
আজিজুল ইসলামঃ যশোরের শার্শায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে প্রতারক চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেফতার করেছে শার্শা থানা পুলিশ। এ সময় তাঁদের হেফাজত থেকে নগদ ২ লাখ ৭৬ হাজার টাকা এবং প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) গভীর রাতে শার্শা থানার এসআই (নিঃ) মো. মোস্তাক আহম্মদের নেতৃত্বে পুলিশের একটি চৌকস দল বাগুড়ী গ্রামস্থ মাস্টারপাড়ার মো. আক্কাস আলী মাস্টারের ভাড়া বাড়িতে এ অভিযান পরিচালনা করে। রাত আনুমানিক ১২:৫০ ঘটিকায় ওই বাড়ির নিচতলার একটি কক্ষ থেকে অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গ ও প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ করার অপরাধে তিনজনকে হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন— ঝিনাইদহের কালিগঞ্জ থানার বালাকান্দা গ্রামের আয়ুব আলীর ছেলে মো. হাবিবুর রহমান (৫০), একই থানার পাচ কাহনিয়া গ্রামের মৃত আমীন উদ্দীন তরফদারের ছেলে মো. বকুল হোসেন (৫০) এবং যশোরের শার্শা থানার রামপুর (গোলদারপাড়া) গ্রামের মৃত ছাফেদ আলী মন্ডলের ছেলে মো. রেজাউল হোসেন (৬০)।
অভিযানকালে আসামীদের কাছ থেকে জব্দতালিকা মূলে ১,০০০ টাকার ২৭৬টি নোটে সর্বমোট ২ লাখ ৭৬ হাজার টাকা, ৩টি পুরাতন ব্যবহৃত স্মার্টফোন, ১,০০০ টাকার নোটের মাপের ৮টি কাচের টুকরা, ২টি লাল সালুক কাপড়, ২টি লাল রঙের ব্যবহৃত কাটিং সুতা এবং ১টি পুরাতন ব্যবহৃত নীল রঙের হ্যান্ডব্যাগ উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত আসামীরা দীর্ঘদিন ধরে পরস্পর যোগসাজশে প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের টাকা-পয়সা আত্মসাৎ করে আসছিল। চক্রটি পুনরায় একই ধরনের অপরাধ সংঘটনের প্রস্তুতি নিচ্ছিল। উদ্ধারের পর ধারণা করা হচ্ছে, কাচের টুকরা, লাল কাপড় ও সুতা এগুলো তাদের প্রতারণার বিশেষ কৌশল হিসেবে ব্যবহৃত হতো।
এ বিষয়ে শার্শা থানায় সংশ্লিষ্ট আইনে একটি নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।