বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ০৬:৪৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :-
কৃষকদের জীবনমান উন্নয়নে প্রণোদনাসহ সকল সুযোগ-সুবিধা দিচ্ছে সরকার: ওয়াহাব আকন্দ এমপি ময়মনসিংহে পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রশ্নপত্র বিভ্রাটে ফের বিতর্কে কাতলাসেন মাদরাসার অধ্যক্ষ দেলোয়ার হোসেন গৌরনদীতে মা/দক প্রতিরোধে ভূমিকা রাখায় আইন শৃংখলা কমিটির সভায় সম্মননা প্রদান রাজশাহী কা/রাগারে আধুনিকতার ছোঁ/য়া মহেশপুরে এনজিওর ঋণের টাকা ছিনতাই: ভাতিজাসহ ৩ ছি/নতাইকারী গ্রে/প্তার, উ/দ্ধার ৬ লাখ সুজানগরে মসজিদের জানালার গ্রিল কেটে ফ্যান মাইক সেট ও টাকা চু/রি পীরগঞ্জে জেলা প্রশাসক বলেন মা/দক বিক্রেতাদের ব্যবসা বন্ধ না করলে কেমথেরাপি দেয়া হবে গোপালগঞ্জে সরকারি জায়গা দখ/ল ও চাঁ/দাবাজির অভিযোগ পাইকগাছা পৌরসভাকে মডেল পৌরসভা গড়তে উন্নয়ন পরিকল্পনা সভা পাইকগাছায় বোরো ধান সংগ্রহের উদ্বোধন করলেন এমপি আবুল কালাম আজাদ

পঞ্চগড়ে চিকিৎসককে মা/রপিটের ঘটনায় দুই আসামী গ্রে/ফতার 

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১৮১ Time View

মোঃ বাবুল হোসেন পঞ্চগড় :

পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালের জরুরী বিভাগে কর্তব্যরত ডাঃ সঞ্জয় কুমার রায়কে মারপিটের ঘটনায় বেলাল হোসেন (৪১) ও নয়নকে (১৮) গ্রেফতার করেছে পুলিশ।পরে তাদেরকে আদালতে সোপর্দ করা হয়।শনিবার বিকালে সদর থানায় এক প্রেস বিফ্রিংয়ে এ তথ্য দেন অফিসার ইনচার্জ আশরাফুল ইসলাম।

তিনি বলেন,জরুরী বিভাগে কর্তব্যরত ডাঃ সঞ্জয় কুমার রায়, জিমি আক্তার নামে এক রোগীকে ভুল চিকিৎসা দেওয়ার মিথ্যা অপবাদ দিয়ে গ্রেফতার কৃত আসামীরা আক্রমন করে ও এলোপাতারীভাবে কিলঘুষি দেয়।বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পরলে ১৭ এপ্রিল হাসপাতালের প্রধান সহকারী কাম হিসাবরক্ষন বদিউজ্জামান বাদী হয়ে দুইজনসহ আরো ১০-১৫ জনকে অজ্ঞাত আসামী করে মামলা দায়ের করে।

আসামী বেলাল হোসেন সদরের ঝিটকিকুরা এলাকার গিয়াস উদ্দীনের ছেলে। নয়ন বেলাল হোসেনের ছেলে।আসামীরা একে অপরের পিতাপুত্র।

এজাহার সূত্রে জানা যায়,পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে গত ১৬ এপ্রিল সকাল ৮ টা থেকে রাত ৮ টা পর্যন্ত জরুরি বিভাগে ডাঃ সঞ্জয় কুমার রায় মেডিকেল অফিসার হিসেবে চিকিৎসা প্রদানের কাজে নিয়োজিত ছিল।দুপুরে সদরের রাজনগর এলাকার মশিউর রহমানের মেয়ে জিমি আক্তার (১৮) ভর্তি হয়ে চিকিৎসা গ্রহণ করছিল।বিকালে জিমি আক্তারের শশুর বেলাল হোসেনসহ ১০/১৫ জন উৎশৃঙ্খল ব্যক্তি আক্রমনাত্মক ভাবে জরুরী বিভাগে প্রবেশ করে, আসামী বেলাল হোসেন ডাঃ সঞ্জয় কুমার রায়কে বলে যে, আমি পেশায় একজন পল্লী চিকিৎসক। জিমি আক্তার কে যে স্যালাইনটি ভুল ভাবে পুশ করা হয়েছে এতে রোগির ক্ষতির কারন হতে পারে বলে ডাঃ সঞ্জয় কুমার রায়কে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও দুর্ব্যবহার করে সরকারী কাজে বাঁধা সৃষ্টি করে পরিস্থিতি অশান্ত করলে এরই একপর্যায়ে আসামীগণ চিকিৎসককে আক্রমন করে এলোপাতারি বুকে কিলঘুষি মারে।

আসামী বেলাল হোসেন বলেন,রোগির চিকিৎসা চলাকালীন সময়ে বেগতিক অবস্থা দেখে ঠিক থাকতে না পেরে এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাটি ঘটে এর জন্য আমি ক্ষমা চেয়েছি।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © natunbazar24.com
Developed by: A TO Z IT HOST
Tuhin