শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:১৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :-
কুমিল্লা মনোহরগঞ্জে পদ না পেয়ে নিজের গালে জুতাপেটা ছাত্রদল নেতার বাংলাবাজার পত্রিকার সাংবাদিক জাহাঙ্গীর প্রধানকে প্রা-ণনাশের হু-মকি-আশুলিয়া থানায় জিডি আশুলিয়ায় ডিবি পুলিশ কর্তৃক ৫২ কেজি গাঁজাসহ একজন পেশাদার মাদক কারবারী গ্রে-ফতার একটি গাড়ী ‍উদ্ধার গোপালগঞ্জে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে পূজা মন্ডপ পরিদর্শন করেছেন ঢাকা রেঞ্জ ডিআইজি মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান  সন্তানের হাতের স্মার্টফোনই হতে পারে প্রিয় শিক্ষক, এআইনির্ভর শিক্ষায় পড়াশোনা হবে সহজ- ড. মো. শাহজামাল সাজু রাজশাহীতে ক্রিকেটারদের চু-রি হওয়া লাগেজ উদ্ধার ৪ জনকে আট-ক করেছে পুলিশ তানোরে ছাত্রলীগ-যুবলীগের ঝটিকা মশাল মিছিলের ভিডিও ভাইরাল দুর্গোৎসবে বিশৃঙ্খলা রোধে বাড়তি সতর্কতার আহ্বান প্রতিমন্ত্রী নুরুল হকের স্বাধীনতার ৫৪ বছরে নদীভাঙনে বিলীন হয়েছে বহু ঘরবাড়ি ও স্থাপনা: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী পার্বতীপুরে কোকো ক্রীড়া সংসদের বেলাইচণ্ডী ইউনিয়ন কমিটি গঠন

‎পাইকগাছায় ডেঙ্গুর প্রকোপ বৃদ্ধি;এক মাসে ৪৯ ডেঙ্গু রোগী শনা/ক্ত

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৬০ Time View

ইমদাদুল হক,পাইকগাছা (খুলনা) ।।
‎খুলনার পাইকগাছায় ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ছে। আগস্ট মাসে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৪৯ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন, যা আগের মাসের তুলনায় তিন গুণেরও বেশি। বর্তমানে হাসপাতালে ১৪ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি আছেন। তাঁদের মধ্যে নয়জনকে নির্ধারিত শয্যা না থাকায় মেঝেতে রেখে চিকিৎসা দিতে হচ্ছে।
‎স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের মে মাসে ৬ জন, জুনে ৪ জন, জুলাইয়ে ১৫ জন এবং আগস্টে ৪৯ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হন। গত ৩১ আগস্ট পর্যন্ত এ সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭৪ জনে।
৫০ শয্যার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বিভিন্ন রোগে প্রতিদিন গড়ে ১০০ থেকে ১২০ জন রোগী ভর্তি থাকেন। এর মধ্যে ডেঙ্গু রোগীদের জন্য নির্ধারিত শয্যা মাত্র পাঁচটি। ফলে রোগীর সংখ্যা বাড়তে থাকায় চিকিৎসাসেবা দিতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে বাড়তি চাপ সামলাতে হচ্ছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আহসানারা বিনতে আহমেদ ময়না বলেন, হাসপাতালে প্রতিদিন ১০ থেকে ১২ জন রোগী ডেঙ্গুর উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হচ্ছেন। এখনই মশক নিধন কার্যক্রম জোরদার ও জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা না হলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে।
তিনি বলেন, চিকিৎসক ও জনবল সংকট থাকা সত্ত্বেও রোগীদের সর্বোচ্চ সেবা দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে শুধু স্বাস্থ্য বিভাগের উদ্যোগ যথেষ্ট নয়। পৌরসভা, স্বাস্থ্য বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।
এদিকে পাইকগাছা পৌরবাসীর অভিযোগ, ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়লেও চলতি মৌসুমের শুরু থেকে পৌর এলাকায় মশক নিধনে তেমন কোনো কার্যক্রম চোখে পড়েনি। বিভিন্ন ড্রেন, নালা ও মশার প্রজননস্থল অপরিষ্কার থাকায় মশার উপদ্রব বেড়েছে।পৌরবাসীরা বলছেন, শুধু ওষুধ ছিটালেই হবে না। ড্রেন ও নালা পরিষ্কার, জমে থাকা পানি অপসারণ এবং মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে নিয়মিত কার্যক্রম চালাতে হবে। পাশাপাশি প্রতিটি ওয়ার্ডে জনসচেতনতামূলক প্রচার বাড়ানো দরকার।
পৌরসভার সচিব লালু সরদার বলেন, চলতি মৌসুমে মশক নিধনের জন্য এখনো সরকারি বরাদ্দ পাওয়া যায়নি। তবে সরকারি বরাদ্দের অপেক্ষায় না থেকে পৌরসভার নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় গত ৩০ আগস্ট থেকে বিভিন্ন ওয়ার্ডে মশক নিধনের ওষুধ স্প্রে শুরু করা হয়েছে।
পাইকগাছা পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াসিউজ্জামান চৌধুরী বলেন, সরকারি বরাদ্দ না এলেও পরিস্থিতি বিবেচনায় পৌরসভার নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় মশক নিধন কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। বিভিন্ন ওয়ার্ডে ওষুধ ছিটানো হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, ডেঙ্গুর সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে এখনই প্রতিটি ওয়ার্ডে নিয়মিত মশক নিধন কার্যক্রম চালাতে হবে। পাশাপাশি বাড়ি ও আশপাশে পানি জমতে না দেওয়া এবং মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে নাগরিকদেরও সচেতন করতে হবে। তাঁদের আশঙ্কা, সময়মতো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া না হলে সামনে ডেঙ্গু পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে।

‎প্রেরকঃ
‎ইমদাদুল হক,
‎পাইকগাছা,খুলনা।
‎
‎

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved.©natunbazar24.com
Developed by: A TO Z IT HOST
Tuhin