রবিবার, ১৭ মে ২০২৬, ০৪:৩৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :-
অ-তিবৃষ্টির কারণে কুড়িগ্রামে ধান কেটে দিলেন ভিডিপি সদস্যরা নড়াইলে ই/য়াবা ট্যাবলেটসহ দুইজন গ্রে/ফতার ঝিনাইদহ পৌরসভার তৃতীয় শ্রেনীর কর্মচারী ক্যাশিয়ার জহুরুলের দু-র্নীতি পাহাড় ‎পাইকগাছায় স্ক্যাব রোগে আ/ক্রান্ত লতা আম দেখতে বাদামি ধুসর বর্ণ; বাজারে চাহিদা নেই জাতির সাথে গা/দ্দারি বে/ঈমানি করবেন না: রাজশাহীতে ডা: শফিকুর রহমান এমপি এপেক্স ক্লাব অফ গোপালগঞ্জের নব/নির্বাচিত কমিটির দায়িত্ব গ্রহণ ‎গৌরনদীতে প্রধানমন্ত্রীর ভার্চুয়াল উপস্থিতিতে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের উদ্বোধন: ৬১৩ পরিবার অ/ন্তর্ভুক্ত জরার্জীন ভবনে এতিম ও দুঃস্থ শিশুদের বসবাস গৌরনদীতে মা/দক প্রতি/রোধে ভূমিকা রাখায় আইন শৃংখলা কমিটির সভায় সম্মননা প্রদান সলঙ্গার অগ্রণী ব্যাংক স্থানান্তরে পরিচালকের অদৃশ্য শক্তির অভি/যোগ

‎পাইকগাছায় স্ক্যাব রোগে আ/ক্রান্ত লতা আম দেখতে বাদামি ধুসর বর্ণ; বাজারে চাহিদা নেই

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬
  • ১০ Time View

‎ইমদাদুল হক, পাইকগাছা (খুলনা)।।
‎পাইকগাছায় স্ক্যাব রোগে আক্রান্ত বোম্বাই লতা আমের রং বাদামি ধুসর বর্ণের হয়ে গেছে। লতা আম গাছের প্রায় সব আমের খোসা বাদামি ধুসর বর্ণের সফেদার মতন দেখতে হয়েছে। দেখলে মনে হয় আম গাছে সফেদা ধরেছে। আমের রং ধুসর হওয়ায় বাজারে চাহিদা কম। ধুসর বর্ণের লতা আমের চাহিদা না থাকায় বিক্রি হচ্ছে কম দামে। এতে আম চাষিরা ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছ।
‎খুলনার পাইকগাছা উপজেলার গদাইপুরের বোম্বাই লতা আম অর্থকরী ফসল হিসেবে বেশ জনপ্রিয় ছিলো। তবে এ লতা আমের সবুজ ছাল বা খোসা ধুসর বর্ণের হওয়ায় আমের ক্রেতা নেই। দাদযুক্ত লতা আমের চাহিদা নেই বাজারে, তাই কম দামে বিক্রি হচ্ছে। লতা আমের বাগান মালিক ও ব্যবসাহীরা আম নিয়ে বিপাকে পড়েছে। গাছ থেকে আম পাড়ার খরচ উঠছে না। এর ফলে গাছে আম নষ্ট হচ্ছে। লতা আমের বাগান মালিক গদাইপুরের মোবারক ঢালী বলেন, গাছে সার ঔষধ প্রয়োগ করার পরও লতা আমে ধুসর রঙের হয়েছে। দাগযুক্ত লতা আম কিনছে না। খুব কম দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। আম বিক্রি না হওয়ায় অনেক টাকার ক্ষতি হয়েছে।
‎কৃষি অফিস সুত্রে জানা গেছে, আম বাদামি ধুসর বর্ণের হওয়া এটা আমের দাদ রোগ বা স্ক্যাব রোগ। আমের স্ক্যাব রোগ হলে কচি আমের গুটি আক্রান্ত হয় ঝড়ে যায়। আক্রান্ত আমের খোসা বাদামি ধুসর বর্ণের হয়ে যায়, খোসা খসখসে ও কিছুটা ফাটাফাটা মনে হয় ছোট অবস্থায় আক্রান্ত হলে আম ঝরে পড়ে, বড় আমে আক্রমণ থাকলে পুরা আম ধুসর বর্ণে ঢেকে যায়। আমের রং ধুসর হওয়ায় বাজার দর কমে যায়।
‎খুলনার গদাইপুর এলাকার বোম্বাই লতা আমের ব্যাপক পরিচিতি ছিলো। লতা আম এ অঞ্চলে একটি অর্থকরী ফসল হিসেবে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিল। এক সময় ঢাকা শহরে সুন্দর গোল গোল বড় বোম্বাই লতা আমের ব্যাপক চাহিদা ছিলো। তবে লতা আমের মান নষ্ট হওয়ায় এর চাহিদা ও বিক্রি হচ্ছে না।
‎পাইকগাছা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মোঃ একরামুল হোসেন বলেন, বোম্বাই লতার বাদামি ধুসর বর্ণের হওয়া এটা আমের দাদ রোগ বা স্ক্যাব রোগ। আম গুটি অবস্থায় থাকতে কার্বেন্ডাজিম বা ম্যানকোজেব ২ গ্রাম / লি. হারে পানিতে মিশিয়ে ১৫ দিন পরপর ৩-৪ বার স্প্রে করলে আমের ধুসর রং থাকবে না আর ফলও ভালো পাওয়া যায়। ফল সংগ্রহ শেষ হলে গাছের মরা ডালপালা, ফলের বোটা, রোগ বা পোকা আক্রান্ত ডাল পালা ও অতিঘন ডালপালা ছাটাই করে পরিস্কার করে রাখতে হবে। পরিস্কার করার পর একঠি ছত্রাক নাশক ও একটি কীটনাশক দ্বারা পুরো গাছ ভালভাবে স্প্রে করতে হবে। তাহলে গাছ থেকে স্ক্যাব রোগমুক্ত আমের ভালো ফলন পাওয়া যাবে।


‎প্রেরকঃ
‎ইমদাদুল হক,
‎পাইকগাছা, খুলনা।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © natunbazar24.com
Developed by: A TO Z IT HOST
Tuhin