপদ্রব বহুগুণ বেড়ে গেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, সন্ধ্যার পর অনেক এলাকায় সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক চলাচলও দুষ্কর হয়ে পড়েছে। শুধু ব্যক্তিগত সচেতনতার ওপর নির্ভর না করে উপজেলা প্রশাসন ও পৌরসভাকে দ্রুত মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান জোরদার করার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, বর্ষার শুরুতেই ২৩ দিনে ৬ জন রোগী ভর্তি হওয়া একটি বড় সতর্কবার্তা। এখনই যদি উপজেলা প্রশাসন, পৌরসভা ও স্বাস্থ্য বিভাগ সমন্বিতভাবে ড্রেন পরিষ্কার, জলাবদ্ধতা নিরসন এবং জনসচেতনতামূলক প্রচারণা জোরদার না করে, তবে আগামী দিনগুলোতে পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক রূপ নিতে পারে। একই সাথে বাসাবাড়িতে ৩ দিনের বেশি পানি জমতে না দেওয়া, ঘুমানোর সময় মশারি ব্যবহার করা এবং জ্বর হলে অবহেলা না করে দ্রুত হাসপাতালে গিয়ে পরীক্ষা করার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকেরা।

প্রেরকঃ
‎ইমদাদুল হক,
‎পাইকগাছা,খুলনা।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved.©natunbazar24.com
Developed by: A TO Z IT HOST
Tuhin