
নিজস্ব প্রতিবেদক :: ময়মনসিংহের সদর উপজেলার ১১নং ঘাগড়া ইউনিয়ন পরিষদের আগামী দিনের নেতৃত্ব নিয়ে ইউনিয়নজুরে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা। বিশেষ করে রাজপথের লড়াকু সৈনিক এবং পরিচ্ছন্ন রাজনীতিক হিসেবে পরিচিত মোঃ মুনজুরুল হক মুনজুকে ঘিরেই এখন আবর্তিত হচ্ছে ঘাগড়ার রাজনৈতিক সমীকরণ। দীর্ঘ রাজনৈতিক ক্যারিয়ার, ত্যাগের মহিমা এবং সাধারণ মানুষের সাথে নিবিড় সম্পর্কের কারণে ইউনিয়নবাসী তাকে আগামীতে ইউপি চেয়ারম্যান হিসেবে দেখার দাবি তুলছেন।
মুনজুরুল হক মুনজু ঘাগড়ার রাজনীতিতে এক অনন্য নাম। তিনি শহীদ জিয়ার আদর্শে গড়া এক জনবান্ধব ও তরুণ রাজনীতিবিধ। সাবেক রাষ্ট্র নায়ক শহীদ জিয়ার স্বপ্ন বাস্তায়নে দেশ নায়ক প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে ১১নং ঘাগড়া ইউনিয়নকে একটি মাদকমুক্ত আধুনিক ও সুখী সমৃদ্ধ ইউনিয়ন গড়ে তুলতে ইউনিয়ন পরিষদ সেবাকে স্বচ্ছ ও দুর্নীতি মুক্ত পরিবেশে জনকল্যাণে জনগণের দোরগোড়ায় পৌছে দিতে চান মুনজুরুল হক মুনজু। তিনি ১১নং ঘাগড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক হিসাবে সফল ভাবে দায়িত্ব পালন করায় পরবর্তীতে কোতোয়ালি থানা বিএনপির সহ সাধারণ সম্পাদক হিসাবে মনোনীত হন। ইউনিয়ন ও কোতোয়ালি পর্যায়ে রাজনৈতিক ভাবে দায়িত্ব পালন করে দলকে সাংগঠনিক ভাবে এগিয়ে নিতে ভূমিকা রেখেছেন। রাজনীতিতে শুরু করে ধাপে ধাপে নিজের যোগ্যতার প্রমাণ দিয়েছেন তিনি। পরবর্তীতে তাকে ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলাও বিএনপির সদস্য এবং ত্রাণ ও পুনর্বাসন সম্পাক হিসাবে দায়িত্ব দেয়া হয়। তিনি দলের দুঃসময়ে ফ্যাসিবাদ বিরোধী প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে রাজপথে ব্যাপক ভূমিকা রেখে মিথ্যা মামলায় হয়রানিসহ নির্যাতনের শিকার হন। তবুও পিছ পা না হয়ে দলীয় শৃঙ্খলার প্রতি অবিচল থেকে তিনি বারবার প্রমাণ করেছেন যে, পদের চেয়ে আদর্শই তার কাছে বড়। রাজনৈতিক পরিচয়ের বাইরেও একজন সফল ব্যবসায়ী ও ঠিকাদার হিসেবে জনপ্রিয়তা আকাশচুম্বী। তিনি কোতোয়ালি থানা যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক। যুব রাজনীতির মাধ্যমে স্থানীয় যুবকদের বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) পতাকাতলে ঐক্যবদ্ধ করে কোতোয়ালি যুবদলের রাজনীতিিকে মাঠপর্যায়ে শক্তিশালী করেছেন মুনজুরুল হক মুনজ।
ঘাগড়া ইউনিয়নের সুহিলা এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা হওয়ায় সাধারণ মানুষের সুখে-দুঃখে তাকে সবসময় পাশে পাওয়া যায়। এছাড়া অসংখ্য সামাজিক সংগঠনের সাথে জড়িত থেকে তিনি মানবিক সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন।
ঘাগড়া ইউনিয়নে বিএনপির দলীয় রাজনীতির ইতিহাসে মুনজুরুল হক মুনজুর অবদান অনস্বীকার্য। ছাত্রজীবন থেকে দীর্ঘ সময় ঘাগড়া ইউনিয়নে বিএনপিসহ বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের দায়িত্বে থেকে দলকে সাংগঠনিক ভাবে এগিয়ে নিয়েছেন তিনি।
