
ফুলবাড়ীয়া (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি:
ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়া উপজেলার এনায়েতপুর ইউনিয়নের কাহালগাঁওয়ে গত ৭ এপ্রিল রাতে সংঘটিত হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনাকে স্থানীয় বিএনপির দুই পক্ষের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের ফল বলে দাবি করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
রোববার (১২ এপ্রিল) আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে উপজেলা জামায়াতের আমীর মো. ফজলুল হক শামীম বলেন, সিপি নারিশ কোম্পানির মুরগির বিষ্ঠা ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ ও আর্থিক লেনদেনকে কেন্দ্র করে আখতারুল আলম ফারুক ও করীম সরকার গ্রুপের মধ্যে বিরোধ থেকেই এ সংঘর্ষের সূত্রপাত।
তিনি দাবি করেন, ওই সংঘর্ষে জামায়াত সমর্থকদের কয়েকটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ঘটনাস্থলে স্থানীয় কিছু সমর্থক জড়িয়ে পড়লেও পরিকল্পিতভাবে জামায়াতকে দায়ী করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
জামায়াত নেতারা আরও বলেন, ঘটনার পর দায় এড়াতে উপজেলা শ্রমিকদলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাইয়ুম বাদী হয়ে প্রায় আড়াইশ জনকে আসামি করে একটি ‘মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ মামলা দায়ের করেছেন।
তাদের দাবি, লুট হওয়া মালামালসহ বিএনপির দুই কর্মীকে স্থানীয় জনতা আটক করেছে। পাশাপাশি রাজনৈতিক প্রতিপক্ষরা তাদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে অপপ্রচার চালাচ্ছে এবং স্থানীয় সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মু. কামরুল হাসান মিলনের নামও এতে জড়ানো হচ্ছে।
এ ঘটনায় দায়ের করা মামলা প্রত্যাহার, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মুক্তি এবং নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়ে নেতারা বলেন, প্রকৃত দোষীদের চিহ্নিত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে।
সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, জামায়াত কখনো চাঁদাবাজি, দখল বা লুটপাটের রাজনীতিতে বিশ্বাসী নয় এবং এ ঘটনার সঙ্গে তাদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
এদিকে জামায়াত নেতারা অভিযোগ করেন, ক্ষতিগ্রস্ত রুহুল আমিনের স্ত্রী বাদী হয়ে মামলা করতে গেলেও পুলিশ তা গ্রহণ করেনি।