
সিরাজগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি :
সিরাজগঞ্জের “অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি” ঘুড়কা শাখার ব্যাংকিং সেবা (হিসাব-ঋণ) দীর্ঘদিন ধরে গ্রাহক সেবা দিয়ে সুনামের সাথে পরিচালিত হয়ে আসছে।সলঙ্গা থানা সদরের প্রাণ কেন্দ্র বহুতল আফিয়া-জামান কমপ্লেক্সের ২য় তলায় ১৮ বছর ধরে ব্যাংকটি অবস্থিত হওয়ায় নিরাপদে গ্রাহক ও ব্যবসায়ীদের লেনদেনে আশাতীত সুবিধা ভোগ করে আসছে।ব্যাংকটি বাজারের মুল পয়েন্ট ও চারদিকে অসংখ্য বড়বড় ব্যবসায়ী মার্কেটসহ জনবহুল এলাকায় অবস্থিত বলে গ্রাহকেরা কোন প্রকার ঝুঁকি ছাড়াই স্বাচ্ছন্দে লেনদেন কার্যক্রম চালিয়ে আসছেন।সলঙ্গার একটি স্বার্থান্বেষী মহলের প্ররোচনায় অগ্রণী ব্যাংক প্রধান শাখার কতিপয় অসাধু কর্মকর্তার যোগসাজসে সলঙ্গা বাজারের বাইরে ব্যাংকটি স্থানান্তরের চেষ্টা চলছে বলে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন দফতরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।ডিপোজিট গ্রাহকদের লিখিত অভিযোগ,মতামত ও সরেজমিন তদন্তের তোয়াক্কা করছেন না কতিপয় অসাধু কর্মকর্তারা।বাংলাদেশ ব্যাংক ও মন্ত্রণালয়ের একজন দায়িত্বপ্রাপ্ত সরকারি প্রতিনিধি হিসেবে যুক্ত অগ্রণী ব্যাংকের ডিরেক্টর সুলতান মাহমুদের অদৃশ্য ক্ষমতা বলে ব্যাংকটি স্থানান্তর হচ্ছে বলেও ভুক্তভোগীদের অভিযোগ উঠেছে।তিনি রক্ষকই ভক্ষক হয়ে সলঙ্গার অগ্রণী ব্যাংক শাখাটি স্থানান্তর করে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে ঠেলে দিচ্ছেন।একটি দায়িত্বশীল পদে থেকে তিনি রহস্যজনক ভুমিকায় এ ব্যাংকটিকে গ্রাহক শূন্য ও লেনদেনে ধ্বস নামানোর চেষ্টায় লিপ্ত রয়েছেন তা কারো বোধগম্য নয়।লেনদেনে ধ্বসনামাসহ গ্রাহক ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে নানা গুঞ্জন ও হতাশা শুরু হয়েছে।সলঙ্গা বাজারের মূল কেন্দ্রে অগ্রণী ব্যাংক ঘুড়কা শাখাটির পাশাপাশি চতুর্দিকে জনতা ব্যাংক,যমুনা ব্যাংক,ইসলামী ব্যাংক,ইউসিবি ব্যাংক,এশিয়া ব্যাংক,ডাচ বাংলা এজেন্ট ব্যাংক,সিটি ব্যাংক,ব্রাক ব্যাংকসহ অন্যান্য এনজিও ব্যাংক-বীমা প্রতিষ্ঠিত হলেও অগ্রণী ব্যাংক শাখাটি লেনদেন ও গ্রাহক সেবায় সর্বোচ্চ সুনাম বজায় রেখেই চলেছে।ব্যাংকের গ্রাহক (সি সি হিসাব নং-১৪৪) আব্দুস সালাম,(সি সি হিসাব নং- ৬৩) কে.এম আমিনুল ইসলাম,(সি সি হিসাব নং-৫৭) মোজাম্মেল হক,( সি সি হিসাব নং-১৪) মনিরুজ্জামানসহ অনেকেই জানান,অগ্রণী ব্যাংক শাখাটি স্থানান্তর করলে আমাদের লেনদেনে চরম সমস্যার সৃষ্টি হবে।গ্রাহকদের সুবিধার কথা বিবেচনা করে রায়গঞ্জ,তাড়াশ-সলঙ্গা আসনের এমপি ভিপি আয়নুল হক ব্যাংকটি যেন স্থানান্তর না হয় সে জন্য অগ্রণী ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে সুপারিশ করেছেন।এ বিষয়ে এজিএম- সিরাজগঞ্জ মাহবুব জানান,ব্যাংক স্থানান্তরের বিষয়ে আমি কিছু জানি না। এটি হেড অফিসের কাজ।ব্যাংকটি কেন স্থানান্তরের পায়তারা চলছে,এমন তথ্য জানতে অগ্রণী ব্যাংকের ডিরেক্টর সুলতান মাহমুদের (০১৭০১-২০৪৫০০) মোবাইলে চেষ্টা করা হলে বন্ধ পাওয়া যায়।তাই “অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি” ঘুড়কা শাখাটি পূর্বের স্থানে বহাল রাখতে সরেজমিনে তদন্ত পূর্বক অগ্রণী ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে সলঙ্গাবাসী জোর দাবী জানিয়েছেন।