বিগত আওয়ামী লীগের শাসনামলে তার দলীয় কার্যক্রমকে আতঙ্কিত হয়ে তাকে চরম দমন-পীড়ন ও রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হতে হয়েছে। জেল-জুলুম ও নির্যাতনের মুখেও তিনি আপসহীন থেকেছেন। এমনকি দলের বৃহত্তর স্বার্থে ইতিপূর্বেও দলীয় সিদ্ধান্তে অবিচল থেকে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়ে আনুগত্যের এক বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।
ঘাগড়া ইউনিয়নের উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রক্ষা এবং সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ে মুনজুর মতো অভিজ্ঞ ও সৎ নেতার বিকল্প নেই বলে মনে করছেন সচেতন নাগরিক সমাজ। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে শুরু করে চায়ের আড্ডা-সবখানেই এখন একই দাবি, ‘তৃণমূল থেকে উঠে আসা নেতাকেই ইউনিয়ন পরিষদের অভিভাবক হিসেবে দেখতে চাই।’
এলাকার বাসিন্দারা জানান, “তিনি কেবল একজন নেতাই নন, তিনি আমাদের সুখ-দুঃখের অংশীদার। তাকে চেয়ারম্যান হিসেবে পেলে ঘাগড়া ইউনিয়ন একটি আধুনিক ও মানবিক এলাকা হিসেবে গড়ে উঠবে।
সুত্র জানিয়েছে-মুনজুরুল হক মুনজু দীর্ঘদিন থেকে এলাকায় বিভিন্ন সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকায় আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ইউনিয়নে সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে বেশ আলোচনায় উঠে এসেছেন তিনি। ইউনিয়নের একজন স্থায়ী বাসিন্দা হওয়ায় সুখে-দুঃখে, বিপদে-আপদে, বন্যা-খরায় ইউনিয়নবাসীর পাশে দাঁড়িয়েছেন তিনি। যার ফলে এলাকার সাধারণ লোকজনও আগামীতে তাকে একজন প্রতিনিধি হিসেবে চাচ্ছেন। মানুষের এই চাওয়াকে প্রাধান্য দিয়ে তিনিও একজন সেবক হিসেবে জনগণের পাশে থাকার দৃঢ়প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। ইতিমধ্যে স্থানীয়দের কাছে সৎ, পরিশ্রমী ও জনবান্ধব একজন যুবক হিসেবে সুপরিচিত লাভ করেছেন তিনি।
এ প্রসঙ্গে মোঃ মুনজুরুল হক মুনজু বলেন, এলাকার গন্যমান্য ও প্রবীণ মুরব্বি এবং সাধারণ লোকজন তাকে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য আহ্বান করেছেন। মানুষের আগ্রহের প্রতি সম্মান জানিয়ে তিনিও সম্মত হয়েছেন। মানুষের সমর্থন এবং মহান রবের হুকুমে তিনি নির্বাচিত হতে পারলে, সরকারের বরাদ্দকৃত সকল সুযোগ-সুবিধা সুষম বণ্টনের মাধ্যমে দায়িত্ব পালন করবেন।
এছাড়াও সবাইকে সাথে নিয়ে অবহেলিত ও পিছিয়ে থাকা এই ঘাগড়াবাসীর কল্যাণে কাজ করবেন তিনি। জনগণের দোয়া, সমর্থন ও সহযোগিতা পেলে প্রতিনিধি নয়, একজন দায়িত্বশীল সেবক হিসেবে নিজেকে বিলিয়ে দিতে চান মুনজু।
এদিকে তরুণ ও উদ্যমী প্রার্থী হিসেবে মুনজুরুল হক মুনজু নির্বাচিত হলে স্থানীয় উন্নয়ন কার্যক্রমে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে ধারণা করছেন অনেকেই।