
এম এ আলিম রিপন:
গত ১০ এপ্রিল ২০২৬,ঢাকার শ্যামলীতে অবস্থিত পাবনার কীর্তিমান পুরুষ বিশ্ব বরেণ্য কিডনি রোগ বিশেষজ্ঞ ও সার্জন, স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত ব্যক্তিত্ব অধ্যাপক ডাঃ কামরুল ইসলাম পরিচালিত CKD হাসপাতালে বিশেষ একটি রাজনৈতিক দলের পরিচয়ে চাঁদাবাজি ও স্টাফদের মারপিটের ঘটনার প্রেক্ষিতে ১৩ এপ্রিল বিকালে অধ্যাপক ডাঃ কামরুল ইসলামের সাথে সাক্ষাৎ করেন শেকড় পাবনা ফাউন্ডেশনের সভাপতি খান হাবিব মোস্তফার নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল। পাবনা জেলার দায়িত্বশীল সামাজিক সংগঠন হিসেবে শেকড় নেতৃবৃন্দ যেকোনো সময় যেকোনো পরিস্থিতিতে তাঁর পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন। সাক্ষাৎ শেষে এক বিবৃতিতেশেকড় পাবনা ফাউন্ডেশনের সভাপতি খান হাবিব মোস্তফা বলেন, “রাজনৈতিক পরিচয়ধারী স্থানীয় সন্ত্রাসী গোষ্ঠী দীর্ঘদিন ধরে এই হাসপাতালে চাঁদা দাবি করে আসলেও প্রশাসন নীরব ভূমিকা পালন করে এসেছে। এটা অত্যন্ত দুঃখজনক। স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত গরিবের ডাক্তার খ্যাত এমন একজন বিশ্ববরেণ্য চিকিৎসকের প্রতিষ্ঠানে এই ঘৃণ্য চাঁদাবাজি এবং সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের তীব্র নিন্দা জানাই। আমাদের ভুলে গেলে চলবে না, ডাঃ কামরুল ইসলাম এ জাতির সম্পদ। এই জাতীয় সম্পদ রক্ষা এবং সমাজ বিরোধী চক্রকে যদি প্রতিহত করতে আমরা ব্যর্থ হই,তাহলে, সামাজিকভাবে এর নেতিবাচক প্রভাব হবে অত্যন্ত বেদনাদায়ক। আমরা এই ঘৃণ্য অপকর্ম বন্ধে অতিসত্বর চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে দেশব্যাপী অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি। সেই সাথে,যারা ইতোমধ্যেই গ্রেফতার হয়েছে, তারা যাতে কোন প্রকার রাজনৈতিক প্রশ্রয় লাভ করতে না পারে এবং আইনের ফাঁক-ফোঁকড় গলে বেরিয়ে আসার সুযোগ না পায়,সেদিকে সজাগ এবং আন্তরিক দৃষ্টি দিতে সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের প্রতি অনুরোধ করছি।”
প্রতিনিধি দলের সদস্যদের মধ্যে ছিলেন সংগঠনের সহ-সভাপতি মোঃ ফজলুর রহমান, পরিচালনা পর্ষদের সদস্য সহকারী অধ্যাপক ড. ওমর ফারুক সুজন,মোঃ নাজির হোসেন।