
পটিয়া প্রতিনিধি।।
পটিয়া উপজেলার শোভনদণ্ডী ইউনিয়নের রসিদাবাদ গ্রামে চলাচলের একটি কাঁচা রাস্তা জবরদখল করে কেটে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে। এতে স্থানীয় আরফা করিম উচ্চ বিদ্যালয়, রসিদাবাদ সরকারি প্রাইমারি বিদ্যালয়, রসিদাবাদ সুন্নিয়া দাখিল মাদ্রাসা, হেফজখানা ও এতিমখানার শিক্ষার্থীসহ শত শত গ্রামবাসী ভোগান্তিতে পড়েছেন।
জানা যায়, রসিদাবাদ গ্রামের ০২ নং ওয়ার্ডে আরফা করিম উচ্চ বিদ্যালয়ের পেছনে অবস্থিত এই কাঁচা রাস্তাটি দীর্ঘ ২০ বছর ধরে এলাকার মানুষ ও শিক্ষার্থীরা যাতায়াতের জন্য ব্যবহার করে আসছিলেন। তবে সম্প্রতি শোভনদন্ডী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সহ সভাপতি মুন্সি মিয়া টিপু নামের এক ব্যক্তি রাস্তার একাংশের মাটি কেটে নিজের জায়গায় ভরাট করেন। পরবর্তীতে গত ২২ আগস্ট তিনি ওই রাস্তায় কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে যাতায়াত সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেন। রাস্তাটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় শিক্ষার্থীরা প্রধান সড়ক ব্যবহার করতে বাধ্য হচ্ছে।
অভিভাবকরা জানান, কাঁচা রাস্তাটি কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে ঘেরাও দেওয়ার কারণে মানুষের ভোগান্তি বেড়েছে।
এ বিষয়ে মো: সাইফুর রহমান গ্রামবাসীর পক্ষে পটিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগে রাস্তাটির অবৈধ দখল উচ্ছেদ করে পুনরায় জনসাধারণ ও শিক্ষার্থীদের চলাচলের উপযোগী করা এবং দখলদার ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানানো হয়েছে।
আরফা করিম উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও বিএনপি নেতা মোরমেদ শফি হিরু বলেন, ছোট বেলা থেকে আমি নিজেও দেখে আসচ্ছি স্কুলের পিছনের এই কাঁচা রাস্তা। পাশ্ববর্তী একজন বাউন্ডারি দেওয়ার সময় স্কুলের ছাত্রদের চলাচলের জন্য কিছু জায়গা ছেড়ে দেওয়া হয়। অথচ বিএনপি নেতা মুন্সি মিয়া টিপু সেই জায়গা ও চলাচলের রাস্তাটি কেটে ফেলেছেন। যা অত্যন্ত দু:খজনক।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে বিএনপি নেতা মুন্সি মিয়া টিপু বলেন, আমি রাস্তা কেটে ফেলার বিষয়টি সম্পুর্ন মিথ্যা। মুলত ফ্যাস্টিটের ষড়যন্ত্রের শিকার। বিএনপির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে তারা অপপ্রচার চালাচ্ছে। কাঁচা রাস্তা যে সেটি প্রমাণ করতে পারলে যে শাস্তি দেন আমি ভোগ করবো।