শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ১১:০৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :-
তানোরে একইদিনে বিএনপির দুই নেতা মফিজ ও মুনসুরের ই-ন্তেকাল তানোরে জাতীয় বি/প্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন সুজানগর পৌর যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক জাহিদ বিশ্বাসের উপর দু-র্বৃত্তের হা-মলা জিয়াউর রহমানের দেখানো পথ ধরেই বিএনপি দেশ ও জনগণের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে- এমপি সেলিম রেজা হাবিব রাতের আঁধারে পে/ট্রোল দিয়ে ব্যবসায়ীর বাড়িতে অ/গ্নিসংযোগের অভিযোগ মধুপুরে জাতীয় বি-প্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত সাংগঠনিক কর্ম/কাণ্ডে গতি আনতে দ্রুতই কাউন্সিলের পথে হাঁটছে ময়মনসিংহ জেলা এনসিপি গোদাগাড়ীতে বানিজ্য বিভাগে ২ জন শিক্ষক ১ জন ছাত্রকে পাস করা-তে পারেনি নড়াইলের ফুটবলার গোপাল হাজরা পঞ্চগড়ে বিপ্ল/ব ও সংহতি দিবস উপলক্ষ্যে বিএনপির শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

নড়াইলের ফুটবলার গোপাল হাজরা

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬
  • ৩৭ Time View

উজ্জ্বল রায়, নড়াইল থেকে:
নড়াইলর মুলিয়া ইউনিয়নের বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের ফুটবলার গোপাল হাজরার স্মৃতি কথা। গোপাল হাজরার (৭৫) বাড়ী নড়াইল সদর উপজেলার মুলিয়া ইউনিয়নের বালিয়াডাঙ্গা গ্রামে। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল থেকে জানান,
দারিদ্রের কষাঘাতে বেড়ে ওঠা এই মানুষটি ছিলেন তৎকালীণ পূর্ব পাকিস্তান আমলে দক্ষিণবঙ্গের একজন নাম করা ফূটবল খেলোয়াড়। খেলার মাঠে তার পজিশন ছিল ব্যাক । অর্থাৎ তিনি ছিলেন ডিফেন্সের খেলোয়াড়। তখন এবং বর্তমান সময়ে ক্রীড়াঙ্গণে তার সমকক্ষ্ খেলোয়াড় দেখা পাওয়া ভার। খেলায় প্রতিপক্ষ দলের আক্রমণগুলো ঠান্ডা মাথায় প্রতিহত করতে সিদ্ধহস্ত ছিলেন তিনি। তার দুই পা,মাথা চলতো বিদ্যুৎ গতিতে ।৫ ফুট ৬ ইঞ্চি উচ্চতা এই মানুষটি পায়ে কখনো বুট,হুজ,অ্যাংক্লেট,সেফগার্ড পড়তেন না। খালি পায়েই ফুটবল খেলতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করতেন। তবে তিনি শাড়ী কাপড়ের দুই পাশের পাইর কেটে তৈরি করতেন ব্যান্ডেজ। সেই ব্যান্ডেজ দুই পায়ের পাতা ও গিড়ায় পেচিয়ে মাঠে নামতেন।আজব এবং সাহসী এই ফুটবলারের বাবা ছিলেন বিহারী লাল হাজরা ,মা কাঞ্চনবালা। দুজনেই বেশ আগে গঙ্গা পেয়েছেন।
ফুটবল জীবনের স্মৃতিকথা বলতে গিয়ে গোপাল হাজরা বলেন,ছোটবেলায় ছোলম লেবু দিয়ে বল খেলা শিখেছি।খাটি দুপুরের সময় পরের গাছ থেকে ছোলম লেবু চুরি করে পাড়তাম । নড়াইল ভিক্টোরিয়া কলেজিয়েট স্কুলে ক্লাস সিক্সে লেখাপড়া করার সময় চামড়ার বলে খেলা করার সুযোগ হয়। তিনি বলেন,ক্লাস সিক্স থেকেই আমি ইন্টার স্কুলে ফুটবল খেলতে থাকি। ১৯৬৯ সালে তৎকালীণ পূর্ব পাকিস্তান আমলে বৃহত্তর যশোহর জেলার অর্ন্তগত নড়াইল মহকুমা(বর্তমানে জেলা)ইন্টার স্কুল ফুটবল প্রতিযোগিতায় এবং ঢাকায় অনুষ্ঠিত জাতীয় পর্যায়ে নড়াইল ভিক্টোরিয়া স্কুল চ্যাম্পিয়ন হলে দেশব্যাপী সাড়া পড়ে যায়। তিনি বলেন,ওই দলের সদস্য হয়ে ফুটবল খেলেছিলেন গোলকিপার আব্দুস ছাত্তার,ডিফেন্সে গোপাল হাজরা,নকুল সরকার, আব্দুল হামিদ, রকিব, আক্রমণভাগে যশোরের সাচ্চু, কায়জার, খুলনার রঘুরাম,মুনছুর অনেকে। এদের মধ্যে বেশিরভাগ খেলোয়াড় পৃথিবী থেকে বিদায় নিয়েছেন।
এর আগে ১৯৬৮ সালে নড়াইল মডেল স্কুল(বর্তমানে সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়) ইন্টার স্কুল ফুটবল প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে প্রথমে মহকুমা চ্যম্পিয়ন, পরে বৃহত্তর যশোর জেলা চ্যাম্পিয়ন, তারপরে তৎকালীণ পূর্ব পাকিস্তান চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে। তখন ভিক্টোরিয়া কলেজিয়েট স্কুলের প্রধান শিক্ষক ছিলেন, মো. মোসলেম উদ্দীন স‍্যার।

উজ্জ্বল রায়, নড়াইল থেকে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved.©natunbazar24.com
Developed by: A TO Z IT HOST
Tuhin