
মোঃ দেলোয়ার হোসেন বাবু,
জয়পুরহাট জেলা স্টাফ রিপোর্টার।।
জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলার মাহমুদপুর ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান মিলনের ও একাধিক বিএনপির নেতা বিরুদ্ধে খাল খন প্রকল্পের আওতায় খাস খতিয়ানের জমিতে থাকা একাধিক সরকারি গাছ বিক্রির অনুমতি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, প্যানেল চেয়ারম্যান হওয়ার পর থেকে মিলনের বিরুদ্ধে একাধিক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। তারা এ বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করেছেন।
এ ঘটনায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে অনুসন্ধান চলছে। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করা হচ্ছে। অনুসন্ধান শেষে বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে বলে জানা গেছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী দোষীদের বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
সচেতনতামূলক বার্তা, সরকারি গাছ কাটলে কী হবে?
খাস, সরকারি বা সড়ক ও নদীর পাড়ের গাছ জনগণের সম্পদ। অনুমতি ছাড়া এসব গাছ কাটা, বিক্রি বা কাটার অনুমতি দেওয়া দণ্ডনীয় অপরাধ।
কোন আইনে শাস্তি হবে, বন আইন, ১৯২৭ এর ২৬ ও ৩ ধারা, সরকারি বনভূমি বা সংরক্ষিত এলাকার গাছ অবৈধভাবে কাটলে ৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা, অথবা উভয় দণ্ড হতে পারে।
দণ্ডবিধি ১৮৬০ এর ৪০৯ ধারা, সরকারি কর্মকর্তা বা জনপ্রতিনিধি ক্ষমতার অপব্যবহার করে সরকারি সম্পদ আত্মসাৎ বা বিক্রির অনুমতি দিলে ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা জরিমানা হতে পারে।
পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৫, পরিবেশের ক্ষতি করে গাছ কাটলে অতিরিক্ত জরিমানা ও গাছের মূল্যের কয়েকগুণ ক্ষতিপূরণ আদায় করা হয়।
নাগরিকদের করণীয়, খাস জমি, খালপাড় বা সরকারি রাস্তার গাছ কেউ কাটতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইউএনও, বন বিভাগ বা ৯ এ জানান। গাছ লাগান, গাছ বাঁচান। একটা বড় গাছ, ১০ জনের অক্সিজেন।
বান শুদ্ধকরণ, খাস খতিয়ান, অনুমতি, অভিযোগ, অনুসন্ধান, নিরপেক্ষ, তদন্ত, চলছ।