শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ০১:১৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :-
পানিতে ডু্বে ৫ শিশুর মৃ/ত্যুর হয়েছে- সকলের বয়স ৮- ১১ বছর চেক জালিয়াতির মা-মলা, ববির প্রশাসনিক কর্মকর্তা গ্রে-প্তার পদার্থবিজ্ঞানে পড়াশোনা করে প্রেসক্রিপশন, অ্যান্টিবায়োটিক দিয়ে অন্তঃসত্ত্বার সন্তান মা-রা যাওয়ার অভিযোগ মধুপুরে ইউপি চেয়ারম্যান-মেম্বার অ্যাসোসিয়েশনের নবনির্বাচিত কমিটির পরিচিতি সভা উজিরপুরে ভিটেমাটি ও পারিবারিক কবরস্থান উচ্ছেদের হুম-কি প্রকৌশলীর সুনামগঞ্জ পৌর শহরের আপ্তাব নগরে ওসির নেতৃত্বে মাদক বিরোধী গণমিছিল অনুষ্ঠিত ঠাকুরগাঁও ডিবির জালে সংঘবদ্ধ ডলার প্রতারক চক্র ও ভুয়া ডিবি সদস্য গ্রে-ফতার ময়মনসিংহে পুলিশ সুপারের কার্যালয় পরিদর্শন করলেন রেঞ্জ ডিআইজির সাহিত্যের আলোয় নতুন পথচলা, দক্ষিণবঙ্গ সাহিত্য পরিষদের গৌরনদী উপজেলা শাখার পূর্ণাঙ্গ কমিটি প্রকাশ তেলীগ্রাম বাজারে সংঘ-টিত ঘটনার ব্যাখ্যা দিলেন স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক নেতা বুলবুল

জৈষ্ঠের তৃষ্ণা মেটাচ্ছে সুস্বাদু তাল শাঁস

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬
  • ১১০ Time View

জি.এম স্বপ্না, সিরাজগঞ্জ :
প্রচন্ড গরম আর দাবদাহে যখন জনজীবন হাঁসফাঁস করছে,তখন সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা থানাজুড়ে মানুষের স্বস্তির অন্যতম ভরসা হয়ে উঠেছে কচি তালশাঁস।প্রকৃতির এই রসালো,সুস্বাদু ও ভেজালমুক্ত ফলের চাহিদা এখন তুঙ্গে।হাট-বাজার, গ্রামাঞ্চল থেকে শুরু করে গুরুত্বপূর্ণ সড়কের মোড়েও দেখা মিলছে মৌসুমী বিক্রেতাদের সাজানো তালশাঁসের পসরা।সরেজমিনে দেখা যায়,সলঙ্গা থানার ৬টি ইউনিয়নের বিভিন্ন হাট-বাজার ও জনবহুল এলাকায় সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত তালশাঁস বিক্রিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন মৌসুমীো ব্যবসায়ীরা।প্রচুর আমদানী থাকলেও প্রচণ্ড গরমে চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় দামও তুলনামূলক বেশি।
পাইকারী ব্যবসায়ী সেলিম হোসেন জানান,গত বছর ১০০টি তাল কিনতে যেখানে ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা খরচ হতো,সেখানে এবার একই পরিমাণ তাল কিনতে গুনতে হচ্ছে ৯০০ থেকে ১০০০ টাকা।ফলে খুচরা বাজারেও এর প্রভাব পড়েছে।বর্তমানে আকারভেদে প্রতিটি কচি তাল,যার ভেতরে থাকে তিনটি শাঁস,বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ৩০ টাকায়। আবার অনেক স্থানে প্রতি পিচ তালশাঁস ১০ টাকা দরে বিক্রি করতে দেখা গেছে।
সলঙ্গা বাজারের ক্রেতা নাসির উদ্দিন বলেন,গরমে তালশাঁস খেতে খুব ভালো লাগে।নিজেরা খাওয়ার পাশাপাশি পরিবারের ছোটদের জন্যও নিয়ে যাচ্ছি।এটি যেমন সুস্বাদু,তেমনি স্বাস্থ্যকর।আরেক ক্রেতা রবিউল ইসলাম বলেন,মেয়ের জন্য তালশাঁস কিনতে এসেছি।মৌসুমি ফল হিসেবে এটি বেশ পছন্দের।
বিক্রেতারা জানান,গরম যত বাড়ছে, তালশাঁসের বিক্রিও তত বাড়ছে। দুপুরের দিকে সবচেয়ে বেশি ভিড় লক্ষ্য করা যায়।অনেকেই পথ চলতে চলতে তালশাঁস খেয়ে শরীর ও মনকে কিছুটা হলেও প্রশান্তি দিচ্ছেন।
প্রচণ্ড গরমে এই সময়ে সলঙ্গার মানুষের কাছে কচি তালশাঁস যেন শুধু একটি মৌসুমী ফল নয়,বরং গরম থেকে স্বস্তি পাওয়ার এক প্রাকৃতিক ও সুস্বাদু উপায় হয়ে উঠেছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved.©natunbazar24.com
Developed by: A TO Z IT HOST
Tuhin