
স্টাফ রিপোর্টারঃ
ময়মনসিংহ সদরের ১১নং ঘাগড়া ইউনিয়ন পরিষদের সার্বিক উন্নয়ন ও সাধারণ মানুষের জীবনমান বৃদ্ধি এবং এলাকার মানুষের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা মাদক ও সন্ত্রাস মুক্ত প্রত্যাশাকে সামনে রেখে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন ওই ইউনিয়নের সর্বস্তরের মানুষের প্রিয় মুখ ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা যুবদলের সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক, তারেক জিয়ার আদর্শের অনুসারী মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন মন্ডল।
আব্দুল্লাহ আল মামুন মন্ডল সদর উপজেলার ১১নং ঘাগড়া ইউনিয়নের ৩ নংওয়ার্ডের চার ঘাগড়া গ্রামের
রহিম মন্ডল এর বাড়ীর এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে সন্তান। তিনি ময়মনসিংহের ঐতিহ্যবাহী কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শহীদ জিয়াউর রহমান টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কলেজ থেকে এইচএসসি
পাস করেন। পরে ময়মনসিংহ মহাবিদ্যালয়ে (আক্তারুজ্জামান কলেজ) এ স্নাতক শ্রেণীতে ভর্তি হলেও ইউনিয়নের মাটি ও মানুষকে ভাল বেশে জনসেবা মূলক কাজে জড়িয়ে পড়েন। চাকুরি নেয়ার সুযোগ থাকা সত্তেও তিনি চাকুরি না নিয়ে এলাকার মানুষের পাশে থেকেই জনপ্রতিনিধি না হয়েই সেবা দিয়ে যাচ্ছেন এবং জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত মানুষকে ভালবেশে সেবা করতে চান জনপ্রিয় এই যুবনেতা।
চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আব্দুল্লাহ আল মামুন মন্ডল বলেন, তিনি চেয়ারম্যান হতে পারলে একটি উন্নত, সমৃদ্ধ ও জনবান্ধব ইউনিয়ন গড়ে তুলতে পরিকল্পিত উন্নয়ন, স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং জনসাধারণের মতামতকে গুরুত্বের সাথে দেখবেন তিনি। এ ছাড়াও তিনি মনে করেন ইউনিয়ন পরিষদ হচ্ছে গ্রামীণ জনপদের মানুষের নাগরিক সেবা পাওয়ার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান এর অন্য কিছু বিকল্প ভাবছেননা তিনি।
তিনি আরো বলেন, এলাকার রাস্তাঘাটের উন্নয়ন, যোগাযোগ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষার পরিবেশ উন্নত করা এবং সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার মতো বিষয়গুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া প্রয়োজনের কথাও বলেন তিনি।।
ঘাগড়া ইউনিয়নের সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা ,রেখে বলেন, ইউনিয়ন পরিষদ হবে সবার জন্য উন্মুক্ত একটি জনকল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠান, যেখানে ধনী-গরিবের ভেদাভেদ না করে প্রতিটি মানুষ সমান গুরুত্ব ও মর্যাদা পাবেন তারা বিশেষ করে দরিদ্র, অসহায়, দিনমজুর ও সুবিধাবঞ্চিত পরিবারের মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং সরকারি সুযোগ-সুবিধা প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার বিষয়টি স্থানীয় উন্নয়নের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে দেখবেন তিনি। এ ছাড়াও এলাকার সার্বিক উন্নয়নের ক্ষেত্রেও তরুণ সমাজের কর্মসংস্থান, খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের প্রসার, মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত সামাজিক পরিবেশ গড়ে তোলা সহ পারস্পরিক সম্প্রীতি বজায় রাখার বিষয়েও কার্যকর উদ্যোগ ও ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডের মানুষের সমস্যা ও সম্ভাবনাকে বিবেচনায় নিয়ে উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হলে একটি ভারসাম্যপূর্ণ ও টেকসই উন্নয়নের পথ তৈরি হতে পারে এমন মন্তব্য করেন চেয়ারম্যান প্রার্থী আব্দুল্লাহ আল মামুন মন্ডল।
চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মামুন মন্ডলের আদর্শিক কার্যক্রমকে ঘিরে এলাকার উন্নয়ন ও জনসেবার প্রত্যাশার প্রতিশ্রুতিকে সাদুবাদ জানিয়ে আলোচনার ঝড় বইছে।
ইউনিয়নের সাধারণ ভোটারদের ধারনাা এই ইউনিয়নের উন্নয়ন নিশ্চিত ও সৌন্দর্য বাস্তবায়ন করতে মামুন মন্ডলের বিকল্প অন্য কিছু নাই। তাই ইউনিয়নবাসীর প্রত্যাশা পুরনে আগামী দিনে মামুন মন্ডলকে বিপুল ভোটে নির্বাচিত করে এলাকার মানুষের সমস্যা লাগব করবেন।
সবশেষে চেয়ারম্যান প্রার্থী আব্দুল্লাহ আল মামুন মন্ডল বলেন, জনসাধারণের মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে পরিকল্পিত উন্নয়ন বাস্তবায়নে যথাযথ মর্যদা ও গুরুত্ব সহকারে ঘাগড়া ইউনিয়নকে একটি পরিচ্ছন্ন, নিরাপদ, সমৃদ্ধ ও জনবান্ধব ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলবেন তিনি।
আব্দুল্লাহ আল মামুন মন্ডল ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা যুবদলের সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তিনি এলাকার মানুষের পাশে থেকে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।
তার নির্বাচনী প্রচারণার মূল লক্ষ্য হচ্ছে—রাস্তাঘাট ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন, মাদক ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে অবস্থান, পরিচ্ছন্ন ও আধুনিক ইউনিয়ন গঠন, যুবসমাজের কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং অসহায়, দরিদ্র ও বয়স্ক মানুষের পাশে দাঁড়ানো। পাশাপাশি শিক্ষা ও সামাজিক উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখার প্রত্যাশাও তুলে ধরেছেন তিনি।
মামুন মন্ডল মনে করেন, জনগণের প্রত্যাশা পূরণে একটি জনবান্ধব স্থানীয় সরকারব্যবস্থা গড়ে তোলা জরুরি। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে তিনি ঘাগড়া ইউনিয়নের সর্বস্তরের মানুষের দোয়া, ভালোবাসা ও সমর্থন কামনা করছেন।
তিনি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে ইউনিয়নের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং জনসাধারণের অংশগ্রহণকে গুরুত্ব দেওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন বলে তার নির্বাচনী প্রচারণায় উল্লেখ করা হয়েছে।
ঘাগড়া ইউনিয়নের মানুষের প্রত্যাশা মামুন মন্ডলের মতো একজন সৎ ও যোগ্য প্রার্থী নির্বাচিত হলে, ইউনিয়নের মানুষের কল্যানে কাজ করবেন।