মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ১২:৫৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :-
ময়মনসিংহে প্রায় কোটি টাকার সরকারি জমি উদ্ধার করে বৃক্ষরোপণ করলেন জেলা প্রশাসক তারাগঞ্জে ১০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ যুবক গ্রেফ/তার আমশড়ায় মারুফ হ/ত্যাকারীর ফাঁ/সির দাবীতে মানববন্ধন র‌্যাব সদস্য হ/ত্যা মামলার তদন্তে প্রাপ্ত আ/সামি বাবুল সওদাগর গ্রেফ/তার প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ভাণ্ডারের আড়ালে কোটি টাকার পণ্য পাচার: বেনাপোলে কাস্টমস কর্মকর্তাসহ আ/টক ৩ উজিরপুরে ময়না শিশু পার্কে অ/বৈধ ঝুপড়ি ঘর ও অনিয়মের অভিযোগে মোবাইল কোর্ট অভিযান নি/ষিদ্ধ সংগঠনের আওয়ামী লীগের কর্মসূচির প্রতিবাদে উপজেলা ও পৌর বিএনপির বি/ক্ষোভ মিছিল জনগণের আস্থা ও ভালোবাসায় এগিয়ে চলেছেন চরকালেখান ইউনিয়নের স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী নুরুল হক খান কোটালীপাড়ায় অ/বৈধভাবে মাটি কাটার দায়ে দু’জনকে ৯০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রা/ম্যমাণ আদালত অস্ট্রেলিয়া পাঠানোর নামে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট লুট: তারাগঞ্জ ও কিশোরগঞ্জে র‍্যাবের অভি/যানে গ্রে/ফতার ২

নলছিটিতে দ/খলে নেওয়া জমি ও দোকান উ/দ্ধারের দাবি

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৪৯ Time View

ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ মোঃ নাঈম মল্লিক

ঝালকাঠির নলছিটিতে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের সময় সাবেক সেনা সদস্যর জমি ও ছয়টি দোকান জোর করে দখলে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ সম্পত্তি উদ্ধারের জন্য পুলিশ বিভাগসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা চেয়েছেন সেনা সদস্যর পরিবার। শুক্রবার সকাল ১১টায় নলছিটি প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে এ সহযোগিতা কমানা করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পড়ে শোনান সাবেক সেনা সদস্য মৃত আবুল কালাম আজাদের মেয়ে আইরিন সুলতানা। সংবাদ সম্মেলনে তাঁর মা ও ভাইসহ পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
লিখিত বক্তব্যে তিনি অভিযোগ করেন, তাঁর বাবা আবুল কালাম আজাদ সেনাবাহিনীতে চাকরি করতেন। তিনি অবসরে গেলে স্থানীয় বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হন। অবসরের টাকা দিয়ে তিনি নলছিটি শহরের প্রাণকেন্দ্র সাথির মোড়ে ১৯৯০ সালে পৈত্রিক ও লিজ নেওয়া জমিতে ছয়টি আধাপাকা স্টল নির্মাণ করেন। এই স্টল ভাড়া দিয়েই চলতো তাঁর সংসার ও ছেলে মেয়েদের পড়ালেখার খরচ। ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পরে ক্ষমতাসীন দলের লোকজন নিয়ে তাঁর জমি ও স্টল দখলে করে নেয় আলমগীর হোসেন খান নামে এক ব্যক্তি। এ ঘটনায় তিনি নলছিটি থানায় অভিযোগ ও একাধিকবার সাধারণ ডায়েরি করেও কোন সুফল পায়নি। বরংচ তখন উল্টো তাকে মারধর করা হয়। তাঁর পরিবারকে নানাভাবে ভয়ভীতি দেখান স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে আদালতে একাধিক মামলাও করেন আলমগীর হোসেন খান। সবগুলো মামলায় আদালত থেকে রায় পান আবুল কালাম আজাদ। এর পরেও তাকে দোকন ও জমি বুঝিয়ে দেওয়া হয়নি। পরিবারের ভবিষ্যত জীবিকার চিন্তায় দুঃখ, কষ্ট, ক্ষোভ নিয়ে ২০১০ সালে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পরে একাধিকবার এ বিষয়ে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও পুলিশের মাধ্যমে সালিস মিমাংসার কথা বললেও আলমগীর হোসেন খান কোন কাগজপত্র নিয়ে উপস্থিত হন না। তিনি জোর করে এখনো দোকান দখল করে আছেন। দোকানের আশেপাশে গেলেও গুম ও খুনের হুমকি দেন আবুল কালামের ভাড়াটে লোকজন। এ অবস্থায় জমি ও দোকান উদ্ধারে প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেছেন আইরিন সুলনাতানা।
এ ব্যাপারে জানতে অভিযুক্ত আলমগীর হোসেনের ফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি তা ধরেননি।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © natunbazar24.com
Developed by: A TO Z IT HOST
Tuhin