
এম এ আলিম রিপন,সুজানগরঃ বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা আসিয়াব সুজানগর শাখার কাম হিসাবরক্ষক (চাকরিচ্যুত) মোঃ হাফিজুর রহমানের জামিন আবেদন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। গত মঙ্গলবার পাবনা আদালতে হাজির হয়ে মামলার প্রধান আসামী বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা আসিয়াব সুজানগর শাখার কাম হিসাবরক্ষক (চাকরিচ্যুত) মোঃ হাফিজুর রহমান ও মামলার তিন নং আসামী শহিদুর রহমান আইনজীবীর মাধ্যমে জামিন আবেদন করলে আদালতের বিচারক জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। সুজানগর থানার এস আই ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আলামিন হোসেন বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, টাকা উদ্ধারের জন্য আসামীদের ৫ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হবে আদালতে। এর আগে ওই আসামীদের বিরুদ্ধে ১০ লক্ষ ৫৯,৬৭৮ টাকা হাতিয়ে নিয়ে উধাও হওয়ার অভিযোগ উঠে। অভিযুক্ত হাফিজুর রহমান পাবনা জেলার চাটমোহর উপজেলার ছাইকোলা ইউনিয়নের চরছাইকোলা গ্রামের মোঃ বরাত আলীর ছেলে। এ ঘটনায় বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা আসিয়াব সুজানগর শাখার শাখা ব্যবস্থাপক নজরুল ইসলাম অভিযুক্ত হাফিজুর রহমানকে প্রধান আসামী করে এবং হোসেন আলী খলিফা ও শহিদুর রহমান নামক মোট তিনজনকে অভিযুক্ত করে মামলা দায়ের করেন। মামলা সূত্রে জানাযায়, সদস্যদের মাঝে লোনের টাকা বিতরণের জন্য গত ২৯ জুলাই সুজানগর আসিয়াবের শাখা অফিস থেকে কাম হিসাবরক্ষক হাফিজুর রহমান আসিয়াবের অ্যাকাউন্ট নম্বরের ১০ লাখ টাকার একটি চেক সুজানগর ইসলামী ব্যাংক শাখা থেকে উত্তোলনের জন্য নিয়ে আসেন। পরে এদিনই তিনি ব্যাংকে গিয়ে ওই টাকা উত্তোলন করে আর অফিসে না গিয়ে পালিয়ে যায়। পরে অনেকক্ষণ দেরি হওয়ায় অফিসের কর্মকর্তারা হাফিজুরের মোবাইল নম্বরে কল দিলে মোবাইল নম্বরটি বন্ধ পাওয়ায় ম্যানেজার ব্যাংকে গিয়ে জানতে পারেন তিনি অনেকক্ষণ আগেই ১০ লক্ষ টাকা উত্তোলন করে নিয়ে চলে গেছেন। যা সিসি ক্যামেরায় তার টাকা উত্তোলন করে নিয়ে যাওয়ার ভিডিও সংরক্ষিত রয়েছে। আসিয়াব সুজানগর শাখার শাখা ব্যবস্থাপক নজরুল ইসলাম জানান, ওই ১০ লাখ টাকাসহ অফিস থেকে আরও ৫৯,৬৭৮ নগদ টাকা নিয়ে পালিয়ে গেছে হাফিজুর। বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা আসিয়াব এর সমন্বয়কারী রফিকুল ইসলাম জানান, অভিযুক্ত হাফিজুর রহমান ২০২৫ সালের জুলাই মাসে আসিয়াবের সুজানগর শাখায় যোগদান করেন। সবার বিশ্বস্ততার সুযোগ নিয়ে এমন একটি কান্ড ঘটাবেন, তা অফিসের কোন কর্মকর্তা ভাবতেও পারিনি।