
মোঃ হামিদার রহমান নীলফামারীঃ চলে যায় যদি কেউ বাঁধন ছিড়ে, কাঁদিস কেন মন, হাসি মুখে দিতেছি বিদায় ফিরে না আসিবে আর, আপনার নীলফামারী জেলার দাপ্তরিক কর্মকান্ডের উন্নয়নের ধাঁধা গুলি আমাদের মনে পরবে বারংবার।
সংস্কৃতি আর কর্মের স্মৃতি গুলো ভাসবে বিদায়ে স্মৃতির পাতায়।
কিছু বিদায় শুধু একজন কর্মকর্তার বিদায় নয়—কিছু বিদায় একটি প্রতিষ্ঠান, একটি অঙ্গন এবং অসংখ্য মানুষের হৃদয়ে শূন্যতা তৈরি করে।
জেলা প্রশাসক ও সভাপতি, জেলা শিল্পকলা একাডেমি, নীলফামারী মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান-এর পদোন্নতি ও বদলিজনিত বিদায় তেমনই একটি অনুভূতিপূর্ণ মুহূর্ত।
তাঁর বিদায় উপলক্ষে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এবং পরবর্তীতে জেলা শিল্পকলা একাডেমির সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, শিল্পী ও প্রশিক্ষকদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় তাঁর কর্মময় সময়ের নানা স্মৃতি উঠে আসে।
একজন দক্ষ, সৎ, ন্যায়পরায়ণ, জনবান্ধব ও সংস্কৃতিবান্ধব জেলা প্রশাসক হিসেবে তিনি নীলফামারীর মানুষের হৃদয়ে যে জায়গা করে নিয়েছেন, তা সহজে পূরণ হওয়ার নয়। জেলা শিল্পকলা একাডেমির যেকোনো সমস্যা তাঁর নজরে এলে দ্রুত সমাধানের উদ্যোগ নিয়েছেন। একাডেমির প্রায় প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠান ও সাংস্কৃতিক আয়োজনেই তাঁর আন্তরিক উপস্থিতি ছিল শিল্পী ও সংস্কৃতিকর্মীদের জন্য অনুপ্রেরণার।
বিদায় অনুষ্ঠানে জেলা কালচারাল অফিসারসহ শিল্পী, প্রশিক্ষক, সংস্কৃতিকর্মী ও সাংস্কৃতিক সংগঠকরা তাঁর সঙ্গে কাজ করার নানা স্মৃতি তুলে ধরেন। প্রত্যেকের কথায় ছিল শ্রদ্ধা, কৃতজ্ঞতা ও আবেগ। তাঁর আন্তরিকতা, সহযোগিতার মনোভাব এবং সংস্কৃতির প্রতি ভালোবাসার কথা স্মরণ করে অনেকেই আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।
নীলফামারীর সাংস্কৃতিক অঙ্গনের মানুষ আজ একজন প্রিয় অভিভাবককে বিদায় জানাল। তবে তাঁর রেখে যাওয়া সুন্দর স্মৃতি, সহযোগিতা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের প্রতি আন্তরিকতা আমাদের পথচলায় দীর্ঘদিন অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।
নতুন কর্মস্থলে পথচলা আরও সফল, সুন্দর ও কল্যাণময় হোক এটাই কামনা করেছেন নীলফামারী জেলাবাসী।