
স্টাফ রিপোর্টারঃ
ময়মনসিংহে স্বচ্ছ-জনবান্ধব ও দুর্ণীতি মুক্ত জনপ্রশাসনকে জনকল্যাণে জনগণের দোরগোড়ায় পৌছে দিতে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরগুলোতে নিয়মিত পরিদর্শন করছেন ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনার এস এম হুমায়ুন কবির সরকার ও ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক মোঃ সাইফুর রহমান।
সেই ধারাবাহিকতায় বুধবার (১২ আগস্ট) দুপুরে ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনার এস এম হুমায়ুন কবির সরকার ও ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক মোঃ সাইফুর রহমান সদর উপজেলা প্রশাসনে পৌছলে তাদের ফুলের শুভেচ্ছায় বরণ করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার আরিফুল ইসলাম।
পরিদর্শন শেষে বিভাগীয় কমিশনার এস এম হুমায়ুন কবির সরকার ও ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক মোঃ সাইফুর রহমান উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে ১১ টি ইউনিয়নের মাঝে গাছের চারা বিতরণ, প্রতিবন্ধীদের মাঝে হুইল চেয়ার ও ট্রাই সাইকেল বিতরণ, দুস্থ মহিলাদের মাঝে সেলাই মেশিন ও বকনা গরু উপকার ভোগীদের মাঝে বিতরণ করেন।
একই দিনে বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসক ময়মনসিংহ সদর উপজেলা ভূমি অফিসের কার্যক্রম পরিদর্শন করেন এবং ভূমি অফিসের বর্ধিত অংশের নব নির্মিত ভবনের উদ্বোধন করেন। ভূমি অফিস পরিদর্শনকালে বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসক দাপ্তরিক কার্যক্রম, সেবা প্রদান প্রক্রিয়া, নথিপত্র সংরক্ষণ এবং অফিসের সার্বিক শৃঙ্খলা ও পরিবেশ পর্যালোচনা করেন। তারা কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় করে জনসেবাকে আরও গতিশীল, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিতামূলক করার নির্দেশনা প্রদান করেন।
উপজেলা ভূমি অফিস পরিদর্শনকালে বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসক নামজারি, ভূমি উন্নয়ন কর আদায়, রেকর্ড সংরক্ষণসহ ভূমি সেবা কার্যক্রমের সার্বিক অগ্রগতি পর্যালোচনা করেন এবং সেবার মানোন্নয়নে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। সেবাগ্রহীতাদের সঙ্গে মতবিনিময়ের মাধ্যমে তাদের সমস্যা ও মতামত গ্রহণ করে দ্রুত ও কার্যকর সেবা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
জেলা প্রশাসক সাইফুর রহমান সকল দপ্তরের কার্যক্রমে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, শৃঙ্খলা ও সেবার মানোন্নয়ন নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং সংশ্লিষ্ট সকলকে জনগণমুখী ও কার্যকর সেবা প্রদানে আরও সচেষ্ট হওয়ার নির্দেশনা প্রদান করেন।
এ সময় উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকের এমন পরিদর্শন কার্যক্রমকে প্রশংসায় ভাসিয়েছেন জেলার সচেতন মহল। তাদের প্রত্যাশা আগামীদিনে জেলার সকল উপজেলায় বিভাগীয় কমিশনার ও ডিসির এই পরিদর্শন প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকলে সরকারি কর্মকর্তাদের গণমুখী সেবার মান বৃদ্ধির পাশাপাশি স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত হবে।